ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা কৌশলের অজুহাতে বিএনপি কোনো গোপন বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান

ভারত চ্যালেঞ্জ নিতে পারবে তো বাংলাদেশ?

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

আফগান শক্তির কাছে রীতিমত বিধ্বস্ত হয়ে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। বাইশ গজের দ্বৈরথগুলোর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ মহারণ মানেই মাঠ ও মাঠের বাইরে কথার ঝাঁজ ও উত্তেজনার রসদ। কিন্তু ইনজুরিতে আক্রান্ত স্কোয়াড, আফগান হারের হতাশা আর চরম ক্লান্ত শরীল নিয়ে মুরুর বুকে চনমনে ভারত চ্যালেঞ্জ নিতে পারবে তো বাংলাদেশ?

আফগানিসস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি সুপার ফোরে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে আগে থেকেই বেশ একটা গুরুত্ব দেয়নি বাংলাদেশ। যার জন্য মুশফিক-মোস্তাফিজকে বিশ্রাম দিয়ে তরুণদের নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

সাকিব-রনিদের বোলিংয়ে শুরুটা ভালোও করেছিল লাল-সবুজরা। কিন্তু আফগানিস্তানের ৪০তম ওভারের পর থেকে শেষ পর্যন্ত আফগানরা বাংলাদেশকে নিয়ে রীতিমত ছেলে খেলাই করলো। আফগান স্পিনার রশীদ খান তার জন্মদিনের উদযাপনটা বাংলাদেশকে নিয়ে হেসে খেলেই করলেন। যার ফলাফল বাংলাদেশের ১৩৬ রানের পরাজয়।

যেটা শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হওয়ার আগে বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কাই বটে। তার সাথে ইনজুরি আর ক্লান্তি তো আছেই। টানা দুদিন ম্যাচ খেলতে হচ্ছে টাইগারদের। যেটা এর আগে কখনো হয়নি।

আর সেখানে ভারত আছে বেশ ফুরফুরে মেজাজে। কারণ গ্রুপ পর্বে হংকং-পাকিস্তানকে হারিয়ে বেশ স্বস্তিতে আছে তারা। তার মধ্যে বিশ্রামের জন্যও পেয়েছে পর্যাপ্ত সময়। ফলে বেশ আয়েশেই আছে রোহিত শর্মারা।

তবে এই ম্যাচ বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। এশীয় শ্রেষ্ঠাতের মিশনে স্বপ্নপূরণে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটিই হতে পারে বাঁক বদলের প্রথম ধাপ। বাংলাদেশ যদি কোনো ভাবে ভারতকে ঠেকাতে পারে তাহলে পুরো দলই বদলে যাবে। ভারতের পরে বাংলাদেশের দুই প্রতিপক্ষ পাকিস্তান-আফগানিস্তান। আজ ভারত চ্যালেঞ্জটা নিতে পারলে বাকি দুই দলকে ঠেকানো বেশ একটা কঠিন হবে না সাকিব-রিয়াদদের জন্য।

যদিও সামগ্রিক শক্তিতে বাংলাদেশ থেকে বহুগুন এগিয়ে রোহিত শর্মার দল। তবে বাংলাদেশও যেকোনো সময় যেকোনো কিছু ঘটিয়ে ফেলতে পারে। সবকিছু মিলিয়ে বেশ লড়াই পূর্ণ একটি ম্যাচের মধ্যে দিয়েই শুরু হতে যাচ্ছে ১৪তম এশিয়া কাপের সুপার ফোরের পর্ব।

দু’দলের ৩৩ ওয়ানডেতে ভারতের ২৭ জয়ের বিপরীতে বাংলাদেশের জয় মাত্র পাঁচটি। কিন্তু এই পাঁচ জয়ের দুটিই এসেছে শেষ চার ম্যাচে। এশিয়া কাপের মঞ্চে এই ব্যবধানটা আরও কমিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ কতটা নিতে পারে সেটাই দেখার অপেক্ষা!

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমানের পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী

ভারত চ্যালেঞ্জ নিতে পারবে তো বাংলাদেশ?

আপডেট সময় ০২:৩১:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

আফগান শক্তির কাছে রীতিমত বিধ্বস্ত হয়ে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। বাইশ গজের দ্বৈরথগুলোর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ মহারণ মানেই মাঠ ও মাঠের বাইরে কথার ঝাঁজ ও উত্তেজনার রসদ। কিন্তু ইনজুরিতে আক্রান্ত স্কোয়াড, আফগান হারের হতাশা আর চরম ক্লান্ত শরীল নিয়ে মুরুর বুকে চনমনে ভারত চ্যালেঞ্জ নিতে পারবে তো বাংলাদেশ?

আফগানিসস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি সুপার ফোরে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে আগে থেকেই বেশ একটা গুরুত্ব দেয়নি বাংলাদেশ। যার জন্য মুশফিক-মোস্তাফিজকে বিশ্রাম দিয়ে তরুণদের নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

সাকিব-রনিদের বোলিংয়ে শুরুটা ভালোও করেছিল লাল-সবুজরা। কিন্তু আফগানিস্তানের ৪০তম ওভারের পর থেকে শেষ পর্যন্ত আফগানরা বাংলাদেশকে নিয়ে রীতিমত ছেলে খেলাই করলো। আফগান স্পিনার রশীদ খান তার জন্মদিনের উদযাপনটা বাংলাদেশকে নিয়ে হেসে খেলেই করলেন। যার ফলাফল বাংলাদেশের ১৩৬ রানের পরাজয়।

যেটা শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হওয়ার আগে বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কাই বটে। তার সাথে ইনজুরি আর ক্লান্তি তো আছেই। টানা দুদিন ম্যাচ খেলতে হচ্ছে টাইগারদের। যেটা এর আগে কখনো হয়নি।

আর সেখানে ভারত আছে বেশ ফুরফুরে মেজাজে। কারণ গ্রুপ পর্বে হংকং-পাকিস্তানকে হারিয়ে বেশ স্বস্তিতে আছে তারা। তার মধ্যে বিশ্রামের জন্যও পেয়েছে পর্যাপ্ত সময়। ফলে বেশ আয়েশেই আছে রোহিত শর্মারা।

তবে এই ম্যাচ বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। এশীয় শ্রেষ্ঠাতের মিশনে স্বপ্নপূরণে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটিই হতে পারে বাঁক বদলের প্রথম ধাপ। বাংলাদেশ যদি কোনো ভাবে ভারতকে ঠেকাতে পারে তাহলে পুরো দলই বদলে যাবে। ভারতের পরে বাংলাদেশের দুই প্রতিপক্ষ পাকিস্তান-আফগানিস্তান। আজ ভারত চ্যালেঞ্জটা নিতে পারলে বাকি দুই দলকে ঠেকানো বেশ একটা কঠিন হবে না সাকিব-রিয়াদদের জন্য।

যদিও সামগ্রিক শক্তিতে বাংলাদেশ থেকে বহুগুন এগিয়ে রোহিত শর্মার দল। তবে বাংলাদেশও যেকোনো সময় যেকোনো কিছু ঘটিয়ে ফেলতে পারে। সবকিছু মিলিয়ে বেশ লড়াই পূর্ণ একটি ম্যাচের মধ্যে দিয়েই শুরু হতে যাচ্ছে ১৪তম এশিয়া কাপের সুপার ফোরের পর্ব।

দু’দলের ৩৩ ওয়ানডেতে ভারতের ২৭ জয়ের বিপরীতে বাংলাদেশের জয় মাত্র পাঁচটি। কিন্তু এই পাঁচ জয়ের দুটিই এসেছে শেষ চার ম্যাচে। এশিয়া কাপের মঞ্চে এই ব্যবধানটা আরও কমিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ কতটা নিতে পারে সেটাই দেখার অপেক্ষা!