ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ফিরে যাওয়া রোহিঙ্গাদের গ্রেপ্তার করছে মিয়ানমার: জাতিসংঘ

জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রধান জায়েদ রাদ আল হুসেইন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ফিরে যাওয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার গ্রেপ্তার করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার প্রধান। শরণার্থীদের ফেরত নেবার বিষয়ে মিয়ানমারের ‘আন্তরিকতা’ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি৷

একদিকে মিয়ানমার বলছে যে, গত আগস্ট থেকে সাত লাখ রোহিঙ্গা যারা দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়েছেন, তাদের ফেরত নেয়া হবে, অন্যদিকে যারা ফিরতে চাচ্ছেন তাদের গ্রেপ্তার করছে৷

জাতিসংঘে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার জেইদ রাদ আল হুসেইন জানান, তার অফিস ৫৮ জন রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করার খবর পেয়েছে৷ তারা দেশে ফিরতে চেয়েছিলেন৷ কিন্তু গ্রেপ্তারের জন্য কোনো কারণ দেখায়নি মিয়ানমার৷

উত্তর রাখাইন প্রদেশে এখন পর্যন্ত ২০০ জনেরও কম রোহিঙ্গা ফেরত যেতে পেরেছেন বলে জানাচ্ছে জেইদের অফিস৷

‘রাষ্ট্রপতির ক্ষমা সাপেক্ষে এদের বুথিডং কারাগার থেকে তথাকথিত রিসেপশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ তবে শর্ত হলো, তাদের একই রকমভাবে আটক থাকতে হবে’। জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে দেয়া প্রতিবেদনে মৌখিকভাবে জানান জেইদ রাদ আল হুসেইন৷

‘দেশটির সরকার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে৷ কিন্তু যারা ফেরত যাবার চেষ্টা করছে, সবাইকে না হলেও অনেককেই গ্রেপ্তার করছে’- তিনি যোগ করেন৷

মিয়ানমার বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেবার ব্যাপারে চুক্তি করেছে৷ অথচ রোহিঙ্গাদের একটি বড় অংশ যেতে চাচ্ছেন না৷ এর কারণ হিসেবে সেখানকার পরিস্থিতি এখনো শঙ্কাজনক বলে মনে করছেন জাতিসংঘের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা৷

রোহিঙ্গারা গত বছর আগস্টের শেষ দিকে মিয়ানমার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর দ্বারা কঠিন নিগ্রহের শিকার হয়েছেন, যাকে জাতিসংঘ জাতি নিধন হিসেবে চিহ্নিত করেছে৷

জেইদ বলেন যে, এই নিপীড়ন বন্ধ হয়নি৷ এখনো ‘হত্যা ও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া’ অব্যাহত আছে৷

এ বছরও ১১ হাজার অধিবাসী রাখাইন থেকে পালিয়েছেন৷ জাতিসংঘ বলছে, এর অর্থ এখনো সেখানে সহিংসতা চলছে, যার ফলে তারা পালাতে বাধ্য হয়েছেন৷

তবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা কাউন্সিলে উপস্থিত মিয়ানমারের প্রতিনিধিরা এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, এখানে তথ্য বিকৃত করা হয়েছে৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফিরে যাওয়া রোহিঙ্গাদের গ্রেপ্তার করছে মিয়ানমার: জাতিসংঘ

আপডেট সময় ০৪:১৬:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ফিরে যাওয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার গ্রেপ্তার করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার প্রধান। শরণার্থীদের ফেরত নেবার বিষয়ে মিয়ানমারের ‘আন্তরিকতা’ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি৷

একদিকে মিয়ানমার বলছে যে, গত আগস্ট থেকে সাত লাখ রোহিঙ্গা যারা দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়েছেন, তাদের ফেরত নেয়া হবে, অন্যদিকে যারা ফিরতে চাচ্ছেন তাদের গ্রেপ্তার করছে৷

জাতিসংঘে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার জেইদ রাদ আল হুসেইন জানান, তার অফিস ৫৮ জন রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করার খবর পেয়েছে৷ তারা দেশে ফিরতে চেয়েছিলেন৷ কিন্তু গ্রেপ্তারের জন্য কোনো কারণ দেখায়নি মিয়ানমার৷

উত্তর রাখাইন প্রদেশে এখন পর্যন্ত ২০০ জনেরও কম রোহিঙ্গা ফেরত যেতে পেরেছেন বলে জানাচ্ছে জেইদের অফিস৷

‘রাষ্ট্রপতির ক্ষমা সাপেক্ষে এদের বুথিডং কারাগার থেকে তথাকথিত রিসেপশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ তবে শর্ত হলো, তাদের একই রকমভাবে আটক থাকতে হবে’। জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে দেয়া প্রতিবেদনে মৌখিকভাবে জানান জেইদ রাদ আল হুসেইন৷

‘দেশটির সরকার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে৷ কিন্তু যারা ফেরত যাবার চেষ্টা করছে, সবাইকে না হলেও অনেককেই গ্রেপ্তার করছে’- তিনি যোগ করেন৷

মিয়ানমার বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেবার ব্যাপারে চুক্তি করেছে৷ অথচ রোহিঙ্গাদের একটি বড় অংশ যেতে চাচ্ছেন না৷ এর কারণ হিসেবে সেখানকার পরিস্থিতি এখনো শঙ্কাজনক বলে মনে করছেন জাতিসংঘের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা৷

রোহিঙ্গারা গত বছর আগস্টের শেষ দিকে মিয়ানমার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর দ্বারা কঠিন নিগ্রহের শিকার হয়েছেন, যাকে জাতিসংঘ জাতি নিধন হিসেবে চিহ্নিত করেছে৷

জেইদ বলেন যে, এই নিপীড়ন বন্ধ হয়নি৷ এখনো ‘হত্যা ও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া’ অব্যাহত আছে৷

এ বছরও ১১ হাজার অধিবাসী রাখাইন থেকে পালিয়েছেন৷ জাতিসংঘ বলছে, এর অর্থ এখনো সেখানে সহিংসতা চলছে, যার ফলে তারা পালাতে বাধ্য হয়েছেন৷

তবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা কাউন্সিলে উপস্থিত মিয়ানমারের প্রতিনিধিরা এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, এখানে তথ্য বিকৃত করা হয়েছে৷