ঢাকা ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে

দেশের গ্রামীণ জনপদকেওপরিকল্পিত করে গড়তে হবে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাসযোগ্য ও পরিকল্পিত নগর গড়তে পরিকল্পিত নগরায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশিষ্টজনরা। আর দেশের বৃহৎ অংশ জুড়ে থাকা গ্রামীণ জনপদকেও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিতে হবে।

তারা মনে করেন, বাংলাদেশে নগর বাড়ছে। এতে তারা উৎসাহিত। পাশাপাশি চিন্তিতও। কারণ নগর ব্যবস্থাপনা পরিকল্পিত হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু সেখানে অনেক ঘাটতি রয়েছে। ফলে নগরগুলো বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের গ্রামীণ জনপদকেও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে নগর পরিকল্পনাবিদদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার বিশ্ব নগর পরিকল্পনা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বাংলামোটরের প্লানার্স টাওয়ারে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব প্লানার্স (বিআইপি) আয়োজিত ‘সমসাময়িক পরিকল্পনা ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এমন অভিমত ব্যক্ত করেন। প্রতি বছরের ৮ নভেম্বর বিশ্ব পরিকল্পনা দিবস পালিত হয়। এ উপলক্ষে বিআইপি দশদিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এ আয়োজনে সহযোগী হিসেবে রয়েছে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম-বাংলাদেশ; নির্মাতা প্রতিষ্ঠান শেলটেক, আবাসন প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ণ হাউজিং ও বেসরকরি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক।

ৱপ্রথম দিনের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআইপির সভাপতি অধ্যাপক একেএম আবুল কালাম। প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।

বিআইপির সাধারণ সম্পাদক ড. আদিল মুহাম্মদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বিআইপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক গোলাম রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আখতার মাহমুদ, ব্র্যাকের কর্মসূচি প্রধান হাসিনা মোশারেফা, নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম-বাংলাদেশের সভাপতি অমিতোষ পাল প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, নগরের পরিধি বৃদ্ধির বিষয়ে ধারণাগত বিষয়গুলো আরো স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। শহরের সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়ন জরুরি। একদিকে অতি ধনী অন্যদিকে অতি দরিদ্রের অবস্থান হলে নগর সামঞ্জস্যতা হারায়। পরিকল্পিত নগরায়নের ক্ষেত্রে নগরের বাসযোগ্যতা, নাগরিকদের মানসিক স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু বিদ্যমান পরিকল্পনায় এসব মহল বিষয় অনেক ক্ষেত্রেই উপেক্ষিত। এ অবস্থাথেকে বেরিয়ে এসে পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়ন হলেই সেটা হবে টেকসই নগর।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষার্থীরা আধুনিক নগরায়ন নিয়ে তাদের ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন। বিকালে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিকল্পনা বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ঈশ্বরদীতে ট্রাকের ধাক্কায় মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু, আহত ২

দেশের গ্রামীণ জনপদকেওপরিকল্পিত করে গড়তে হবে

আপডেট সময় ০৯:০৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাসযোগ্য ও পরিকল্পিত নগর গড়তে পরিকল্পিত নগরায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশিষ্টজনরা। আর দেশের বৃহৎ অংশ জুড়ে থাকা গ্রামীণ জনপদকেও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিতে হবে।

তারা মনে করেন, বাংলাদেশে নগর বাড়ছে। এতে তারা উৎসাহিত। পাশাপাশি চিন্তিতও। কারণ নগর ব্যবস্থাপনা পরিকল্পিত হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু সেখানে অনেক ঘাটতি রয়েছে। ফলে নগরগুলো বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের গ্রামীণ জনপদকেও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে নগর পরিকল্পনাবিদদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার বিশ্ব নগর পরিকল্পনা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বাংলামোটরের প্লানার্স টাওয়ারে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব প্লানার্স (বিআইপি) আয়োজিত ‘সমসাময়িক পরিকল্পনা ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এমন অভিমত ব্যক্ত করেন। প্রতি বছরের ৮ নভেম্বর বিশ্ব পরিকল্পনা দিবস পালিত হয়। এ উপলক্ষে বিআইপি দশদিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এ আয়োজনে সহযোগী হিসেবে রয়েছে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম-বাংলাদেশ; নির্মাতা প্রতিষ্ঠান শেলটেক, আবাসন প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ণ হাউজিং ও বেসরকরি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক।

ৱপ্রথম দিনের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআইপির সভাপতি অধ্যাপক একেএম আবুল কালাম। প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।

বিআইপির সাধারণ সম্পাদক ড. আদিল মুহাম্মদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বিআইপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক গোলাম রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আখতার মাহমুদ, ব্র্যাকের কর্মসূচি প্রধান হাসিনা মোশারেফা, নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম-বাংলাদেশের সভাপতি অমিতোষ পাল প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, নগরের পরিধি বৃদ্ধির বিষয়ে ধারণাগত বিষয়গুলো আরো স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। শহরের সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়ন জরুরি। একদিকে অতি ধনী অন্যদিকে অতি দরিদ্রের অবস্থান হলে নগর সামঞ্জস্যতা হারায়। পরিকল্পিত নগরায়নের ক্ষেত্রে নগরের বাসযোগ্যতা, নাগরিকদের মানসিক স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু বিদ্যমান পরিকল্পনায় এসব মহল বিষয় অনেক ক্ষেত্রেই উপেক্ষিত। এ অবস্থাথেকে বেরিয়ে এসে পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়ন হলেই সেটা হবে টেকসই নগর।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষার্থীরা আধুনিক নগরায়ন নিয়ে তাদের ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন। বিকালে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিকল্পনা বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।