ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পল্লী সড়ক উন্নয়নে ১৬৫০ কোটি টাকা দিচ্ছে এডিবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পল্লী সড়ক উন্নয়নে ২০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। সংস্থার বোর্ড সভায় এরই মধ্যে এ ঋণের প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।

সংস্থাটির সদর দফতর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় এডিবির পল্লী উন্নয়নবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞ লি মিং তাই বলেন, কৃষি খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশে পল্লী সড়ক বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষি খাতের হাত ধরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৫ শতাংশ এলেও এ খাতে মোট শ্রমশক্তির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে।

এডিবির অর্থায়নে নেয়া প্রকল্পটি সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় নেয়া পল্লী সড়ক উন্নয়নের লক্ষ্যপূরণে সহায়ক হবে। ফলে পল্লী অঞ্চলের মানুষের আয় বাড়বে। অর্থনৈতিক উন্নতিতে কৃষির অবদান বাড়াতে প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি মনে করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এডিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ এখনও পল্লী অঞ্চলে বসবাস করেন। তাদের অধিকাংশই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। পল্লী এলাকার নাজুক পরিবহন ব্যবস্থা, বাজারে অংশ নেয়ার পর্যাপ্ত সুযোগের অভাব, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় আর জলবায়ু পরিবর্তনের মতো কয়েকটি দুর্বলতার কারণে বাংলাদেশের কৃষি খাত পিছিয়ে আছে।

প্রকল্পের আওতায় ৩৪ জেলা নির্বাচনে ২০১৭ সালের বণ্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এডিবি। জনসংখ্যার পরিমাণ, কৃষির সম্ভাবনা, কৃষি ফার্মের সংখ্যা ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে প্রাধান্য দিয়ে প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ৭০০ কিলোমিটার সড়ক নির্বাচন করা হয়েছে। এসব সড়কে বিভিন্ন ট্রাফিক চিহ্ন, পাহারা চৌকি, স্পিড ব্রেকারের মেরামতসহ নিরাপত্তামূলক উদ্যোগও থাকবে। কাজ শেষে পাঁচ বছর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের শর্তে এসব সড়ক নির্মাণ করা হবে।

এ লক্ষ্যে পল্লী সড়ক উন্নয়ন শীর্ষক আলোচ্য প্রকল্পে এডিবির অর্থ ব্যয় করা হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে কাজ শেষ করতে প্রকল্পে ব্যয় হবে ২৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। এতে এডিবি নমনীয় ঋণ দিচ্ছে ১০ কোটি ডলার।

নিয়মিত ঋণ হিসেবে আরও ১০ কোটি ডলার দেবে সংস্থাটি। আর সরকারের তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে ৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। এর আওতায় ৩৪ জেলার ১ হাজার ৭০০ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নে কাজ করা হবে। ফলে উন্নত হবে পল্লী অঞ্চলের আরও ৪০ শতাংশ সড়ক।

প্রায় ৫ কোটি ১৫ লাখ কৃষিনির্ভর মানুষ এর সুফল পাবে বলে ধারণা দিয়েছে এডিবি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পল্লী সড়ক উন্নয়নে ১৬৫০ কোটি টাকা দিচ্ছে এডিবি

আপডেট সময় ০৮:১৯:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পল্লী সড়ক উন্নয়নে ২০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। সংস্থার বোর্ড সভায় এরই মধ্যে এ ঋণের প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।

সংস্থাটির সদর দফতর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় এডিবির পল্লী উন্নয়নবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞ লি মিং তাই বলেন, কৃষি খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশে পল্লী সড়ক বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষি খাতের হাত ধরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৫ শতাংশ এলেও এ খাতে মোট শ্রমশক্তির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে।

এডিবির অর্থায়নে নেয়া প্রকল্পটি সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় নেয়া পল্লী সড়ক উন্নয়নের লক্ষ্যপূরণে সহায়ক হবে। ফলে পল্লী অঞ্চলের মানুষের আয় বাড়বে। অর্থনৈতিক উন্নতিতে কৃষির অবদান বাড়াতে প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি মনে করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এডিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ এখনও পল্লী অঞ্চলে বসবাস করেন। তাদের অধিকাংশই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। পল্লী এলাকার নাজুক পরিবহন ব্যবস্থা, বাজারে অংশ নেয়ার পর্যাপ্ত সুযোগের অভাব, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় আর জলবায়ু পরিবর্তনের মতো কয়েকটি দুর্বলতার কারণে বাংলাদেশের কৃষি খাত পিছিয়ে আছে।

প্রকল্পের আওতায় ৩৪ জেলা নির্বাচনে ২০১৭ সালের বণ্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এডিবি। জনসংখ্যার পরিমাণ, কৃষির সম্ভাবনা, কৃষি ফার্মের সংখ্যা ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে প্রাধান্য দিয়ে প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ৭০০ কিলোমিটার সড়ক নির্বাচন করা হয়েছে। এসব সড়কে বিভিন্ন ট্রাফিক চিহ্ন, পাহারা চৌকি, স্পিড ব্রেকারের মেরামতসহ নিরাপত্তামূলক উদ্যোগও থাকবে। কাজ শেষে পাঁচ বছর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের শর্তে এসব সড়ক নির্মাণ করা হবে।

এ লক্ষ্যে পল্লী সড়ক উন্নয়ন শীর্ষক আলোচ্য প্রকল্পে এডিবির অর্থ ব্যয় করা হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে কাজ শেষ করতে প্রকল্পে ব্যয় হবে ২৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। এতে এডিবি নমনীয় ঋণ দিচ্ছে ১০ কোটি ডলার।

নিয়মিত ঋণ হিসেবে আরও ১০ কোটি ডলার দেবে সংস্থাটি। আর সরকারের তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে ৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। এর আওতায় ৩৪ জেলার ১ হাজার ৭০০ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নে কাজ করা হবে। ফলে উন্নত হবে পল্লী অঞ্চলের আরও ৪০ শতাংশ সড়ক।

প্রায় ৫ কোটি ১৫ লাখ কৃষিনির্ভর মানুষ এর সুফল পাবে বলে ধারণা দিয়েছে এডিবি।