ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে শিক্ষককে হত্যা করেন চিকিৎসক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যা করে দিনাজপুর এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ হোসাইন। এ হত্যা মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন।

হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক শুক্রবার রাতে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ছাত্র মেহেদী হাসান ও অটোরিকশাচালক আবদুল কুদ্দুসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান দিনাজপুরের পাহাড়পুরের নুরুজ্জানের ছেলে ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আবদুল কুদ্দুস দিনাজপুর শহরের লালবাগ মহল্লার একিমুদ্দিনের ছেলে। হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ওই দুইজনকে দিনাজপুর শহর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর আগে গত ২২ মার্চ রাতে হাসান রাশেদ হোসাইনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদকালে গ্রেফতারকৃত হাসান রাশেদ হোসাইন শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও দুজনের নাম প্রকাশ করে রাশেদ হোসাইন।

পুলিশ জানায়, ২৬ ফেব্রুয়ারি নাহিদকে শহরের একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে উপশহরে একটি বহুতল ভবনে নিয়ে হত্যা করে হাসান রাশেদ হোসাইন, আব্দুল কুদ্দুস ও মেহেদী হাসান। শরীরে বাহ্যিক আঘাতের কোনো চিহ্ন না থাকায় প্রথমে হৃদরোগে মৃত্যু হয় বলে চালানো হয়। পরে ময়নাতদন্তে হত্যার প্রমাণ মিললে পুলিশ অভিযানে নামে।

কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড। হত্যার ক্লুও তাদের হাতে, তবে তদন্তের স্বার্থে বিষয়টি প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসার চালাতে মা চাটনি বিক্রি করতেন: সোনালি কুলকার্নি

রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে শিক্ষককে হত্যা করেন চিকিৎসক

আপডেট সময় ০৯:১২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যা করে দিনাজপুর এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ হোসাইন। এ হত্যা মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন।

হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক শুক্রবার রাতে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ছাত্র মেহেদী হাসান ও অটোরিকশাচালক আবদুল কুদ্দুসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান দিনাজপুরের পাহাড়পুরের নুরুজ্জানের ছেলে ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আবদুল কুদ্দুস দিনাজপুর শহরের লালবাগ মহল্লার একিমুদ্দিনের ছেলে। হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ওই দুইজনকে দিনাজপুর শহর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর আগে গত ২২ মার্চ রাতে হাসান রাশেদ হোসাইনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদকালে গ্রেফতারকৃত হাসান রাশেদ হোসাইন শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও দুজনের নাম প্রকাশ করে রাশেদ হোসাইন।

পুলিশ জানায়, ২৬ ফেব্রুয়ারি নাহিদকে শহরের একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে উপশহরে একটি বহুতল ভবনে নিয়ে হত্যা করে হাসান রাশেদ হোসাইন, আব্দুল কুদ্দুস ও মেহেদী হাসান। শরীরে বাহ্যিক আঘাতের কোনো চিহ্ন না থাকায় প্রথমে হৃদরোগে মৃত্যু হয় বলে চালানো হয়। পরে ময়নাতদন্তে হত্যার প্রমাণ মিললে পুলিশ অভিযানে নামে।

কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড। হত্যার ক্লুও তাদের হাতে, তবে তদন্তের স্বার্থে বিষয়টি প্রকাশ করা যাচ্ছে না।