ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে একটু ভালো আছে, তার মেরুদণ্ডে এক্স-রে ও লেফট হিপ জয়েন্টে সিটিস্ক্যান করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে বিএসএমএমইউর পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রি. জে. আব্দুল্লাহ আল হারুন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ৬ অক্টোবর থেকেই খালেদা জিয়া এখানে ভর্তি আছেন, চিকিৎসা চলছে। আগের চেয়ে একটু ভালো আছেন। তার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। আর তাদের সুপারিশেই আজ আদালতে যাননি খালেদা। মেডিকেল বোর্ড আমাকে বলেছে, উনি আদালতে যাওয়ার মতো ফিট না। আমি বিষয়টি আদালতকে জানিয়েছি।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় তাকে জানানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, চিকিৎসার বাইরে আমি কিছু জানি না। খালেদা জিয়া টেলিভিশন দেখার বা সংবাদপত্র পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জেলকোড যেসব সুবিধা পাওয়ার কথা সেসব সুবিধা পাচ্ছেন।

এর আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনকে কেবিন ব্লক থেকে সিটিস্ক্যান রুমে নেয়া হয়। সেখানে তার পায়ে সিটিস্ক্যান করা হয়। এরপর তাকে নেয়া হয় এক্স-রে কক্ষে। পরে দুপুর সোয়া ২টার দিকে তাকে পুনরায় ৬১২ কেবিনে ফিরিয়ে নেয়া হয়।

এদিকে খালেদা জিয়ার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরুর অনেক আগেই থেকেই বিএসএমএমইউর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। হাসপাতালের মূল ফটক ও কেবিন ব্লকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। হাসপাতালে সাধারণ মানুষের আসা-যাওয়াতে নজরদারি বাড়ানো হয়।

এর আগে গত ২৪ অক্টোবর খালেদা জিয়ার আরেকটি সিটিস্ক্যান করা হয়। ওইদিন তার বুকে সিটিস্ক্যান করানো হয়েছিল।

উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৬ অক্টোবর রাজধানীর পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল জলিল চৌধুরীর অধীনে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সৌদিতে ফ্লাইট বাতিলে আটকে পড়েছেন চার হাজার ভারতীয় ওমরাহ

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি

আপডেট সময় ০৮:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে একটু ভালো আছে, তার মেরুদণ্ডে এক্স-রে ও লেফট হিপ জয়েন্টে সিটিস্ক্যান করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে বিএসএমএমইউর পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রি. জে. আব্দুল্লাহ আল হারুন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ৬ অক্টোবর থেকেই খালেদা জিয়া এখানে ভর্তি আছেন, চিকিৎসা চলছে। আগের চেয়ে একটু ভালো আছেন। তার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। আর তাদের সুপারিশেই আজ আদালতে যাননি খালেদা। মেডিকেল বোর্ড আমাকে বলেছে, উনি আদালতে যাওয়ার মতো ফিট না। আমি বিষয়টি আদালতকে জানিয়েছি।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় তাকে জানানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, চিকিৎসার বাইরে আমি কিছু জানি না। খালেদা জিয়া টেলিভিশন দেখার বা সংবাদপত্র পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জেলকোড যেসব সুবিধা পাওয়ার কথা সেসব সুবিধা পাচ্ছেন।

এর আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনকে কেবিন ব্লক থেকে সিটিস্ক্যান রুমে নেয়া হয়। সেখানে তার পায়ে সিটিস্ক্যান করা হয়। এরপর তাকে নেয়া হয় এক্স-রে কক্ষে। পরে দুপুর সোয়া ২টার দিকে তাকে পুনরায় ৬১২ কেবিনে ফিরিয়ে নেয়া হয়।

এদিকে খালেদা জিয়ার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরুর অনেক আগেই থেকেই বিএসএমএমইউর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। হাসপাতালের মূল ফটক ও কেবিন ব্লকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। হাসপাতালে সাধারণ মানুষের আসা-যাওয়াতে নজরদারি বাড়ানো হয়।

এর আগে গত ২৪ অক্টোবর খালেদা জিয়ার আরেকটি সিটিস্ক্যান করা হয়। ওইদিন তার বুকে সিটিস্ক্যান করানো হয়েছিল।

উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৬ অক্টোবর রাজধানীর পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল জলিল চৌধুরীর অধীনে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।