ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

এক সময়ের ডিজিটাল বাংলাদেশে আমাদের স্বপ্ন ছিল আজ সেটা বাস্তব বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

২৫ অক্টোবর কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (কোইকা) সহযোগিতায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন’ প্রকল্পের আওতায় চূড়ান্তকৃত খসড়া ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান হস্তান্তর অনুষ্ঠান এ মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হতে, বাংলাদেশকে একটি জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিসম্পন্ন দেশ হিসেবে রূপান্তর করার এ যাত্রার সঙ্গে যারা ছিলেন তাদের প্রত্যেককেই আমি আন্তরিক অভিবাদন জানাই।

পলক আরও বলেন, একসময় ডিজিটাল বাংলাদেশে আমাদের স্বপ্ন ছিল আজ সেটা বাস্তব। আমাদের ভিশনারি লিডার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ যে তিনি এ মহৎ এবং উদ্ভাবনী ভিশন ২০২১ নিয়ে এসেছেন।

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কেও আন্তরিক ধন্যবাদ। তিনি আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমি জেনেছি, মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন বেশ কয়েকটি পর্যায়ের সঙ্গে জড়িত। প্রথম পর্যায়ে ১২০টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সংগঠনের সঙ্গে পরামর্শ ও জরিপ করা হয়।

এ মাস্টার প্ল্যানের মূল লক্ষ্যগুলো নাগরিকের চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি অগ্রগণ্য এবং জনগণকে সেবা প্রদানের জন্যও সর্বোত্তম। আমাদের সরকারের লক্ষ্য সরকারি সেবাগুলো ডিজিটালাইজ করা, সর্বোপরি নাগরিকদের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা যেন নাগরিকদের জীবন সহজতর, দক্ষ ও কার্যকরী হয়।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব জো হেন-জু (ঔড়ব ঐুঁহ-মঁব), কান্ট্রি ডিরেক্টর, কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা) বাংলাদেশ অফিস। ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সম্মানিত সচিব জুয়েনা।

‘ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মনির হোসেন স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি তার বক্তৃতায় ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন প্রকল্পের ইতিহাস, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তুলে ধরেন।

সভাপতির বক্তব্যে জুয়েনা আজিজ বলেন, জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট সার্ভে রিপোর্ট ২০১৮ র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ ১৯৩টি দেশের মধ্যে ১১৫তম স্থান অর্জন করেছে; যা এশিয়ার দেশগুলোর মধ্য তৃতীয়, আমাদের লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে র‌্যাংকিং ১০০-এর নিচে নিয়ে আসা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন

আপডেট সময় ১১:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

এক সময়ের ডিজিটাল বাংলাদেশে আমাদের স্বপ্ন ছিল আজ সেটা বাস্তব বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

২৫ অক্টোবর কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (কোইকা) সহযোগিতায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন’ প্রকল্পের আওতায় চূড়ান্তকৃত খসড়া ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান হস্তান্তর অনুষ্ঠান এ মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হতে, বাংলাদেশকে একটি জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিসম্পন্ন দেশ হিসেবে রূপান্তর করার এ যাত্রার সঙ্গে যারা ছিলেন তাদের প্রত্যেককেই আমি আন্তরিক অভিবাদন জানাই।

পলক আরও বলেন, একসময় ডিজিটাল বাংলাদেশে আমাদের স্বপ্ন ছিল আজ সেটা বাস্তব। আমাদের ভিশনারি লিডার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ যে তিনি এ মহৎ এবং উদ্ভাবনী ভিশন ২০২১ নিয়ে এসেছেন।

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কেও আন্তরিক ধন্যবাদ। তিনি আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমি জেনেছি, মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন বেশ কয়েকটি পর্যায়ের সঙ্গে জড়িত। প্রথম পর্যায়ে ১২০টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সংগঠনের সঙ্গে পরামর্শ ও জরিপ করা হয়।

এ মাস্টার প্ল্যানের মূল লক্ষ্যগুলো নাগরিকের চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি অগ্রগণ্য এবং জনগণকে সেবা প্রদানের জন্যও সর্বোত্তম। আমাদের সরকারের লক্ষ্য সরকারি সেবাগুলো ডিজিটালাইজ করা, সর্বোপরি নাগরিকদের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা যেন নাগরিকদের জীবন সহজতর, দক্ষ ও কার্যকরী হয়।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব জো হেন-জু (ঔড়ব ঐুঁহ-মঁব), কান্ট্রি ডিরেক্টর, কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা) বাংলাদেশ অফিস। ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সম্মানিত সচিব জুয়েনা।

‘ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মনির হোসেন স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি তার বক্তৃতায় ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন প্রকল্পের ইতিহাস, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তুলে ধরেন।

সভাপতির বক্তব্যে জুয়েনা আজিজ বলেন, জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট সার্ভে রিপোর্ট ২০১৮ র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ ১৯৩টি দেশের মধ্যে ১১৫তম স্থান অর্জন করেছে; যা এশিয়ার দেশগুলোর মধ্য তৃতীয়, আমাদের লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে র‌্যাংকিং ১০০-এর নিচে নিয়ে আসা।