ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

জিন্নাহ মহাপুরুষ ছিলেন: বিজেপি সাংসদ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারত ভাগের জন্য হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো যাকে দায়ী করে থাকে সেই মোহাম্মদ আলি জিন্নাহকে মহাপুরুষ বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন বিজেপির একজন সাংসদ। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলি জিন্নাহকে নিয়ে ভারতের রাজনীতি অঙ্গন এখন গরম।

উত্তর প্রদেশের বাহরাইচ এলাকার সাংসদ সাবিত্রী বাই ফুলে বলেন, ‘জিন্নাহ একজন মহাপুরুষ ছিলেন।ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে জিন্নাহর ভূমিকা কোনওভাবেই খাটো করা যায় না। লোকসভার দেয়ালে জিন্নাহর ছবি রয়েছে। তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত। যেখানে প্রয়োজন সেখানেই তার ছবি টানানো উচিত। দলিত ইস্যু থেকে মনোযোগ সরাতেই জিন্নাহ ইস্যু নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। আমি এসবের সঙ্গে একমত নই।’

‘জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছে। এসব মানুষদের অবশ্যই শ্রদ্ধা করা উচিত। যারা স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন তাদের অবশ্যই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত।’

উত্তর প্রদেশের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়ন ভবনের সেন্ট্রাল হলে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহর একটি প্রমাণ সাইজের পোর্ট্রেট বা প্রতিকৃতি টাঙানো আছে সেই ১৯৩৮ সাল থেকে – যখন ছাত্রদের আমন্ত্রণে জিন্নাহ আলিগড়ে এসেছিলেন এবং তাকে ইউনিয়নের আজীবন সদস্যপদ দেয়া হয়েছিল।

কিন্তু তার ৮০ বছর বাদে এসে এখন জিন্নাহর ছবি রাখা নিয়ে বর্তমান বিজেপি এমপি সতীশ গৌতম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তারিক মনসুরকে চিঠি লিখে এর জন্য কৈফিয়ত তলব করেছেন – এবং বলেছেন যে পাকিস্তান আজও ভারতকে বিরক্ত করে যাচ্ছে তার জন্মদাতার ছবি টাঙানোর দরকারটা কী? এমপি বিশ্ববিদ্যালয় অবিলম্বে ওই ছবি সরিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। আর এরপরই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসং‌যোগ কর্মকর্তা সায়ফি কিদওয়াই বলেছেন, ‘১৯৩৮ সালে জিন্নাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। সেই সময় তাকে সাম্মানসূচক ডিগ্রি দেয়া হয়। তখন থেকে ছবিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

জিন্নাহ মহাপুরুষ ছিলেন: বিজেপি সাংসদ

আপডেট সময় ০৪:১৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারত ভাগের জন্য হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো যাকে দায়ী করে থাকে সেই মোহাম্মদ আলি জিন্নাহকে মহাপুরুষ বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন বিজেপির একজন সাংসদ। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলি জিন্নাহকে নিয়ে ভারতের রাজনীতি অঙ্গন এখন গরম।

উত্তর প্রদেশের বাহরাইচ এলাকার সাংসদ সাবিত্রী বাই ফুলে বলেন, ‘জিন্নাহ একজন মহাপুরুষ ছিলেন।ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে জিন্নাহর ভূমিকা কোনওভাবেই খাটো করা যায় না। লোকসভার দেয়ালে জিন্নাহর ছবি রয়েছে। তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত। যেখানে প্রয়োজন সেখানেই তার ছবি টানানো উচিত। দলিত ইস্যু থেকে মনোযোগ সরাতেই জিন্নাহ ইস্যু নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। আমি এসবের সঙ্গে একমত নই।’

‘জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছে। এসব মানুষদের অবশ্যই শ্রদ্ধা করা উচিত। যারা স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন তাদের অবশ্যই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত।’

উত্তর প্রদেশের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়ন ভবনের সেন্ট্রাল হলে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহর একটি প্রমাণ সাইজের পোর্ট্রেট বা প্রতিকৃতি টাঙানো আছে সেই ১৯৩৮ সাল থেকে – যখন ছাত্রদের আমন্ত্রণে জিন্নাহ আলিগড়ে এসেছিলেন এবং তাকে ইউনিয়নের আজীবন সদস্যপদ দেয়া হয়েছিল।

কিন্তু তার ৮০ বছর বাদে এসে এখন জিন্নাহর ছবি রাখা নিয়ে বর্তমান বিজেপি এমপি সতীশ গৌতম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তারিক মনসুরকে চিঠি লিখে এর জন্য কৈফিয়ত তলব করেছেন – এবং বলেছেন যে পাকিস্তান আজও ভারতকে বিরক্ত করে যাচ্ছে তার জন্মদাতার ছবি টাঙানোর দরকারটা কী? এমপি বিশ্ববিদ্যালয় অবিলম্বে ওই ছবি সরিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। আর এরপরই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসং‌যোগ কর্মকর্তা সায়ফি কিদওয়াই বলেছেন, ‘১৯৩৮ সালে জিন্নাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। সেই সময় তাকে সাম্মানসূচক ডিগ্রি দেয়া হয়। তখন থেকে ছবিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে।’