ঢাকা ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে জামায়াত: মিন্টু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠ পর্যায় পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান ‘শুধু একদিন আমার হাঁসটাকে পাহারা দেন, নির্বাচিত হলে ৫ বছর আপনাদেরকে পাহারা দেব’:রুমিন ফারহানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ রুখতে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থাকতে হবে: মামুনুল হক সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য জনমুখী নীতিমালার আহ্বান বাংলাদেশের অনলাইন গেমে আসক্তি, নবম তলা থেকে লাফিয়ে তিন বোনের আত্মহত্যা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইলেন যুবলীগ নেতা

যেদিকে এগোচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে গঠিত হয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। নিরপেক্ষা নির্বাচনের জন্য ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি জানানো হয়েছে। দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সংলাপও হয়েছে। কিন্তু প্রথম দফা সংলাপের পর কোনো সুরাহা আসেনি।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ছাড়াও বেশ কয়েকটি রাজনৈতি জোটের সঙ্গে সংলাপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বুধবার দ্বিতীয় দফা সংলাপে হবে গণভবনে। তবে এবারও সংলাপে কোনো সুরাহা আসবে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সংলাপের ফলাফল বা রাজনৈতিক সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনীয় তফসিল ঘোষণা বন্ধ রাখার জন্য ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হলেও সেই অনুরোধ রাখছে না নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, তসফিল পেছানো হবে না, দরকার পড়লে নির্বাচন পেছাতে পারে।

এদিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে সংলাপ চললেও নির্বাচনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে সংলাপের অর্থবহ কোনো ফলাফল আসবে না বলেই মনে করছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। তবে তারা সমঝোতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।

মঙ্গলবার সোহরাওয়াদী উদ্যানের জনসভায় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা সংলাপে দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা সংঘাত চান না এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দাবি মানা না হলে বিকল্প উপায়ও ঘোষণা করেছে ঐক্যফ্রন্ট।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সংলাপের মাধ্যমে ফলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলন ছাড়া কোনো গন্তব্য থাকবে না। ফলে রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠবে।

এদিকে বুধবারের সংলাপে কোনো সমাধান না আসলে ঐক্যফ্রন্ট তার পরবর্তী কর্মসূচি পরিস্কার করেছে। ফ্রন্টের মূখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঘোষণা দিয়েছেন, বুধবার সংলাপ সফল না হলে এবং দাবি না মানলে পরদিন (৮ নভেম্বর) রাজশাহী অভিমুখে রোডমার্চ। এর পরদিন (৯ নভেম্বর) রাজশাহীতে জনসভা হবে। একে একে খুলনা ও বরিশাল অভিমুখেও রোডমার্চ হবে।

এছাড়াও নির্বাচন ঐক্যফ্রন্টের অনুরোধ না রাখলে তাদের বিরুদ্ধে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ঐক্যফ্রন্ট। সংলাপে দাবি না মেনে তফসিল ঘোষণা করা হলে নির্বাচন কমিশন ভবন অভিমুখে পদযাত্রা করবে ঐক্যফ্রন্ট।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন

যেদিকে এগোচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট

আপডেট সময় ০১:০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে গঠিত হয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। নিরপেক্ষা নির্বাচনের জন্য ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি জানানো হয়েছে। দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সংলাপও হয়েছে। কিন্তু প্রথম দফা সংলাপের পর কোনো সুরাহা আসেনি।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ছাড়াও বেশ কয়েকটি রাজনৈতি জোটের সঙ্গে সংলাপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বুধবার দ্বিতীয় দফা সংলাপে হবে গণভবনে। তবে এবারও সংলাপে কোনো সুরাহা আসবে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সংলাপের ফলাফল বা রাজনৈতিক সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনীয় তফসিল ঘোষণা বন্ধ রাখার জন্য ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হলেও সেই অনুরোধ রাখছে না নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, তসফিল পেছানো হবে না, দরকার পড়লে নির্বাচন পেছাতে পারে।

এদিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে সংলাপ চললেও নির্বাচনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে সংলাপের অর্থবহ কোনো ফলাফল আসবে না বলেই মনে করছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। তবে তারা সমঝোতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।

মঙ্গলবার সোহরাওয়াদী উদ্যানের জনসভায় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা সংলাপে দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা সংঘাত চান না এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দাবি মানা না হলে বিকল্প উপায়ও ঘোষণা করেছে ঐক্যফ্রন্ট।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সংলাপের মাধ্যমে ফলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলন ছাড়া কোনো গন্তব্য থাকবে না। ফলে রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠবে।

এদিকে বুধবারের সংলাপে কোনো সমাধান না আসলে ঐক্যফ্রন্ট তার পরবর্তী কর্মসূচি পরিস্কার করেছে। ফ্রন্টের মূখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঘোষণা দিয়েছেন, বুধবার সংলাপ সফল না হলে এবং দাবি না মানলে পরদিন (৮ নভেম্বর) রাজশাহী অভিমুখে রোডমার্চ। এর পরদিন (৯ নভেম্বর) রাজশাহীতে জনসভা হবে। একে একে খুলনা ও বরিশাল অভিমুখেও রোডমার্চ হবে।

এছাড়াও নির্বাচন ঐক্যফ্রন্টের অনুরোধ না রাখলে তাদের বিরুদ্ধে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ঐক্যফ্রন্ট। সংলাপে দাবি না মেনে তফসিল ঘোষণা করা হলে নির্বাচন কমিশন ভবন অভিমুখে পদযাত্রা করবে ঐক্যফ্রন্ট।