ঢাকা ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে একটু ভালো আছে, তার মেরুদণ্ডে এক্স-রে ও লেফট হিপ জয়েন্টে সিটিস্ক্যান করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে বিএসএমএমইউর পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রি. জে. আব্দুল্লাহ আল হারুন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ৬ অক্টোবর থেকেই খালেদা জিয়া এখানে ভর্তি আছেন, চিকিৎসা চলছে। আগের চেয়ে একটু ভালো আছেন। তার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। আর তাদের সুপারিশেই আজ আদালতে যাননি খালেদা। মেডিকেল বোর্ড আমাকে বলেছে, উনি আদালতে যাওয়ার মতো ফিট না। আমি বিষয়টি আদালতকে জানিয়েছি।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় তাকে জানানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, চিকিৎসার বাইরে আমি কিছু জানি না। খালেদা জিয়া টেলিভিশন দেখার বা সংবাদপত্র পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জেলকোড যেসব সুবিধা পাওয়ার কথা সেসব সুবিধা পাচ্ছেন।

এর আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনকে কেবিন ব্লক থেকে সিটিস্ক্যান রুমে নেয়া হয়। সেখানে তার পায়ে সিটিস্ক্যান করা হয়। এরপর তাকে নেয়া হয় এক্স-রে কক্ষে। পরে দুপুর সোয়া ২টার দিকে তাকে পুনরায় ৬১২ কেবিনে ফিরিয়ে নেয়া হয়।

এদিকে খালেদা জিয়ার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরুর অনেক আগেই থেকেই বিএসএমএমইউর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। হাসপাতালের মূল ফটক ও কেবিন ব্লকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। হাসপাতালে সাধারণ মানুষের আসা-যাওয়াতে নজরদারি বাড়ানো হয়।

এর আগে গত ২৪ অক্টোবর খালেদা জিয়ার আরেকটি সিটিস্ক্যান করা হয়। ওইদিন তার বুকে সিটিস্ক্যান করানো হয়েছিল।

উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৬ অক্টোবর রাজধানীর পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল জলিল চৌধুরীর অধীনে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি

আপডেট সময় ০৮:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে একটু ভালো আছে, তার মেরুদণ্ডে এক্স-রে ও লেফট হিপ জয়েন্টে সিটিস্ক্যান করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে বিএসএমএমইউর পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রি. জে. আব্দুল্লাহ আল হারুন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ৬ অক্টোবর থেকেই খালেদা জিয়া এখানে ভর্তি আছেন, চিকিৎসা চলছে। আগের চেয়ে একটু ভালো আছেন। তার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। আর তাদের সুপারিশেই আজ আদালতে যাননি খালেদা। মেডিকেল বোর্ড আমাকে বলেছে, উনি আদালতে যাওয়ার মতো ফিট না। আমি বিষয়টি আদালতকে জানিয়েছি।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় তাকে জানানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, চিকিৎসার বাইরে আমি কিছু জানি না। খালেদা জিয়া টেলিভিশন দেখার বা সংবাদপত্র পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জেলকোড যেসব সুবিধা পাওয়ার কথা সেসব সুবিধা পাচ্ছেন।

এর আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনকে কেবিন ব্লক থেকে সিটিস্ক্যান রুমে নেয়া হয়। সেখানে তার পায়ে সিটিস্ক্যান করা হয়। এরপর তাকে নেয়া হয় এক্স-রে কক্ষে। পরে দুপুর সোয়া ২টার দিকে তাকে পুনরায় ৬১২ কেবিনে ফিরিয়ে নেয়া হয়।

এদিকে খালেদা জিয়ার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরুর অনেক আগেই থেকেই বিএসএমএমইউর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। হাসপাতালের মূল ফটক ও কেবিন ব্লকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। হাসপাতালে সাধারণ মানুষের আসা-যাওয়াতে নজরদারি বাড়ানো হয়।

এর আগে গত ২৪ অক্টোবর খালেদা জিয়ার আরেকটি সিটিস্ক্যান করা হয়। ওইদিন তার বুকে সিটিস্ক্যান করানো হয়েছিল।

উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৬ অক্টোবর রাজধানীর পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল জলিল চৌধুরীর অধীনে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।