ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম শেখ হাসিনা চাচ্ছে না বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক : মেজর হাফিজ ৫৪ বছরে ক্ষমতায় যারা ছিল, তাদের শ্বশুরবাড়ির সম্পদ হু হু করে বেড়েছে:শফিকুর রহমান ৫ দশমিক ৯ মাত্রায় ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থানকারী দলের ইতিহাস বিকৃতিতে জাতি স্তব্ধ: মাহদী আমিন সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভিয়েতনাম, গোপন নথি ফাঁস পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ

রাহুল বিয়ে করেননি, বিশেষ কেউও নেই

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রশ্নটা তার কাছে নতুন নয়। ভারতীয় কংগ্রেসের দলের প্রধান ৪৮ বছরের রাহুল গান্ধী যখনই কোনও মঞ্চে আলাপচারিতায় বসেন, ঘুরেফিরে প্রশ্নটা আসেই, কবে বিয়ে করছেন?

মাস দুয়েক আগে এমনই এক প্রশ্নের জবাব এড়াতে রাহুল বলেছিলেন, তার বিয়ে তো দলের সঙ্গে হয়ে গেছে। শুক্রবার ফের ধেয়ে এলো প্রশ্নটি। একটু অন্যভাবে— ‘জীবনে বিশেষ কেউ আছেন?’

এক গাল হেসে ফেললেন রাহুল। সামনে তখন বসে মা সনিয়া গান্ধী, বোন প্রিয়াঙ্কা। তার স্বামী রবার্ট ভদ্রা। আর কংগ্রেসের এক ঝাঁক নেতা। প্রশ্ন শুনে হাসতে হাসতে প্রিয়াঙ্কার দিকে ইশারা করলেন রাহুল।

যেন বোঝাতে চাইলেন, ‘দেখ, আবার সেই প্রশ্ন!’ মা-বোন সকলেই হাসছেন। রাহুল এ বারেও সরাসরি জবাব এড়িয়ে বললেন, ‘আমার জীবনে অনেক বিশেষ মানুষ আছে। আমার মা, বোন, বন্ধুরা।’

প্রশ্ন কর্মকর্তা নাছোড়, ‘একজন বিশেষ কেউ?’ রাহুলের হাসি আরও চওড়া হল। বললেন, ‘না, বিশেষ কেউ নেই।’

দিল্লিতে এক সংবাদমাধ্যমের আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাহুলের সঙ্গে আলাপচারিতা। প্রশ্নকর্তাকে তার আগেই রাহুল বলছিলেন, ‘আপনি তো অনেক সহজ প্রশ্ন করছেন। আমি আরও কঠিন প্রশ্ন নিতে পারি। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী কী এমন খোলামেলা প্রশ্ন নিতে পারবেন?’ প্রায় দুই দশকের সভানেত্রী মায়ের হাত থেকে কংগ্রেসের সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছেন রাহুল। ১০ মাসে দলের সব সিদ্ধান্তেই নিজের ছাপ রাখছেন। প্রশ্ন করা হলো, ‘মায়ের সঙ্গে আপনার কার্যশৈলীর ফারাকটি কোথায়?’

এ বারেও হেসে ফেললেন দর্শক আসনে বসে থাকা সোনিয়া। মুখিয়ে রইলেন রাহুলের দিকে, কী বলেন তিনি? মায়ের মুখের দিকে চেয়ে অনেকটা ভাবলেন। তারপর রাহুল বললেন, ‘মায়ের থেকে অনেক কিছু শিখেছি। একটি বিষয় বলতে হলে ধৈর্য। আমি আগে অনেক অধৈর্য ছিলাম। অনেক সময় বরং আমিই মাকে বলি, তুমি অনেক বেশি ধৈর্যশীল। তবে আমরা দু’জনেই শুনি। আমি আগে কম শুনতাম, এখন বেশি শুনি।’

কিন্তু ফারাকটি কোথায়? রাহুলের কথায়, ‘এই যেমন গতকালই মা আমাকে বলছিলেন যে, মা চলেন সহজাত ধারণার ভিত্তিতে। আর আমি অনেক ভেবেচিন্তে চলি।’

এরপরেই কংগ্রেস সভাপতি বলেন, ‘আসলে নেতৃত্ব নিরন্তর তৈরি হতে থাকে। বদলাতে থাকে। আমিও আরও বেশি মানুষের কথা শুনে গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

সূত্র: আনন্দবাজার

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম

রাহুল বিয়ে করেননি, বিশেষ কেউও নেই

আপডেট সময় ০২:০৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রশ্নটা তার কাছে নতুন নয়। ভারতীয় কংগ্রেসের দলের প্রধান ৪৮ বছরের রাহুল গান্ধী যখনই কোনও মঞ্চে আলাপচারিতায় বসেন, ঘুরেফিরে প্রশ্নটা আসেই, কবে বিয়ে করছেন?

মাস দুয়েক আগে এমনই এক প্রশ্নের জবাব এড়াতে রাহুল বলেছিলেন, তার বিয়ে তো দলের সঙ্গে হয়ে গেছে। শুক্রবার ফের ধেয়ে এলো প্রশ্নটি। একটু অন্যভাবে— ‘জীবনে বিশেষ কেউ আছেন?’

এক গাল হেসে ফেললেন রাহুল। সামনে তখন বসে মা সনিয়া গান্ধী, বোন প্রিয়াঙ্কা। তার স্বামী রবার্ট ভদ্রা। আর কংগ্রেসের এক ঝাঁক নেতা। প্রশ্ন শুনে হাসতে হাসতে প্রিয়াঙ্কার দিকে ইশারা করলেন রাহুল।

যেন বোঝাতে চাইলেন, ‘দেখ, আবার সেই প্রশ্ন!’ মা-বোন সকলেই হাসছেন। রাহুল এ বারেও সরাসরি জবাব এড়িয়ে বললেন, ‘আমার জীবনে অনেক বিশেষ মানুষ আছে। আমার মা, বোন, বন্ধুরা।’

প্রশ্ন কর্মকর্তা নাছোড়, ‘একজন বিশেষ কেউ?’ রাহুলের হাসি আরও চওড়া হল। বললেন, ‘না, বিশেষ কেউ নেই।’

দিল্লিতে এক সংবাদমাধ্যমের আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাহুলের সঙ্গে আলাপচারিতা। প্রশ্নকর্তাকে তার আগেই রাহুল বলছিলেন, ‘আপনি তো অনেক সহজ প্রশ্ন করছেন। আমি আরও কঠিন প্রশ্ন নিতে পারি। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী কী এমন খোলামেলা প্রশ্ন নিতে পারবেন?’ প্রায় দুই দশকের সভানেত্রী মায়ের হাত থেকে কংগ্রেসের সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছেন রাহুল। ১০ মাসে দলের সব সিদ্ধান্তেই নিজের ছাপ রাখছেন। প্রশ্ন করা হলো, ‘মায়ের সঙ্গে আপনার কার্যশৈলীর ফারাকটি কোথায়?’

এ বারেও হেসে ফেললেন দর্শক আসনে বসে থাকা সোনিয়া। মুখিয়ে রইলেন রাহুলের দিকে, কী বলেন তিনি? মায়ের মুখের দিকে চেয়ে অনেকটা ভাবলেন। তারপর রাহুল বললেন, ‘মায়ের থেকে অনেক কিছু শিখেছি। একটি বিষয় বলতে হলে ধৈর্য। আমি আগে অনেক অধৈর্য ছিলাম। অনেক সময় বরং আমিই মাকে বলি, তুমি অনেক বেশি ধৈর্যশীল। তবে আমরা দু’জনেই শুনি। আমি আগে কম শুনতাম, এখন বেশি শুনি।’

কিন্তু ফারাকটি কোথায়? রাহুলের কথায়, ‘এই যেমন গতকালই মা আমাকে বলছিলেন যে, মা চলেন সহজাত ধারণার ভিত্তিতে। আর আমি অনেক ভেবেচিন্তে চলি।’

এরপরেই কংগ্রেস সভাপতি বলেন, ‘আসলে নেতৃত্ব নিরন্তর তৈরি হতে থাকে। বদলাতে থাকে। আমিও আরও বেশি মানুষের কথা শুনে গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

সূত্র: আনন্দবাজার