ঢাকা ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সরকার কেন আপস করবে?

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আগামী বৃহস্পতিবার আলোচনায় বসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সময় দিয়ে ঐক্যফ্রন্টকে চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার আলোচনায় আসলে কী হবে বা সরকার নমনীয় হবে কিনা তা নিয়ে মানুষের আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

কিন্তু চিঠিতে ‘সংবিধানসম্মত সব বিষয়ে আলোচনার জন্য তার দ্বার সর্বদা উন্মুক্ত’ বিষয়টি উল্লেখ করায় সরকার আগের অবস্থানের প্রতি কঠোর মনোভাব উল্লেখ করেছেন কিনা এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেন।

তিনি বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আমি বলব জাতীয় স্বার্থে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আমরা যেমন চাই, আপনিও চান। আমরা উভয়েই সেটাই চাই, তাহলে কেন উপায় বের করা যাবে না।

কিন্তু ঐক্যফ্রন্টের দেয়া সাত দফা দাবি সরকার কেন মানবে বা আদৌ মানবে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে সরকার যে নমনীয় হবে সেটা তারা আশা করছেন কীভাবে? সরকারের ওপর তো চাপ নেই?

এমন প্রশ্নের জবাবে ড. হোসেন বলেন, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার জন্য অবশ্যই সরকার চাপে রয়েছে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করাটাই চাপ। তারা জানেন, যে নির্বাচনে মানুষ অংশগ্রহণ করে না, সেই নির্বাচন থেকে কিছু পাওয়া যায় না। এই উপলব্ধি নিশ্চয়ই তাদের হয়েছে। তা না হলে তো আমাদের আলোচনায় ডাকার কোনো দরকার তো তাদের ছিল না।

সংলাপে ঐক্যফ্রন্ট কতটা নমনীয় হবেন এ প্রশ্নে ড. কামাল হোসেন বলেন, আমি আগে থেকে কোনো অনুমান করতে চাই না। লক্ষ্য একটাই সবই একটা নির্বাচন। আমরা উভয়েই সেটাই চাই।

তবে সংলাপে তাদের সুনির্দিষ্ট কৌশল নিয়ে বেশি কথা বলতে রাজি হননি ড. কামাল হোসেন।

তিনি বলেন, কালকে যেহেতু আলোচনা, সুতরাং বেশি কিছু বলতে চাই না। আমরা আশা করব সরকার আমাদের সাত দফা দাবি মেনে নিক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সরকার কেন আপস করবে?

আপডেট সময় ০৬:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আগামী বৃহস্পতিবার আলোচনায় বসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সময় দিয়ে ঐক্যফ্রন্টকে চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার আলোচনায় আসলে কী হবে বা সরকার নমনীয় হবে কিনা তা নিয়ে মানুষের আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

কিন্তু চিঠিতে ‘সংবিধানসম্মত সব বিষয়ে আলোচনার জন্য তার দ্বার সর্বদা উন্মুক্ত’ বিষয়টি উল্লেখ করায় সরকার আগের অবস্থানের প্রতি কঠোর মনোভাব উল্লেখ করেছেন কিনা এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেন।

তিনি বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আমি বলব জাতীয় স্বার্থে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আমরা যেমন চাই, আপনিও চান। আমরা উভয়েই সেটাই চাই, তাহলে কেন উপায় বের করা যাবে না।

কিন্তু ঐক্যফ্রন্টের দেয়া সাত দফা দাবি সরকার কেন মানবে বা আদৌ মানবে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে সরকার যে নমনীয় হবে সেটা তারা আশা করছেন কীভাবে? সরকারের ওপর তো চাপ নেই?

এমন প্রশ্নের জবাবে ড. হোসেন বলেন, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার জন্য অবশ্যই সরকার চাপে রয়েছে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করাটাই চাপ। তারা জানেন, যে নির্বাচনে মানুষ অংশগ্রহণ করে না, সেই নির্বাচন থেকে কিছু পাওয়া যায় না। এই উপলব্ধি নিশ্চয়ই তাদের হয়েছে। তা না হলে তো আমাদের আলোচনায় ডাকার কোনো দরকার তো তাদের ছিল না।

সংলাপে ঐক্যফ্রন্ট কতটা নমনীয় হবেন এ প্রশ্নে ড. কামাল হোসেন বলেন, আমি আগে থেকে কোনো অনুমান করতে চাই না। লক্ষ্য একটাই সবই একটা নির্বাচন। আমরা উভয়েই সেটাই চাই।

তবে সংলাপে তাদের সুনির্দিষ্ট কৌশল নিয়ে বেশি কথা বলতে রাজি হননি ড. কামাল হোসেন।

তিনি বলেন, কালকে যেহেতু আলোচনা, সুতরাং বেশি কিছু বলতে চাই না। আমরা আশা করব সরকার আমাদের সাত দফা দাবি মেনে নিক।