ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম শেখ হাসিনা চাচ্ছে না বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক : মেজর হাফিজ ৫৪ বছরে ক্ষমতায় যারা ছিল, তাদের শ্বশুরবাড়ির সম্পদ হু হু করে বেড়েছে:শফিকুর রহমান ৫ দশমিক ৯ মাত্রায় ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থানকারী দলের ইতিহাস বিকৃতিতে জাতি স্তব্ধ: মাহদী আমিন সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভিয়েতনাম, গোপন নথি ফাঁস পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে একটু ভালো আছে, তার মেরুদণ্ডে এক্স-রে ও লেফট হিপ জয়েন্টে সিটিস্ক্যান করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে বিএসএমএমইউর পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রি. জে. আব্দুল্লাহ আল হারুন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ৬ অক্টোবর থেকেই খালেদা জিয়া এখানে ভর্তি আছেন, চিকিৎসা চলছে। আগের চেয়ে একটু ভালো আছেন। তার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। আর তাদের সুপারিশেই আজ আদালতে যাননি খালেদা। মেডিকেল বোর্ড আমাকে বলেছে, উনি আদালতে যাওয়ার মতো ফিট না। আমি বিষয়টি আদালতকে জানিয়েছি।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় তাকে জানানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, চিকিৎসার বাইরে আমি কিছু জানি না। খালেদা জিয়া টেলিভিশন দেখার বা সংবাদপত্র পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জেলকোড যেসব সুবিধা পাওয়ার কথা সেসব সুবিধা পাচ্ছেন।

এর আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনকে কেবিন ব্লক থেকে সিটিস্ক্যান রুমে নেয়া হয়। সেখানে তার পায়ে সিটিস্ক্যান করা হয়। এরপর তাকে নেয়া হয় এক্স-রে কক্ষে। পরে দুপুর সোয়া ২টার দিকে তাকে পুনরায় ৬১২ কেবিনে ফিরিয়ে নেয়া হয়।

এদিকে খালেদা জিয়ার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরুর অনেক আগেই থেকেই বিএসএমএমইউর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। হাসপাতালের মূল ফটক ও কেবিন ব্লকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। হাসপাতালে সাধারণ মানুষের আসা-যাওয়াতে নজরদারি বাড়ানো হয়।

এর আগে গত ২৪ অক্টোবর খালেদা জিয়ার আরেকটি সিটিস্ক্যান করা হয়। ওইদিন তার বুকে সিটিস্ক্যান করানো হয়েছিল।

উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৬ অক্টোবর রাজধানীর পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল জলিল চৌধুরীর অধীনে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি

আপডেট সময় ০৮:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে একটু ভালো আছে, তার মেরুদণ্ডে এক্স-রে ও লেফট হিপ জয়েন্টে সিটিস্ক্যান করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে বিএসএমএমইউর পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রি. জে. আব্দুল্লাহ আল হারুন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ৬ অক্টোবর থেকেই খালেদা জিয়া এখানে ভর্তি আছেন, চিকিৎসা চলছে। আগের চেয়ে একটু ভালো আছেন। তার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। আর তাদের সুপারিশেই আজ আদালতে যাননি খালেদা। মেডিকেল বোর্ড আমাকে বলেছে, উনি আদালতে যাওয়ার মতো ফিট না। আমি বিষয়টি আদালতকে জানিয়েছি।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় তাকে জানানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, চিকিৎসার বাইরে আমি কিছু জানি না। খালেদা জিয়া টেলিভিশন দেখার বা সংবাদপত্র পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জেলকোড যেসব সুবিধা পাওয়ার কথা সেসব সুবিধা পাচ্ছেন।

এর আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনকে কেবিন ব্লক থেকে সিটিস্ক্যান রুমে নেয়া হয়। সেখানে তার পায়ে সিটিস্ক্যান করা হয়। এরপর তাকে নেয়া হয় এক্স-রে কক্ষে। পরে দুপুর সোয়া ২টার দিকে তাকে পুনরায় ৬১২ কেবিনে ফিরিয়ে নেয়া হয়।

এদিকে খালেদা জিয়ার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরুর অনেক আগেই থেকেই বিএসএমএমইউর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। হাসপাতালের মূল ফটক ও কেবিন ব্লকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। হাসপাতালে সাধারণ মানুষের আসা-যাওয়াতে নজরদারি বাড়ানো হয়।

এর আগে গত ২৪ অক্টোবর খালেদা জিয়ার আরেকটি সিটিস্ক্যান করা হয়। ওইদিন তার বুকে সিটিস্ক্যান করানো হয়েছিল।

উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৬ অক্টোবর রাজধানীর পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল জলিল চৌধুরীর অধীনে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।