ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক দক্ষতা অর্জন করতে হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাপানে ৭.১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প মেট্রোরেলসহ গণপরিবহনে সহযোগিতা বাড়াতে একমত বাংলাদেশ-জাপান মিরপুর কলেজের দেয়াল ধসে নিহত ২, আহত ৬ ট্রাম্পের স্ত্রীকে বিষ প্রয়োগে হত্যার পরিকল্পনা, নিশানায় ছেলেও মানিকগঞ্জে স্কুলছাত্র সোহান হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ‘পালিয়ে যাব না’ বলে যে পালিয়ে যায়, সে ‘আসি’ বলে কখনও আসবে না: হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

খালেদাকে কুমিল্লা আদালতে হাজির না করার ব্যাখ্যা চাইলেন বিচারক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তিন বছর আগে বিএনপি-জামায়াত জোটের অবরোধে বাসে পেট্রল বোমা হামলা চালিয়ে আটজনকে হত্যার মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে হাজির না করার ব্যাখ্যা চেয়েছে কুমিল্লার একটি আদালত।

এ ব্যাপারে সাত দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের মাধ্যমে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষকে কারণদর্শাতে বলেছেন বিচারক।

২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি সরকার পতনের দাবিতে বিএনপির অবরোধ চলাকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসে পেট্রল বোমা হামলার ঘটনায় দুটি মামলা করা হয়। এর মধ্যে হত্যা মামলায় হুকুমের আসামি খালেদা জিয়া। গত ২ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করে কুমিল্লার একটি আদালত।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দী। গত ১২ মার্চ এই মামলায় বিএনপি নেত্রীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২৮ মার্চ তাকে হাজির করতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট বা হাজিরা পরোয়ানা জারি করেন কুমিল্লা ৫ নং আমলি আদালতের বিচারক মুস্তাইন বিল্লাহ।

একই দিন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় যুক্তি উপস্থাপনের জন্য খালেদা জিয়াকে ঢাকার একটি আদালতে হাজির করার কথা ছিল। তবে তিনি অসুস্থ থাকার কথা বলে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে হাজির না করায় যুক্তি উপস্থাপন আটকে যায়।

কুমিল্লা আদালতেও হাজির না করায় হাজিরা পরোয়ানা প্রত্যাহার ও জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি। আগামী ৮ এপ্রিল এই দুই আবেদনের ওপর শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন কুমিল্লা ৫ নং আমলি আদালতের বিচারক কাজী আরাফাত।

কুমিল্লা আদালতের পরিদর্শক সুব্রত ব্যানার্জি বলেন, ‘জিআর ৫১ মামলায় বেগম জিয়াকে গ্রেপ্তারের আবেদন কুমিল্লায় আমলি আদালত ৫ (চৌদ্দগ্রাম) এ উপস্থাপন করলে আদালত তার নামে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু করে। পরোয়ানাটি ওই দিনই ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়া হয়।

২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে ২০ দলীয় জোটের অবরোধের সময় চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুরে বাসে পেট্রল বোমা ছুঁড়ে মারলে দগ্ধ হয়ে মারা যান আট জন, আহত হন ২০ জন।

এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান বাদী হয়ে ৭৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এতে খালেদা জিয়াসহ বিএনপির শীর্ষস্থানীয় ছয়জন নেতাকে হুকুমের আসামি করা হয়।

৭৭ আসামির মধ্যে তিনজন মারা যান, পাঁচজনকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেয়া হয়। খালেদা জিয়াসহ অপর ৬৯ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পরিদর্শক ফিরোজ হোসেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক দক্ষতা অর্জন করতে হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

খালেদাকে কুমিল্লা আদালতে হাজির না করার ব্যাখ্যা চাইলেন বিচারক

আপডেট সময় ০৯:৫০:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তিন বছর আগে বিএনপি-জামায়াত জোটের অবরোধে বাসে পেট্রল বোমা হামলা চালিয়ে আটজনকে হত্যার মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে হাজির না করার ব্যাখ্যা চেয়েছে কুমিল্লার একটি আদালত।

এ ব্যাপারে সাত দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের মাধ্যমে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষকে কারণদর্শাতে বলেছেন বিচারক।

২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি সরকার পতনের দাবিতে বিএনপির অবরোধ চলাকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসে পেট্রল বোমা হামলার ঘটনায় দুটি মামলা করা হয়। এর মধ্যে হত্যা মামলায় হুকুমের আসামি খালেদা জিয়া। গত ২ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করে কুমিল্লার একটি আদালত।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দী। গত ১২ মার্চ এই মামলায় বিএনপি নেত্রীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২৮ মার্চ তাকে হাজির করতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট বা হাজিরা পরোয়ানা জারি করেন কুমিল্লা ৫ নং আমলি আদালতের বিচারক মুস্তাইন বিল্লাহ।

একই দিন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় যুক্তি উপস্থাপনের জন্য খালেদা জিয়াকে ঢাকার একটি আদালতে হাজির করার কথা ছিল। তবে তিনি অসুস্থ থাকার কথা বলে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে হাজির না করায় যুক্তি উপস্থাপন আটকে যায়।

কুমিল্লা আদালতেও হাজির না করায় হাজিরা পরোয়ানা প্রত্যাহার ও জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি। আগামী ৮ এপ্রিল এই দুই আবেদনের ওপর শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন কুমিল্লা ৫ নং আমলি আদালতের বিচারক কাজী আরাফাত।

কুমিল্লা আদালতের পরিদর্শক সুব্রত ব্যানার্জি বলেন, ‘জিআর ৫১ মামলায় বেগম জিয়াকে গ্রেপ্তারের আবেদন কুমিল্লায় আমলি আদালত ৫ (চৌদ্দগ্রাম) এ উপস্থাপন করলে আদালত তার নামে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু করে। পরোয়ানাটি ওই দিনই ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়া হয়।

২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে ২০ দলীয় জোটের অবরোধের সময় চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুরে বাসে পেট্রল বোমা ছুঁড়ে মারলে দগ্ধ হয়ে মারা যান আট জন, আহত হন ২০ জন।

এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান বাদী হয়ে ৭৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এতে খালেদা জিয়াসহ বিএনপির শীর্ষস্থানীয় ছয়জন নেতাকে হুকুমের আসামি করা হয়।

৭৭ আসামির মধ্যে তিনজন মারা যান, পাঁচজনকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেয়া হয়। খালেদা জিয়াসহ অপর ৬৯ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পরিদর্শক ফিরোজ হোসেন।