ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে অবদান রাখা বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি:সংসদে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন: বিরোধীদলীয় নেতা হাসিনাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলাতে পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ: নাসীরুদ্দীন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার

কোন সংবাদ যাবে, তা নির্ধারণ করছে সরকার: ফখরুল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কোন সংবাদ প্রকাশ হবে এবং কোনটা হবে না, সেটি সরকার নির্ধারণ করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার অভিযোগ, গণমাধ্যমে সরকার ভীতকর পরিস্থিতি তৈরি করে এটা করেছে।

‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (একাংশ) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (একাংশ) এক আলোচনায় অংশ নিয়ে এই অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

ফখরুল বলেন, ‘সরকার মুখে বলছে মুক্ত গণমাধ্যম। কিন্তু পত্রিকায় কোন নিউজ যাবে আর কোন নিউজ যাবে না তা সরকারের লোকজন নির্ধারণ করে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে।’

‘একটা খবরের জন্য আমি এক পত্রিকার লোকদের জিজ্ঞেস করলাম, ‘এটা কোথায় কীভাবে পেলে?’। ‘তারা বলল, ‘কিছু করার নেই আমাদের দেয়া হয়েছে। আমাদের বাধ্য করা হয়েছে’।’

‘এই হল আমাদের মুক্ত গণমাধ্যম। বর্তমান অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে যারা গণতন্ত্রের পক্ষে আছেন তাদের জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।’

বিএনপি নেতার অভিযোগ, ‘সরকার গত ১০ বছরে গণমাধ্যমে একটি ‘ভয়ঙ্কর ভীতির পরিবেশ’ তৈরি করেছে।’

‘এখানে লিখলে গুম হতে হয়। দেশ ছাড়তে হয়েছে সাংবাদিকদেরকে। আসলে দেশে ফ্যাসিবাদ যখন প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। তখন সর্বত্র ভয় তৈরি হয়।’

সরকার জাতির সঙ্গে জঘন্য প্রতারণা করা হচ্ছে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, ‘সরকার মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে কিন্তু বাস্তবে কাজের মধ্যে ভয়ঙ্কর ফ্যাসিবাদী। ভেতরে এক আর চেহারা আরেক।’

বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন বিএফইউজের মহাসচিব এম আব্দুল্লাহ, সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

কোন সংবাদ যাবে, তা নির্ধারণ করছে সরকার: ফখরুল

আপডেট সময় ০৪:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কোন সংবাদ প্রকাশ হবে এবং কোনটা হবে না, সেটি সরকার নির্ধারণ করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার অভিযোগ, গণমাধ্যমে সরকার ভীতকর পরিস্থিতি তৈরি করে এটা করেছে।

‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (একাংশ) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (একাংশ) এক আলোচনায় অংশ নিয়ে এই অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

ফখরুল বলেন, ‘সরকার মুখে বলছে মুক্ত গণমাধ্যম। কিন্তু পত্রিকায় কোন নিউজ যাবে আর কোন নিউজ যাবে না তা সরকারের লোকজন নির্ধারণ করে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে।’

‘একটা খবরের জন্য আমি এক পত্রিকার লোকদের জিজ্ঞেস করলাম, ‘এটা কোথায় কীভাবে পেলে?’। ‘তারা বলল, ‘কিছু করার নেই আমাদের দেয়া হয়েছে। আমাদের বাধ্য করা হয়েছে’।’

‘এই হল আমাদের মুক্ত গণমাধ্যম। বর্তমান অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে যারা গণতন্ত্রের পক্ষে আছেন তাদের জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।’

বিএনপি নেতার অভিযোগ, ‘সরকার গত ১০ বছরে গণমাধ্যমে একটি ‘ভয়ঙ্কর ভীতির পরিবেশ’ তৈরি করেছে।’

‘এখানে লিখলে গুম হতে হয়। দেশ ছাড়তে হয়েছে সাংবাদিকদেরকে। আসলে দেশে ফ্যাসিবাদ যখন প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। তখন সর্বত্র ভয় তৈরি হয়।’

সরকার জাতির সঙ্গে জঘন্য প্রতারণা করা হচ্ছে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, ‘সরকার মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে কিন্তু বাস্তবে কাজের মধ্যে ভয়ঙ্কর ফ্যাসিবাদী। ভেতরে এক আর চেহারা আরেক।’

বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন বিএফইউজের মহাসচিব এম আব্দুল্লাহ, সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান প্রমুখ।