ঢাকা ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম শেখ হাসিনা চাচ্ছে না বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক : মেজর হাফিজ ৫৪ বছরে ক্ষমতায় যারা ছিল, তাদের শ্বশুরবাড়ির সম্পদ হু হু করে বেড়েছে:শফিকুর রহমান ৫ দশমিক ৯ মাত্রায় ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থানকারী দলের ইতিহাস বিকৃতিতে জাতি স্তব্ধ: মাহদী আমিন সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভিয়েতনাম, গোপন নথি ফাঁস পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ

রাখাইনে সাহায্যকর্মীদের কাজ করার অনুমতি দিতে হবে: ডেনিশ মন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ডেনমার্কের উন্নয়ন সহযোগিতামন্ত্রী উলা টরনেস রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের ফেরত পাঠানোর প্রেক্ষাপটে দেশটির রাখাইন রাজ্যে সাহায্যকর্মীদের কাজ করার অনুমতি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্য দিচ্ছে ডেনমার্ক। রাখাইন রাজ্যের জীবনমানের উন্নয়নে সেখানেও ডেনমার্ক কাজ করতে আগ্রহী। কিন্তু তার জন্য মিয়ানমার সরকারের অনুমতি প্রয়োজন।

তিনি বুধবার ঢাকায় ওয়েস্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। এতে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিয়েসলেও বক্তব্য রাখেন। ডেনিশমন্ত্রী ও ডব্লিউএফপি নির্বাহী পরিচালক কক্সবাজারের কুতুপালং ও বালুখালিকে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন। ডব্লিউএফপি নির্বাহী পরিচালক রোহিঙ্গাদের জন্যে ৪৬ লাখ ডলার অতিরিক্ত তহবিল ঘোষণা করেছেন।

ডেনিশমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে এখনও ব্যাপক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করি। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান আজ কিংবা আগামীকালই হচ্ছে না। ফলে তাদের সহায়তার দিকটি গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৭ সালের আগস্টে সংকট শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ডেনমার্ক ডব্লিউএফপিকে এক কোটি ৩০ লাখ ডলার দিয়েছে।

তিনি বলেন, যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মানবিক ও উন্নয়ন সহায়তা দেয়ার ক্ষেত্রে তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। তিনি সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আরও সহযোগিতা, সংলাপ ও টেকসই প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

গত বছর রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করার কথা উল্লেখ করে উলা টরনেস জানান, এবারের সঙ্গে তুলনা করে তিনি অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পেয়েছেন। তবে আজও অনেক কিছু করার আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। যারা রোহিঙ্গাদের নৃশংসতা চালিয়েছে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার পাশাপাশি কফি আনান কমিশনের সব সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম

রাখাইনে সাহায্যকর্মীদের কাজ করার অনুমতি দিতে হবে: ডেনিশ মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ডেনমার্কের উন্নয়ন সহযোগিতামন্ত্রী উলা টরনেস রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের ফেরত পাঠানোর প্রেক্ষাপটে দেশটির রাখাইন রাজ্যে সাহায্যকর্মীদের কাজ করার অনুমতি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্য দিচ্ছে ডেনমার্ক। রাখাইন রাজ্যের জীবনমানের উন্নয়নে সেখানেও ডেনমার্ক কাজ করতে আগ্রহী। কিন্তু তার জন্য মিয়ানমার সরকারের অনুমতি প্রয়োজন।

তিনি বুধবার ঢাকায় ওয়েস্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। এতে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিয়েসলেও বক্তব্য রাখেন। ডেনিশমন্ত্রী ও ডব্লিউএফপি নির্বাহী পরিচালক কক্সবাজারের কুতুপালং ও বালুখালিকে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন। ডব্লিউএফপি নির্বাহী পরিচালক রোহিঙ্গাদের জন্যে ৪৬ লাখ ডলার অতিরিক্ত তহবিল ঘোষণা করেছেন।

ডেনিশমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে এখনও ব্যাপক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করি। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান আজ কিংবা আগামীকালই হচ্ছে না। ফলে তাদের সহায়তার দিকটি গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৭ সালের আগস্টে সংকট শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ডেনমার্ক ডব্লিউএফপিকে এক কোটি ৩০ লাখ ডলার দিয়েছে।

তিনি বলেন, যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মানবিক ও উন্নয়ন সহায়তা দেয়ার ক্ষেত্রে তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। তিনি সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আরও সহযোগিতা, সংলাপ ও টেকসই প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

গত বছর রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করার কথা উল্লেখ করে উলা টরনেস জানান, এবারের সঙ্গে তুলনা করে তিনি অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পেয়েছেন। তবে আজও অনেক কিছু করার আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। যারা রোহিঙ্গাদের নৃশংসতা চালিয়েছে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার পাশাপাশি কফি আনান কমিশনের সব সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।