আকাশ আইসিটি ডেস্ক:
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এর উৎক্ষেপণ একদিন পেছানোর পেছনে স্যাটেলাইনের কোনো ত্রুটি নেই। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশযান প্রস্তুতকারক এবং মহাকাশ যাতায়াত সেবা কোম্পানি স্পেসএক্স এর কারণ না জানিয়ে স্থানীয় সময় শুক্রবার আবার এটি উৎক্ষেপণের চেষ্টার কথা জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত মধ্যবাতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বৃহস্পতিবার বিকালে টানটান উত্তেজনা নিয়ে অপেক্ষায় ছিল বাংলাদেশিরা। কিন্তু অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘায়িত করে এর উৎক্ষেপণ একদিন পিছিয়ে দেয় স্পেসএক্স।
স্পেসএক্স এবং নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এটিতে বড় কোনও ত্রুটি না পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে। যে রকেটে করে এই স্যাটেলাইটকে মহাকাশে পাঠানো হবে তারও বর্ণনা দিয়েছে স্পেসনিউজডটকম।
বাংলাদেশের স্যাটেলাইট যে সর্বাধুনিক রকেটটিতে উৎক্ষেপণ করা হবে সেই একই রকটে কিছুদিন পর মহাকাশে পাঠানো হবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর গ্লোবাল পজিশনিং স্যাটেলাইট।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্পেসএক্সের ফ্যালকন সিরিজের সবচেয়ে অত্যাধুনিক এবং সর্বোচ্চ সুবিধাসম্বলিত ব্লক-ফাইভ রকেটে করে পাঠানো হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে। এই সিরিজের প্রথম রকেটের কাস্টমার ছিলো মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। আর এই সিরিজের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট ব্লক-ফোর এর চেয়ে এটি ১০০ গুণ শক্তিশালী, নিরাপদ এবং পুন:ব্যবহারযোগ্য।
ব্লক-ফাইভ রকেটটি স্পেসএক্সের প্রথম রকেট যা স্যাটেলাইট প্রেরণে বা মহাকাশচারীদের বাণিজ্যিকভাবে বহন করার জন্য নাসার মান সম্পূর্ণ বজায় রেখেছে। এছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষার সকল শর্ত মেনে চলা হয়েছে।
বিশ্বের সবার্ধুনিক এই মহাকাশযানে করে পৃথিবীর কক্ষপথে যাবে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট। স্পেসএক্স এমন একটি মহাকাশ সংস্থা যাদের রকেটে করে মহাকাশচারী ক্রুদের মহাকাশ স্টেশনে পাঠায় নাসা।
মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর সময় পিছিয়ে দেয়ার ঘটনা অত্যন্ত স্বাভাবিক। আবহাওয়াজনিত সমস্যা, শেষ মুহূর্তে কোনও ত্রুটি, কম্পিউটারে ডাটা রিডে বিভ্রান্তি বা সংশ্লিষ্টদের সিদ্ধান্তের কারণে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সময় পেছানো হয়ে থাকে। মহাকাশের পাঠানো স্যাটেলাইটগুলোর বেশিরভাগকেই আগে থেকে দেয়া নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পরে উড়ানো হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















