ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না আয়ারল্যান্ডও ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু

তিনটি কেন্দ্রে কিছু সমস্যা হয়েছে শুনেছি: খালেক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১০৫টি কেন্দ্রে নতুন করে ভোট নিতে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর দাবি কেউ মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিজয়ী আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক। তিনটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিতের বিষয়টি উল্লেখ করে নবনির্বাচিত মেয়র কেবল এই কেন্দ্রগুলোতেই গোলযোগ হওয়ার কথা শোনার দাবি করেন।

ভোটের পরদিন বুধবার দুপুরের আগে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করছিলেন খালেক। এর আগে সংবাদ সম্মেলন করে ১০৫টি কেন্দ্রে ভোট বাতিল করে পুননির্বাচনের দাবি তোলেন মঞ্জু।

মঙ্গলবারের ভোটে বেশ কিছু কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়াসহ নানা অনিয়মের ঘটনার খবর এসেছে গণমাধ্যমে। এতে পাঁচটি কেন্দ্রে এবং একটি কেন্দ্রের একটি বুথে ভোট বন্ধ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। পরে তিনটি কেন্দ্রে ভোট আবার চালু হলেও তিনটি কেন্দ্রে ভোট আর চালু হয়নি।

খালেক বলেন, ‘আমি শুনেছি তিনটি কেন্দ্রে কিছু সমস্যা হয়েছে। তাই বলে একশত কেন্দ্রে আবার ভোট গ্রহণ করতে হবে এমন দাবি কেউ মেনে নেবে না।’

আগামী জাতীয় নির্বাচন ও সিটি নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই মঞ্জু এমন দাবি করেছেন অভিযোগ করে নবনির্বাচিত মেয়র বলেন, ‘নির্বাচনে যদি তারা জয় লাভ করতো তাহলে নির্বাচন ঠিক হতো। আর এখন পরাজয় মেনে নিতে না পেরে তার আবোল তাবোল বকতে শুরু করেছে। কিন্তু ২০১৩ সালের নির্বাচনে আমি তো পরাজিত হয়েছিলাম। কিন্তু কোনো কথা বলিনি।’

২০১৩ সালের নির্বাচনে খালেক ৬১ হাজার ভোটে হেরেছিলেন বিএনপির মনিরুজ্জামান মনির কাছে। আর মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো হওয়া দলীয় প্রতীকের ভোটে বিএনপির মনোনয়ন পাননি মনি। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মঞ্জু বিজয়ী প্রার্থী খালেকের চেয়ে প্রায় ৬৮ হাজার ভোট কম পেয়েছেন।

২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত মেয়র থাকার কথা তুলে ধরে খালেক বলেন, ‘খুলনা মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ যেখানে রেখে আমি মেয়র পদ ছেড়েছিলাম সেখান থেকেই আবার কাজ শুরু করব। একই সাথে সততা, নিষ্ঠার সাথে কাজ করে খুলনা মহানগরীকে দুর্নীতিমুক্ত খুলনা সিটি করপোরেশন উপহার দেব।’

খুলনা মহানগরীকে মাদকমুক্ত করতে চেষ্টা চালানোর কথাও জানান খালেক। বলেন, ‘মাদকের সাথে আমার দলেরও কেউ যদি জড়িত থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি নির্বাচনে খালেকের প্রধান এজেন্ট শেখ হারুনার রশিদ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এসএম কামাল হোসেন, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবির পরিচালক শেখ সোহেল প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানে শপিংমলে আগুন, ৫ জনের মৃত্যু

তিনটি কেন্দ্রে কিছু সমস্যা হয়েছে শুনেছি: খালেক

আপডেট সময় ০৩:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১০৫টি কেন্দ্রে নতুন করে ভোট নিতে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর দাবি কেউ মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিজয়ী আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক। তিনটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিতের বিষয়টি উল্লেখ করে নবনির্বাচিত মেয়র কেবল এই কেন্দ্রগুলোতেই গোলযোগ হওয়ার কথা শোনার দাবি করেন।

ভোটের পরদিন বুধবার দুপুরের আগে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করছিলেন খালেক। এর আগে সংবাদ সম্মেলন করে ১০৫টি কেন্দ্রে ভোট বাতিল করে পুননির্বাচনের দাবি তোলেন মঞ্জু।

মঙ্গলবারের ভোটে বেশ কিছু কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়াসহ নানা অনিয়মের ঘটনার খবর এসেছে গণমাধ্যমে। এতে পাঁচটি কেন্দ্রে এবং একটি কেন্দ্রের একটি বুথে ভোট বন্ধ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। পরে তিনটি কেন্দ্রে ভোট আবার চালু হলেও তিনটি কেন্দ্রে ভোট আর চালু হয়নি।

খালেক বলেন, ‘আমি শুনেছি তিনটি কেন্দ্রে কিছু সমস্যা হয়েছে। তাই বলে একশত কেন্দ্রে আবার ভোট গ্রহণ করতে হবে এমন দাবি কেউ মেনে নেবে না।’

আগামী জাতীয় নির্বাচন ও সিটি নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই মঞ্জু এমন দাবি করেছেন অভিযোগ করে নবনির্বাচিত মেয়র বলেন, ‘নির্বাচনে যদি তারা জয় লাভ করতো তাহলে নির্বাচন ঠিক হতো। আর এখন পরাজয় মেনে নিতে না পেরে তার আবোল তাবোল বকতে শুরু করেছে। কিন্তু ২০১৩ সালের নির্বাচনে আমি তো পরাজিত হয়েছিলাম। কিন্তু কোনো কথা বলিনি।’

২০১৩ সালের নির্বাচনে খালেক ৬১ হাজার ভোটে হেরেছিলেন বিএনপির মনিরুজ্জামান মনির কাছে। আর মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো হওয়া দলীয় প্রতীকের ভোটে বিএনপির মনোনয়ন পাননি মনি। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মঞ্জু বিজয়ী প্রার্থী খালেকের চেয়ে প্রায় ৬৮ হাজার ভোট কম পেয়েছেন।

২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত মেয়র থাকার কথা তুলে ধরে খালেক বলেন, ‘খুলনা মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ যেখানে রেখে আমি মেয়র পদ ছেড়েছিলাম সেখান থেকেই আবার কাজ শুরু করব। একই সাথে সততা, নিষ্ঠার সাথে কাজ করে খুলনা মহানগরীকে দুর্নীতিমুক্ত খুলনা সিটি করপোরেশন উপহার দেব।’

খুলনা মহানগরীকে মাদকমুক্ত করতে চেষ্টা চালানোর কথাও জানান খালেক। বলেন, ‘মাদকের সাথে আমার দলেরও কেউ যদি জড়িত থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি নির্বাচনে খালেকের প্রধান এজেন্ট শেখ হারুনার রশিদ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এসএম কামাল হোসেন, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবির পরিচালক শেখ সোহেল প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।