ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস রাজনৈতিক পরিবর্তনে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে : ড্যান মজিনা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বিএনপি : সালাহউদ্দিন ‘অনিবার্য কারণে’ জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার সংবাদ সম্মেলন স্থগিত

রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে শিক্ষককে হত্যা করেন চিকিৎসক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যা করে দিনাজপুর এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ হোসাইন। এ হত্যা মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন।

হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক শুক্রবার রাতে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ছাত্র মেহেদী হাসান ও অটোরিকশাচালক আবদুল কুদ্দুসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান দিনাজপুরের পাহাড়পুরের নুরুজ্জানের ছেলে ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আবদুল কুদ্দুস দিনাজপুর শহরের লালবাগ মহল্লার একিমুদ্দিনের ছেলে। হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ওই দুইজনকে দিনাজপুর শহর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর আগে গত ২২ মার্চ রাতে হাসান রাশেদ হোসাইনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদকালে গ্রেফতারকৃত হাসান রাশেদ হোসাইন শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও দুজনের নাম প্রকাশ করে রাশেদ হোসাইন।

পুলিশ জানায়, ২৬ ফেব্রুয়ারি নাহিদকে শহরের একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে উপশহরে একটি বহুতল ভবনে নিয়ে হত্যা করে হাসান রাশেদ হোসাইন, আব্দুল কুদ্দুস ও মেহেদী হাসান। শরীরে বাহ্যিক আঘাতের কোনো চিহ্ন না থাকায় প্রথমে হৃদরোগে মৃত্যু হয় বলে চালানো হয়। পরে ময়নাতদন্তে হত্যার প্রমাণ মিললে পুলিশ অভিযানে নামে।

কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড। হত্যার ক্লুও তাদের হাতে, তবে তদন্তের স্বার্থে বিষয়টি প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে শিক্ষককে হত্যা করেন চিকিৎসক

আপডেট সময় ০৯:১২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যা করে দিনাজপুর এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ হোসাইন। এ হত্যা মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন।

হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক শুক্রবার রাতে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ছাত্র মেহেদী হাসান ও অটোরিকশাচালক আবদুল কুদ্দুসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান দিনাজপুরের পাহাড়পুরের নুরুজ্জানের ছেলে ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আবদুল কুদ্দুস দিনাজপুর শহরের লালবাগ মহল্লার একিমুদ্দিনের ছেলে। হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ওই দুইজনকে দিনাজপুর শহর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর আগে গত ২২ মার্চ রাতে হাসান রাশেদ হোসাইনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদকালে গ্রেফতারকৃত হাসান রাশেদ হোসাইন শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও দুজনের নাম প্রকাশ করে রাশেদ হোসাইন।

পুলিশ জানায়, ২৬ ফেব্রুয়ারি নাহিদকে শহরের একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে উপশহরে একটি বহুতল ভবনে নিয়ে হত্যা করে হাসান রাশেদ হোসাইন, আব্দুল কুদ্দুস ও মেহেদী হাসান। শরীরে বাহ্যিক আঘাতের কোনো চিহ্ন না থাকায় প্রথমে হৃদরোগে মৃত্যু হয় বলে চালানো হয়। পরে ময়নাতদন্তে হত্যার প্রমাণ মিললে পুলিশ অভিযানে নামে।

কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড। হত্যার ক্লুও তাদের হাতে, তবে তদন্তের স্বার্থে বিষয়টি প্রকাশ করা যাচ্ছে না।