ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রাখাইনে সাহায্যকর্মীদের কাজ করার অনুমতি দিতে হবে: ডেনিশ মন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ডেনমার্কের উন্নয়ন সহযোগিতামন্ত্রী উলা টরনেস রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের ফেরত পাঠানোর প্রেক্ষাপটে দেশটির রাখাইন রাজ্যে সাহায্যকর্মীদের কাজ করার অনুমতি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্য দিচ্ছে ডেনমার্ক। রাখাইন রাজ্যের জীবনমানের উন্নয়নে সেখানেও ডেনমার্ক কাজ করতে আগ্রহী। কিন্তু তার জন্য মিয়ানমার সরকারের অনুমতি প্রয়োজন।

তিনি বুধবার ঢাকায় ওয়েস্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। এতে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিয়েসলেও বক্তব্য রাখেন। ডেনিশমন্ত্রী ও ডব্লিউএফপি নির্বাহী পরিচালক কক্সবাজারের কুতুপালং ও বালুখালিকে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন। ডব্লিউএফপি নির্বাহী পরিচালক রোহিঙ্গাদের জন্যে ৪৬ লাখ ডলার অতিরিক্ত তহবিল ঘোষণা করেছেন।

ডেনিশমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে এখনও ব্যাপক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করি। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান আজ কিংবা আগামীকালই হচ্ছে না। ফলে তাদের সহায়তার দিকটি গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৭ সালের আগস্টে সংকট শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ডেনমার্ক ডব্লিউএফপিকে এক কোটি ৩০ লাখ ডলার দিয়েছে।

তিনি বলেন, যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মানবিক ও উন্নয়ন সহায়তা দেয়ার ক্ষেত্রে তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। তিনি সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আরও সহযোগিতা, সংলাপ ও টেকসই প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

গত বছর রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করার কথা উল্লেখ করে উলা টরনেস জানান, এবারের সঙ্গে তুলনা করে তিনি অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পেয়েছেন। তবে আজও অনেক কিছু করার আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। যারা রোহিঙ্গাদের নৃশংসতা চালিয়েছে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার পাশাপাশি কফি আনান কমিশনের সব সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

রাখাইনে সাহায্যকর্মীদের কাজ করার অনুমতি দিতে হবে: ডেনিশ মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ডেনমার্কের উন্নয়ন সহযোগিতামন্ত্রী উলা টরনেস রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের ফেরত পাঠানোর প্রেক্ষাপটে দেশটির রাখাইন রাজ্যে সাহায্যকর্মীদের কাজ করার অনুমতি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্য দিচ্ছে ডেনমার্ক। রাখাইন রাজ্যের জীবনমানের উন্নয়নে সেখানেও ডেনমার্ক কাজ করতে আগ্রহী। কিন্তু তার জন্য মিয়ানমার সরকারের অনুমতি প্রয়োজন।

তিনি বুধবার ঢাকায় ওয়েস্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। এতে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিয়েসলেও বক্তব্য রাখেন। ডেনিশমন্ত্রী ও ডব্লিউএফপি নির্বাহী পরিচালক কক্সবাজারের কুতুপালং ও বালুখালিকে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন। ডব্লিউএফপি নির্বাহী পরিচালক রোহিঙ্গাদের জন্যে ৪৬ লাখ ডলার অতিরিক্ত তহবিল ঘোষণা করেছেন।

ডেনিশমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে এখনও ব্যাপক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করি। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান আজ কিংবা আগামীকালই হচ্ছে না। ফলে তাদের সহায়তার দিকটি গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৭ সালের আগস্টে সংকট শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ডেনমার্ক ডব্লিউএফপিকে এক কোটি ৩০ লাখ ডলার দিয়েছে।

তিনি বলেন, যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মানবিক ও উন্নয়ন সহায়তা দেয়ার ক্ষেত্রে তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। তিনি সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আরও সহযোগিতা, সংলাপ ও টেকসই প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

গত বছর রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করার কথা উল্লেখ করে উলা টরনেস জানান, এবারের সঙ্গে তুলনা করে তিনি অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পেয়েছেন। তবে আজও অনেক কিছু করার আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। যারা রোহিঙ্গাদের নৃশংসতা চালিয়েছে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার পাশাপাশি কফি আনান কমিশনের সব সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।