ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

ফতুল্লায় গভীর রাতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গভীর রাতে লিংক রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পাঁচ শতাধিক শ্রমিক।

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশে ফতুল্লার পূর্ব ইসদাইর এলাকায় অবস্থিত এসরোটেক্স ইউনিট-২ এর শ্রমিকরা এ বিক্ষোভ করেন।

শ্রমিকদের অভিযোগ, পাওনা বুজিয়ে না দিয়ে মালিকপক্ষ কারখানার মেশিনপত্র নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছে। খবর পেয়ে কারখানার সামনে ও লিংক রোডে নারী-পুরুষসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক শ্রমিক অবস্থান নিলে মালিকপক্ষের লোকজন ভয়ে কারখানার ভেতর আত্মগোপন করেন।

এ সময় পুলিশ এসে শ্রমিকদের শান্ত করে লিংক রোড থেকে সরিয়ে কারখানার সামনে এনে জড়ো করেন।

কারখানার শ্রমিক নূর হোসেন জানান, শ্রম আইনে পাওনা বুঝিয়ে না দেয়া পর্যন্ত মালিকপক্ষের একজন কর্মকর্তাকেও কারখানা থেকে বের হতে দেয়া হবে না।

কারখানার গ্রুপ এজিএম আরিফ হোসেন জানান, কারখানাটি ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ চতলার মাঠ এলাকায় হস্থান্তর করা হবে। এ জন্য আমরা কারখানার ৮৪৬ শ্রমিকের উদ্দেশ্যে একটি নোটিশ জারি করেছি। শ্রম আইন অনুযায়ী, শ্রমিকদের পাওনা বুজিয়ে দেব। কিন্তু শ্রমিকরা সে বিষয়টি বোঝেনি।

রাতে কোনো মেশিনপত্র নেয়া হয়নি। শিপমেন্টের মাল বের করা হয়েছে। শ্রমিকরা মিথ্যা সংবাদে গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে এসে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করছে।

ফতুল্লা মডেল থানার এসআই দিদারুল আলম জানান, রাত ২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছে। পরে খবর পেয়ে রাত আড়াইটায় ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের শান্ত করে মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলি।

মালিকপক্ষের লোকজন যুক্তি দেখিয়ে গভীর রাতে যে মালামালই অন্যত্র নিয়ে যাক না কেন তা অবৈধ। তাদের মালামাল গভীর রাতে বের করতে নিষেধ করেছি এবং শ্রমিকদের ধৈর্য ধরে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার জন্য পরামর্শ দিয়েছি।

এতে শ্রমিকরা শান্ত হয়ে সারারাত কারখানার সামনে বসেছিলেন। এতে কারখানার ভেতরে অবস্থান নেয়া কর্মকর্তারা ভয়ে কেউ বাহিরে বের হননি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম

ফতুল্লায় গভীর রাতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০১:১৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গভীর রাতে লিংক রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পাঁচ শতাধিক শ্রমিক।

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশে ফতুল্লার পূর্ব ইসদাইর এলাকায় অবস্থিত এসরোটেক্স ইউনিট-২ এর শ্রমিকরা এ বিক্ষোভ করেন।

শ্রমিকদের অভিযোগ, পাওনা বুজিয়ে না দিয়ে মালিকপক্ষ কারখানার মেশিনপত্র নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছে। খবর পেয়ে কারখানার সামনে ও লিংক রোডে নারী-পুরুষসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক শ্রমিক অবস্থান নিলে মালিকপক্ষের লোকজন ভয়ে কারখানার ভেতর আত্মগোপন করেন।

এ সময় পুলিশ এসে শ্রমিকদের শান্ত করে লিংক রোড থেকে সরিয়ে কারখানার সামনে এনে জড়ো করেন।

কারখানার শ্রমিক নূর হোসেন জানান, শ্রম আইনে পাওনা বুঝিয়ে না দেয়া পর্যন্ত মালিকপক্ষের একজন কর্মকর্তাকেও কারখানা থেকে বের হতে দেয়া হবে না।

কারখানার গ্রুপ এজিএম আরিফ হোসেন জানান, কারখানাটি ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ চতলার মাঠ এলাকায় হস্থান্তর করা হবে। এ জন্য আমরা কারখানার ৮৪৬ শ্রমিকের উদ্দেশ্যে একটি নোটিশ জারি করেছি। শ্রম আইন অনুযায়ী, শ্রমিকদের পাওনা বুজিয়ে দেব। কিন্তু শ্রমিকরা সে বিষয়টি বোঝেনি।

রাতে কোনো মেশিনপত্র নেয়া হয়নি। শিপমেন্টের মাল বের করা হয়েছে। শ্রমিকরা মিথ্যা সংবাদে গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে এসে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করছে।

ফতুল্লা মডেল থানার এসআই দিদারুল আলম জানান, রাত ২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছে। পরে খবর পেয়ে রাত আড়াইটায় ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের শান্ত করে মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলি।

মালিকপক্ষের লোকজন যুক্তি দেখিয়ে গভীর রাতে যে মালামালই অন্যত্র নিয়ে যাক না কেন তা অবৈধ। তাদের মালামাল গভীর রাতে বের করতে নিষেধ করেছি এবং শ্রমিকদের ধৈর্য ধরে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার জন্য পরামর্শ দিয়েছি।

এতে শ্রমিকরা শান্ত হয়ে সারারাত কারখানার সামনে বসেছিলেন। এতে কারখানার ভেতরে অবস্থান নেয়া কর্মকর্তারা ভয়ে কেউ বাহিরে বের হননি।