ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

ডি ভিলিয়ার্স অবসরে যাওয়ায় বোলাররা স্বস্তি পাবে: ডেল স্টেইন

ডি ভিলিয়ার্স-ডেল স্টেইন

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

প্রথম শ্রেণি এবং টেস্ট ক্রিকেটে দু’জনের অভিষেক হয় একই ম্যাচে। দু’জন একসঙ্গে খেলেছেন ২২১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। গেল সপ্তাহে এবি ডি ভিলিয়ার্স আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। ডেল স্টেইন এখনও আছেন। সতীর্থ ও বন্ধু এবি ডি ভিলিয়ার্সকে তার চেয়ে ভালো আর কে চেনে। বন্ধুকে নিয়ে বন্ধুর কথা

প্রশ্ন : এবি ও আপনার টেস্ট অভিষেক হয় একই ম্যাচে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০০৪-এ পোর্ট এলিজাবেথে। এবিকে নিয়ে আপনার প্রথম স্মৃতি?

ডেল স্টেইন : প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও আমাদের ডেব্যু হয় একসঙ্গে। ২০০৩-এ। এক বছর পর টেস্টে দু’জনের অভিষেক হয় একসঙ্গে। একসঙ্গে অনেক ম্যাচ খেলেছি আমরা। একসঙ্গে যেমন খেলেছি, তেমনি পরস্পরের মুখোমুখিও হয়েছি। ১১ বছর বয়স থেকে একসঙ্গে খেলেছি আমরা। এবি’র বয়স যখন ১১, তখন থেকে ওকে চিনি। ক্রিকেট খেলার জন্য নয়, একজন দুর্দান্ত কিশোর হিসেবে।

প্রশ্ন : এবি অবসর নেয়ায় বোলাররা কী স্বস্তি পাবেন? স্টেইন : এবি আর খেলবে না, এটা সত্যিই হতাশার। হ্যাঁ, আন্তর্জাতিক দলগুলোর বোলাররা স্বস্তি পাবে। অন্তত একজন এমন ব্যাটসম্যানের বিরুদ্ধে আর বোলিং করতে হবে না, যাকে খেলা কঠিন। এবি একটি পাহাড়সম খেলোয়াড়। সেরার বিরুদ্ধে নিজেকে দাঁড় করানোর চ্যালেঞ্জ আর রইল না। এদিক থেকে ওর অবসর নেয়াটা দুঃখের।

প্রশ্ন : নেটে তাকে বোলিং করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? স্টেইন : ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটার বেগে আসা বলকে বশ্যতা স্বীকারের দুর্লভ প্রতিভার অধিকারী সে। যাদের বিপক্ষে বল করেছি আর কাউকে তার মতো দেখিনি। আমাকে সম্পূর্ণ অসহায় করে তোলার সহজাত প্রতিভা রয়েছে ওর।

প্রশ্ন : এবি কী আপনার প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতেন?

স্টেইন : দিত। গ্রায়েম স্মিথ সেরা অধিনায়ক, যার অধীনে আমি খেলেছি। এবি যখন অধিনায়ক হয়ে আসে, ওর নেতৃত্বে ঢেকে যায় ওর নৈপুণ্য। যদিও সে একজন ভালো অধিনায়ক ছিল। তার চেয়েও একজন ভালো খেলোয়াড় ছিল সে।
প্রশ্ন : এবি’র কোন গুণটা আপনার হলে খুশি হতেন? স্টেইন : ওর সাহস। জীবনে কখনো আমি এবি’কে ভয় পেতে দেখিনি। কখনো না। কখনো প্রতিকূল কন্ডিশন কিংবা পিচে ব্যাট করতে নামার সময় ওর চোখে আমি ভয় দেখিনি।

প্রশ্ন : এবি অবসর নেয়ায় ক্রিকেট কী হারাল? স্টেইন : সেরাটাকে হারাল। আপনি অনেককেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে দেখেন। ভাবেন, ওরা যথেষ্ট ভালো। তার চেয়েও ভালো ক্রিকেটার আছে। তাদের উপরে এবি ডি ভিলিয়ার্স।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডি ভিলিয়ার্স অবসরে যাওয়ায় বোলাররা স্বস্তি পাবে: ডেল স্টেইন

আপডেট সময় ০৯:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ মে ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

প্রথম শ্রেণি এবং টেস্ট ক্রিকেটে দু’জনের অভিষেক হয় একই ম্যাচে। দু’জন একসঙ্গে খেলেছেন ২২১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। গেল সপ্তাহে এবি ডি ভিলিয়ার্স আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। ডেল স্টেইন এখনও আছেন। সতীর্থ ও বন্ধু এবি ডি ভিলিয়ার্সকে তার চেয়ে ভালো আর কে চেনে। বন্ধুকে নিয়ে বন্ধুর কথা

প্রশ্ন : এবি ও আপনার টেস্ট অভিষেক হয় একই ম্যাচে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০০৪-এ পোর্ট এলিজাবেথে। এবিকে নিয়ে আপনার প্রথম স্মৃতি?

ডেল স্টেইন : প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও আমাদের ডেব্যু হয় একসঙ্গে। ২০০৩-এ। এক বছর পর টেস্টে দু’জনের অভিষেক হয় একসঙ্গে। একসঙ্গে অনেক ম্যাচ খেলেছি আমরা। একসঙ্গে যেমন খেলেছি, তেমনি পরস্পরের মুখোমুখিও হয়েছি। ১১ বছর বয়স থেকে একসঙ্গে খেলেছি আমরা। এবি’র বয়স যখন ১১, তখন থেকে ওকে চিনি। ক্রিকেট খেলার জন্য নয়, একজন দুর্দান্ত কিশোর হিসেবে।

প্রশ্ন : এবি অবসর নেয়ায় বোলাররা কী স্বস্তি পাবেন? স্টেইন : এবি আর খেলবে না, এটা সত্যিই হতাশার। হ্যাঁ, আন্তর্জাতিক দলগুলোর বোলাররা স্বস্তি পাবে। অন্তত একজন এমন ব্যাটসম্যানের বিরুদ্ধে আর বোলিং করতে হবে না, যাকে খেলা কঠিন। এবি একটি পাহাড়সম খেলোয়াড়। সেরার বিরুদ্ধে নিজেকে দাঁড় করানোর চ্যালেঞ্জ আর রইল না। এদিক থেকে ওর অবসর নেয়াটা দুঃখের।

প্রশ্ন : নেটে তাকে বোলিং করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? স্টেইন : ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটার বেগে আসা বলকে বশ্যতা স্বীকারের দুর্লভ প্রতিভার অধিকারী সে। যাদের বিপক্ষে বল করেছি আর কাউকে তার মতো দেখিনি। আমাকে সম্পূর্ণ অসহায় করে তোলার সহজাত প্রতিভা রয়েছে ওর।

প্রশ্ন : এবি কী আপনার প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতেন?

স্টেইন : দিত। গ্রায়েম স্মিথ সেরা অধিনায়ক, যার অধীনে আমি খেলেছি। এবি যখন অধিনায়ক হয়ে আসে, ওর নেতৃত্বে ঢেকে যায় ওর নৈপুণ্য। যদিও সে একজন ভালো অধিনায়ক ছিল। তার চেয়েও একজন ভালো খেলোয়াড় ছিল সে।
প্রশ্ন : এবি’র কোন গুণটা আপনার হলে খুশি হতেন? স্টেইন : ওর সাহস। জীবনে কখনো আমি এবি’কে ভয় পেতে দেখিনি। কখনো না। কখনো প্রতিকূল কন্ডিশন কিংবা পিচে ব্যাট করতে নামার সময় ওর চোখে আমি ভয় দেখিনি।

প্রশ্ন : এবি অবসর নেয়ায় ক্রিকেট কী হারাল? স্টেইন : সেরাটাকে হারাল। আপনি অনেককেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে দেখেন। ভাবেন, ওরা যথেষ্ট ভালো। তার চেয়েও ভালো ক্রিকেটার আছে। তাদের উপরে এবি ডি ভিলিয়ার্স।