ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের নব্বই শতাংশ চাঁদাবাজের হাত চিরতরে অবশ করে দেওয়া হবে: জামায়াত আমির ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে সমাজে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে: রিজভী টানা ছয় জয় বাংলাদেশের মেয়েদের যে সরকারই আসুক, চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার এই নির্বাচন দিকনির্দেশনা দেবে আগামীতে দেশ কোন দিকে পরিচালিত হবে: তারেক রহমান রাজধানীর উত্তরায় পার্কিং করা বাসে আগুন জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশ গণভোটের পর সরকারের মেয়াদ বাড়ছে, এমন দাবি ভিত্তিহীন: প্রেস উইং মালয়েশিয়ায় ৫৬ বাংলাদেশিসহ ২১৮ অবৈধ অভিবাসী আটক ইসলামের নামে তারা মিথ্যাচার করছেন: চরমোনাই পীর

‘জাতীয় ঐক্যের দুটি বিষয় আমাকে অবাক করেছে’

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সরকারবিরোধী দলগুলোর ‘জাতীয় ঐক্যের’ যে ঘোষণা এসেছে তাতে দুটি বিষয়ে অবাক হয়েছেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন। অবাক হওয়ার মতো বিষয় দুটি হচ্ছে জাতীয় ঐক্যে জামায়াতে ইসলামীর কোনো ভূমিকা না থাকা এবং বিএনপির তাতে যোগ দেয়া ও সবকিছু মেনে নেয়া।

রবিবার মধ্যরাতে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল‌ আইয়ের নিয়মিত টক শো ‘আজকের সংবাদপত্রে’ আলোচক হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি এই কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরী।

জাতীয় ঐক্য প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘এই জাতীয় ঐক্যটা আমরা অনেক দিন ধরে শুনে আসছিলাম। জাতীয় ঐক্যের ডাক বিএনপিও দিয়েছে এবং অন্যান্য ছোট ছোট দলগুলোও দিয়েছে। বিশেষ করে মাহমুদুর রাহমান মান্না এটা নিয়ে অনেক দিন কাজ করছেন।’

‘কিন্তু সব থেকে আমাকে অবাক করলো দুটো জায়গায়। এখানে জামায়াতে ইসলামীর কোনো ভূমিকা নেই। সেটা হয়তো একটা বড় শর্ত ছিল জাতীয় ঐক্যে। আর বিএনপির এই জাতীয় ঐক্যে আসা এবং সেটা মেনে নেওয়া।’

সাবেক এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এখানে বিএনপি যেহেতু এতে বড় একটি দল, এটাই মূল চালিকাশক্তি হবে জাতীয় ঐক্যের। আর বাকি যে দলগুলো আছে তারা বহু আগে থেকে নির্বাচন করে এলেও সে রকম সুফল পায়নি। এখন এই জায়গায় দেখার বিষয় ইফেক্টটা কতটুকু পড়ে।’

সাখাওয়াত বলেন, ‘একটা জিনিস আমি নিশ্চিত যে, বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যে যে দলগুলো রয়েছে এতে আগামী নির্বাচনটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। আর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন যদি হয় এতোগুলো দলের সমন্বয়ে তাহলে এই ইলেকশনের চরিত্রটাই হয়তো অন্যরকম হতে পারে। এটা এত সহজ নির্বাচন হবে না। আর সেটা নিশ্চয়ই ক্ষমতাসীন দলের চিন্তা- ভাবনায় রয়েছে এবং নিশ্চয়ই তাদের হিসাব-নিকাশ রয়েছে এটা নিয়ে। এটা ডেফিনেটলি একটি প্রেসার ক্রিয়েট হয়েছে।’

জাতীয় ঐক্যের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা কতগুলো দাবি-দাওয়া দিয়েছে, যেখানে আমি বিশেষ কোনো নতুনত্ব দেখছি না। এগুলো বিভিন্ন সময়ে দেয়া হয়েছে। এখন এটা সম্পূর্ণ সরকারের এখতিয়ারে যে, তারা কতটুকু মানবে, কতটুকু মানবে না।’

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে রাজনীতির এই বিশ্লেষক বলেন, ‘২০১৮ সালের যখনই নির্বাচন হোক, এই নির্বাচনটা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং হবে। ২০১৪ সালের মতো আর কোনো নির্বাচন বাংলাদেশ এফোর্ট করতে পারবে না। ২০১৪ এর মতো আর কোনো নির্বাচন হবে না এটা ক্ষমতাসীন দল খুব ভালো করেই জানে।’

‘সরকার এখন যে সমস্যায় পড়বে, যদি কম্পিটেন্ট কন্টেসটেন্ট না থাকে, ধরেন যাদের রেপুটেশন আছে সে ধরনের মানুষের সমন্বয় ঘটাতে না পারলে খুব ডিফিকাল্ট হবে। এটা উভয় পার্টির ক্ষেত্রে একই।’

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের বিষয়টি পলিটিক্যাল ব্যাপার। নির্বাচন কমিশন কাজ করে একটি এনভায়রনমেন্টের মধ্যে। এনভায়রনমেন্টটা যদি সেরকম না থাকে তাহলে সেখানে সেভাবে কাজ করতে পারে না। আর পুনর্গঠন বলতে তারা কী বোঝান সেটা স্পষ্ট করে বলেননি। তারা নতুন ইসি চাচ্ছেন নাকি এখানে কিছু পরিবর্তন চাচ্ছেন। ইসি কেনই পুনর্গঠন করবে সেটাওতো দেখার বিষয়।’

‘বড় ফ্যাক্টর হিসেবে আমি যেটা মনে করি, সংবিধানে যেটা আছে এবং সরকারি দল যেভাবে বলছে, সেই নির্বাচনকালীন সরকার। তাহলে সেই সরকারের কার্যপরিধি কতখানি হবে এবং সেখানে ইসির কোনো ভূমিকা থাকবে কি না। এখন দেখা যাক, জোটের তো মাত্র দুই চার দিন গেল, এটা কতদূর যেতে পারে সেটা এখন দেখার বিষয়।’

গায়েবি মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোনো একটা ঘটনা ঘটলেই দেখা যায় তিন হাজার চার হাজার অজ্ঞাত মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে। মামলা করার পরও ক্লেইম করে যে, পুলিশ যাকে ধরে তাকেও মামলার মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়। এই রিট কোর্টে আছে। দেখা যাক সেখানে কী হয়। রিটে যদি বলা থাকে যে, স্পেসিফিক মামলা হতে হবে ওভাবে মামলা হবে না তাহলে হয়তো জিনিসটা অন্যরকম হবে।’

‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দরকার আছে, তবে…’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে এই নিরাপত্তা বিশ্লেষক বলেন, ‘আইনটা পাস হয়ে গেছে। আজকে আবার দেখলাম যে, পুলিশ বিনা ওয়ারেন্টে এরেস্ট করতে পারবে, সার্চ করতে পারবে। এখানে ডিজিটাল আইন একজন পুলিশ অফিসারের ইচ্ছার ওপর দিয়ে দিয়েছে। আর এটা একটি গণতান্ত্রিক দেশের ব্যক্তিস্বাধীনতা অনেকটাই হ্যাম্পার করবে।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘হ্যাঁ ডিজিটাল আইনের দরকার আছে। কিন্তু এটা কীভাবে হবে, পার্টিকুলার কোন বিষয়ে সেটা নির্ধারিত থাকতে হবে। আর বেশির ভাগ যে বিষয় আসে সেটাতো দেশের বাইরে থেকে আসে। আমার মনে হয় না দেশের ভেতরে এমনটা হয়। পত্রপত্রিকায় যা ফ্ল্যাশ করা হয় সেগুলো বাইরের দেশেরই।’

‘আইন হয়ে গেলেই যে সেটা পারফেক্ট হয়ে যাবে সেটার তো কোনো কথা নেই। আমার মনে হয় এটার একটা রিভিউ দরকার। কারণ আগেও যত আইন হয়েছে, এই সরকারের আইন যে পরের সরকার ব্যবহার করবে না সেটা কিন্তু নয়। সুতরাং ডিজিটান নিরাপত্তা আইনের দরকার আছে, তবে মানুষকে উৎকণ্ঠিত না করে সুদূরপ্রসারী করা উচিত।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের বাজারে কমল স্বর্ণের দাম

‘জাতীয় ঐক্যের দুটি বিষয় আমাকে অবাক করেছে’

আপডেট সময় ১২:৫২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সরকারবিরোধী দলগুলোর ‘জাতীয় ঐক্যের’ যে ঘোষণা এসেছে তাতে দুটি বিষয়ে অবাক হয়েছেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন। অবাক হওয়ার মতো বিষয় দুটি হচ্ছে জাতীয় ঐক্যে জামায়াতে ইসলামীর কোনো ভূমিকা না থাকা এবং বিএনপির তাতে যোগ দেয়া ও সবকিছু মেনে নেয়া।

রবিবার মধ্যরাতে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল‌ আইয়ের নিয়মিত টক শো ‘আজকের সংবাদপত্রে’ আলোচক হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি এই কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরী।

জাতীয় ঐক্য প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘এই জাতীয় ঐক্যটা আমরা অনেক দিন ধরে শুনে আসছিলাম। জাতীয় ঐক্যের ডাক বিএনপিও দিয়েছে এবং অন্যান্য ছোট ছোট দলগুলোও দিয়েছে। বিশেষ করে মাহমুদুর রাহমান মান্না এটা নিয়ে অনেক দিন কাজ করছেন।’

‘কিন্তু সব থেকে আমাকে অবাক করলো দুটো জায়গায়। এখানে জামায়াতে ইসলামীর কোনো ভূমিকা নেই। সেটা হয়তো একটা বড় শর্ত ছিল জাতীয় ঐক্যে। আর বিএনপির এই জাতীয় ঐক্যে আসা এবং সেটা মেনে নেওয়া।’

সাবেক এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এখানে বিএনপি যেহেতু এতে বড় একটি দল, এটাই মূল চালিকাশক্তি হবে জাতীয় ঐক্যের। আর বাকি যে দলগুলো আছে তারা বহু আগে থেকে নির্বাচন করে এলেও সে রকম সুফল পায়নি। এখন এই জায়গায় দেখার বিষয় ইফেক্টটা কতটুকু পড়ে।’

সাখাওয়াত বলেন, ‘একটা জিনিস আমি নিশ্চিত যে, বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যে যে দলগুলো রয়েছে এতে আগামী নির্বাচনটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। আর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন যদি হয় এতোগুলো দলের সমন্বয়ে তাহলে এই ইলেকশনের চরিত্রটাই হয়তো অন্যরকম হতে পারে। এটা এত সহজ নির্বাচন হবে না। আর সেটা নিশ্চয়ই ক্ষমতাসীন দলের চিন্তা- ভাবনায় রয়েছে এবং নিশ্চয়ই তাদের হিসাব-নিকাশ রয়েছে এটা নিয়ে। এটা ডেফিনেটলি একটি প্রেসার ক্রিয়েট হয়েছে।’

জাতীয় ঐক্যের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা কতগুলো দাবি-দাওয়া দিয়েছে, যেখানে আমি বিশেষ কোনো নতুনত্ব দেখছি না। এগুলো বিভিন্ন সময়ে দেয়া হয়েছে। এখন এটা সম্পূর্ণ সরকারের এখতিয়ারে যে, তারা কতটুকু মানবে, কতটুকু মানবে না।’

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে রাজনীতির এই বিশ্লেষক বলেন, ‘২০১৮ সালের যখনই নির্বাচন হোক, এই নির্বাচনটা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং হবে। ২০১৪ সালের মতো আর কোনো নির্বাচন বাংলাদেশ এফোর্ট করতে পারবে না। ২০১৪ এর মতো আর কোনো নির্বাচন হবে না এটা ক্ষমতাসীন দল খুব ভালো করেই জানে।’

‘সরকার এখন যে সমস্যায় পড়বে, যদি কম্পিটেন্ট কন্টেসটেন্ট না থাকে, ধরেন যাদের রেপুটেশন আছে সে ধরনের মানুষের সমন্বয় ঘটাতে না পারলে খুব ডিফিকাল্ট হবে। এটা উভয় পার্টির ক্ষেত্রে একই।’

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের বিষয়টি পলিটিক্যাল ব্যাপার। নির্বাচন কমিশন কাজ করে একটি এনভায়রনমেন্টের মধ্যে। এনভায়রনমেন্টটা যদি সেরকম না থাকে তাহলে সেখানে সেভাবে কাজ করতে পারে না। আর পুনর্গঠন বলতে তারা কী বোঝান সেটা স্পষ্ট করে বলেননি। তারা নতুন ইসি চাচ্ছেন নাকি এখানে কিছু পরিবর্তন চাচ্ছেন। ইসি কেনই পুনর্গঠন করবে সেটাওতো দেখার বিষয়।’

‘বড় ফ্যাক্টর হিসেবে আমি যেটা মনে করি, সংবিধানে যেটা আছে এবং সরকারি দল যেভাবে বলছে, সেই নির্বাচনকালীন সরকার। তাহলে সেই সরকারের কার্যপরিধি কতখানি হবে এবং সেখানে ইসির কোনো ভূমিকা থাকবে কি না। এখন দেখা যাক, জোটের তো মাত্র দুই চার দিন গেল, এটা কতদূর যেতে পারে সেটা এখন দেখার বিষয়।’

গায়েবি মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোনো একটা ঘটনা ঘটলেই দেখা যায় তিন হাজার চার হাজার অজ্ঞাত মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে। মামলা করার পরও ক্লেইম করে যে, পুলিশ যাকে ধরে তাকেও মামলার মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়। এই রিট কোর্টে আছে। দেখা যাক সেখানে কী হয়। রিটে যদি বলা থাকে যে, স্পেসিফিক মামলা হতে হবে ওভাবে মামলা হবে না তাহলে হয়তো জিনিসটা অন্যরকম হবে।’

‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দরকার আছে, তবে…’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে এই নিরাপত্তা বিশ্লেষক বলেন, ‘আইনটা পাস হয়ে গেছে। আজকে আবার দেখলাম যে, পুলিশ বিনা ওয়ারেন্টে এরেস্ট করতে পারবে, সার্চ করতে পারবে। এখানে ডিজিটাল আইন একজন পুলিশ অফিসারের ইচ্ছার ওপর দিয়ে দিয়েছে। আর এটা একটি গণতান্ত্রিক দেশের ব্যক্তিস্বাধীনতা অনেকটাই হ্যাম্পার করবে।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘হ্যাঁ ডিজিটাল আইনের দরকার আছে। কিন্তু এটা কীভাবে হবে, পার্টিকুলার কোন বিষয়ে সেটা নির্ধারিত থাকতে হবে। আর বেশির ভাগ যে বিষয় আসে সেটাতো দেশের বাইরে থেকে আসে। আমার মনে হয় না দেশের ভেতরে এমনটা হয়। পত্রপত্রিকায় যা ফ্ল্যাশ করা হয় সেগুলো বাইরের দেশেরই।’

‘আইন হয়ে গেলেই যে সেটা পারফেক্ট হয়ে যাবে সেটার তো কোনো কথা নেই। আমার মনে হয় এটার একটা রিভিউ দরকার। কারণ আগেও যত আইন হয়েছে, এই সরকারের আইন যে পরের সরকার ব্যবহার করবে না সেটা কিন্তু নয়। সুতরাং ডিজিটান নিরাপত্তা আইনের দরকার আছে, তবে মানুষকে উৎকণ্ঠিত না করে সুদূরপ্রসারী করা উচিত।’