ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চুক্তির কাছাকাছি ছিলাম, এমন সময় ইরান হঠাৎ জাহাজে হামলা করল: ট্রাম্প সরকার সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে আছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী একটি মহলের অতি লোভের কারণে ইসলাম বিজয়ী হয়নি: চরমোনাই পীর ২৫ বছরের আগে পদত্যাগ করলে পেনশন সুবিধা পাবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি বছরেই প্রতি উপজেলা হাসপাতালে স্থাপন হবে ক্যাথ ল্যাব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্বর্ণপদকজয়ী শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ শেখ হাসিনার ১ বছরে খাওয়া-দাওয়ার খরচ হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী নাটোরে নবজাতকের মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ আমরা সরকার গঠন করে শেখ হাসিনাকে ফাঁসিতে ঝুলাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দরজা খুলেই দেখলেন শাশুড়ির রক্তাক্ত লাশ, পাশের কক্ষে কাঁদছিল দুই বছরের মেয়ে

‘ডিজিটাল হবে দেশের প্রতিটি শহর’

আকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

একটি দেশের আধুনিকায়ন সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে রাজধানীতে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য শহর, জেলা, উপজেলা, গ্রাম এবং ইউনিয়নে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগে। বদলে যায় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি। তবে বর্তমান সরকার শুধু রাজধানীকেই নয়, দেশের প্রতিটি শহরকে ডিজিটাল করার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। স্মার্ট সিটিতেই আমরা সন্তুষ্ট নই, দেশের প্রতিটি শহর ডিজিটাল হবে এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিসিএস ইনোভেশন সেন্টারে ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিত ‘এসোসিও স্মার্ট সিটি সামিট ২০১৮’ অংশগ্রহণ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু।

মেয়র বলেন, এসোসিও স্মার্ট সিটি সামিট ২০১৮ সম্মেলনের মেয়র’স টক সেশনে আমিও একজন প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেছি। সুইডেন অনেক বছর যাবৎ ভিয়েতনামকে সহযোগিতা করছে। সুইডেনের রাষ্ট্রদূত পেরেরিক হোগবার ভিয়েতনামের হ্যানয় শহরকে স্মার্ট সিটিতে রূপান্তর করার জন্য সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য শহরের বর্তমান অবস্থা আমি বর্ণনা করেছি।

টিটু বলেন, আমাদের শহরগুলো দ্রুত বদলে যাচ্ছে। একটা সময় সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য যানবাহন একটি উল্লেখযোগ্য সমস্যা ছিল। এখন প্রযুক্তির কল্যাণে যানবাহন ব্যবস্থাপনা আধুনিক হয়েছে। ডিজিটাল নাম্বার প্লেট, শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে সিসিটিভি স্থাপন, সৌর বিদ্যুতের সাহায্যে স্ট্রিট লাইট, ডিজিটাল ব্যানারে শহরের সৌন্দর্য বর্ধনসহ আধুনিক অবকাঠামোর মাধ্যমে শহরের জীবন অনেক সহজ হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওয়াহিদুল হাসান মিল্টন বলেন, রাজধানীকে স্মার্ট সিটি হিসেবে ঘোষণার ক্ষেত্রে আমরা অগ্রগামী। আজ থেকে পাঁচ বছর আগেও যে ব্যাপারগুলো অকল্পনীয় ছিল, তাই এখন ঢাকা শহরে দৃশ্যমান। যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার, হাতিরঝিল প্রকল্প, কুড়িল ফ্লাইওভার, জিল্লুর রহমান উড়াল সড়কসহ সারাদেশে ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধিসহ কভারেজ দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে প্রবেশ করিয়েছে। এই সামিটে আমরা আমাদের সক্ষমতাগুলোকে বহির্বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছি। উন্নত দেশে শহরগুলোকে স্মার্ট করার জন্য যে প্রকল্পগুলো তারা হাতে নিয়েছে, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা অর্জন করেছি। আশা করা যায়, স্মার্ট সিটি বিনির্মাণে এই অভিজ্ঞতাগুলো কাজে দেবে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার বলেন, স্মার্ট সিটি সামিটে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। বিশেষ করে আমাদের সম্মানিত মেয়র প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করায় বাংলাদেশকে উপস্থাপন করা আমাদের জন্য সহজ হয়েছে। এছাড়াও সাইবারজায়া মালয়েশিয়া এর উদ্ভাবন ও বাণিজ্যবিষয়ক প্রধান রিচার্ড কার বাংলাদেশকে স্মার্ট সিটি প্রতিষ্ঠার জন্য সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। আমাদের প্রত্যাশা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ স্মার্ট সিটিগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের শহরের নাম।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএস সহ-সভাপতি ইউসুফ আলী শামীম, মহাসচিব মোশারফ হোসেন সুমন, কোষাধ্যক্ষ মো. জাবেদুর রহমান শাহীন, পরিচালক মো. আছাব উল্লাহ্ খান জুয়েল, পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিসিএস ময়মনসিংহ শাখার চেয়ারম্যান শওকত সারোয়ার হোসেন বুলবুলসহ আইসিটি সাংবাদিক ও বিসিএস এর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ, কিছুই খেতে পারছি না, চুলাও জ্বলছে না’

‘ডিজিটাল হবে দেশের প্রতিটি শহর’

আপডেট সময় ০২:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

একটি দেশের আধুনিকায়ন সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে রাজধানীতে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য শহর, জেলা, উপজেলা, গ্রাম এবং ইউনিয়নে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগে। বদলে যায় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি। তবে বর্তমান সরকার শুধু রাজধানীকেই নয়, দেশের প্রতিটি শহরকে ডিজিটাল করার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। স্মার্ট সিটিতেই আমরা সন্তুষ্ট নই, দেশের প্রতিটি শহর ডিজিটাল হবে এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিসিএস ইনোভেশন সেন্টারে ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিত ‘এসোসিও স্মার্ট সিটি সামিট ২০১৮’ অংশগ্রহণ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু।

মেয়র বলেন, এসোসিও স্মার্ট সিটি সামিট ২০১৮ সম্মেলনের মেয়র’স টক সেশনে আমিও একজন প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেছি। সুইডেন অনেক বছর যাবৎ ভিয়েতনামকে সহযোগিতা করছে। সুইডেনের রাষ্ট্রদূত পেরেরিক হোগবার ভিয়েতনামের হ্যানয় শহরকে স্মার্ট সিটিতে রূপান্তর করার জন্য সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য শহরের বর্তমান অবস্থা আমি বর্ণনা করেছি।

টিটু বলেন, আমাদের শহরগুলো দ্রুত বদলে যাচ্ছে। একটা সময় সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য যানবাহন একটি উল্লেখযোগ্য সমস্যা ছিল। এখন প্রযুক্তির কল্যাণে যানবাহন ব্যবস্থাপনা আধুনিক হয়েছে। ডিজিটাল নাম্বার প্লেট, শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে সিসিটিভি স্থাপন, সৌর বিদ্যুতের সাহায্যে স্ট্রিট লাইট, ডিজিটাল ব্যানারে শহরের সৌন্দর্য বর্ধনসহ আধুনিক অবকাঠামোর মাধ্যমে শহরের জীবন অনেক সহজ হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওয়াহিদুল হাসান মিল্টন বলেন, রাজধানীকে স্মার্ট সিটি হিসেবে ঘোষণার ক্ষেত্রে আমরা অগ্রগামী। আজ থেকে পাঁচ বছর আগেও যে ব্যাপারগুলো অকল্পনীয় ছিল, তাই এখন ঢাকা শহরে দৃশ্যমান। যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার, হাতিরঝিল প্রকল্প, কুড়িল ফ্লাইওভার, জিল্লুর রহমান উড়াল সড়কসহ সারাদেশে ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধিসহ কভারেজ দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে প্রবেশ করিয়েছে। এই সামিটে আমরা আমাদের সক্ষমতাগুলোকে বহির্বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছি। উন্নত দেশে শহরগুলোকে স্মার্ট করার জন্য যে প্রকল্পগুলো তারা হাতে নিয়েছে, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা অর্জন করেছি। আশা করা যায়, স্মার্ট সিটি বিনির্মাণে এই অভিজ্ঞতাগুলো কাজে দেবে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার বলেন, স্মার্ট সিটি সামিটে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। বিশেষ করে আমাদের সম্মানিত মেয়র প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করায় বাংলাদেশকে উপস্থাপন করা আমাদের জন্য সহজ হয়েছে। এছাড়াও সাইবারজায়া মালয়েশিয়া এর উদ্ভাবন ও বাণিজ্যবিষয়ক প্রধান রিচার্ড কার বাংলাদেশকে স্মার্ট সিটি প্রতিষ্ঠার জন্য সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। আমাদের প্রত্যাশা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ স্মার্ট সিটিগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের শহরের নাম।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএস সহ-সভাপতি ইউসুফ আলী শামীম, মহাসচিব মোশারফ হোসেন সুমন, কোষাধ্যক্ষ মো. জাবেদুর রহমান শাহীন, পরিচালক মো. আছাব উল্লাহ্ খান জুয়েল, পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিসিএস ময়মনসিংহ শাখার চেয়ারম্যান শওকত সারোয়ার হোসেন বুলবুলসহ আইসিটি সাংবাদিক ও বিসিএস এর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।