ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু নারী ও পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে তুলব: জামায়াত আমির হাসিনা যুগের সমাপ্তি? জয় বললেন ‘সম্ভবত তাই’ ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা

স্বাধীনতার ঘোষক পাল্টানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। এমনকি স্বাধীনতার ঘোষক পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সে চেষ্টা সফল হয়নি।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজ ‘বঙ্গবন্ধুর ভাষণ: বাঙালি জাতীর ঐতিহাসিক দলিল’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম এ মান্নান।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অভিযান অপারেশন সার্চ লাইট শুরুর পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এরপর ইপিআরের ওয়্যারলেস দিয়ে সে ঘোষণা প্রচার হয়। আর পরের দুই দিন চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এটার প্রচার চলে।

আর ২৬ থেকে ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকেও বিভিন্ন জন এই ভাষণ পাঠ করেন। এদের একজন জিয়াউর রহমান। তিনি বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

কিন্তু ১৯৮১ সালে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তাকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে বিএনপি। তবে পরে হাইকোর্টের এক রায়ে বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের তাৎপর্য নিয়ে এই রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সারাদেশের স্কুল-কলেজ পর্যায়ের দিন হাজার ছয়শ শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

দেশব্যাপী চলা এই প্রতিযোগিতায় মোট ৭০০টি রচনা নির্বাচন করা হয়। সেখান থেকে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে ২০ শিক্ষার্থীকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

বিজয়ীদেরকে একটি করে ক্রেস্ট, ২০ হাজার টাকার টাকার চেক ও সনদ দেয়া হয়। এছাড়া ধানমন্ডি কলেজের পঞ্চাশ বছর পূর্তি হওয়ায় ‘চেতনা’ নামে একটি বার্ষিকীর মোড়ক উন্মচন করা হয়।

কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সৈয়দ রেজাউল রহমানের সভাপত্বিতে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমসহ কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন।

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘২০০১ সালের পর দেশে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছিল তারা দেশকে আবার পিছিয়ে দিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনার কারণে আজ বর্হিবিশ্ব বাংলাদেশকে চেনে।’

‘তার (শেখ হাসিনা) হাত ধরে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে ওঠার যোগ্যতা অর্জনের স্বীকৃতিপত্র পেয়েছে বাংলাদেশ।’

এ সময় তেজগাঁও সরকারি স্কুলের বিজয়ী ছাত্রী ফাহমিনা নাজনিন বলে, ‘আমি খুবই ছোট মানুষ। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে তেমন কিছুই জানি না। তারপরও আমি এ প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছি, এ জন্য আমি গর্ববোধ করছি।’

ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে নতুনভাবে উজ্জীবিত করতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করি। এতে স্কুল পর্যায়ে ১০ জন ও কলেজ পর্যায়ে ১০ শিক্ষার্থী বিজয়ী হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর

স্বাধীনতার ঘোষক পাল্টানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে

আপডেট সময় ১২:১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। এমনকি স্বাধীনতার ঘোষক পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সে চেষ্টা সফল হয়নি।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজ ‘বঙ্গবন্ধুর ভাষণ: বাঙালি জাতীর ঐতিহাসিক দলিল’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম এ মান্নান।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অভিযান অপারেশন সার্চ লাইট শুরুর পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এরপর ইপিআরের ওয়্যারলেস দিয়ে সে ঘোষণা প্রচার হয়। আর পরের দুই দিন চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এটার প্রচার চলে।

আর ২৬ থেকে ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকেও বিভিন্ন জন এই ভাষণ পাঠ করেন। এদের একজন জিয়াউর রহমান। তিনি বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

কিন্তু ১৯৮১ সালে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তাকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে বিএনপি। তবে পরে হাইকোর্টের এক রায়ে বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের তাৎপর্য নিয়ে এই রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সারাদেশের স্কুল-কলেজ পর্যায়ের দিন হাজার ছয়শ শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

দেশব্যাপী চলা এই প্রতিযোগিতায় মোট ৭০০টি রচনা নির্বাচন করা হয়। সেখান থেকে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে ২০ শিক্ষার্থীকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

বিজয়ীদেরকে একটি করে ক্রেস্ট, ২০ হাজার টাকার টাকার চেক ও সনদ দেয়া হয়। এছাড়া ধানমন্ডি কলেজের পঞ্চাশ বছর পূর্তি হওয়ায় ‘চেতনা’ নামে একটি বার্ষিকীর মোড়ক উন্মচন করা হয়।

কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সৈয়দ রেজাউল রহমানের সভাপত্বিতে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমসহ কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন।

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘২০০১ সালের পর দেশে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছিল তারা দেশকে আবার পিছিয়ে দিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনার কারণে আজ বর্হিবিশ্ব বাংলাদেশকে চেনে।’

‘তার (শেখ হাসিনা) হাত ধরে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে ওঠার যোগ্যতা অর্জনের স্বীকৃতিপত্র পেয়েছে বাংলাদেশ।’

এ সময় তেজগাঁও সরকারি স্কুলের বিজয়ী ছাত্রী ফাহমিনা নাজনিন বলে, ‘আমি খুবই ছোট মানুষ। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে তেমন কিছুই জানি না। তারপরও আমি এ প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছি, এ জন্য আমি গর্ববোধ করছি।’

ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে নতুনভাবে উজ্জীবিত করতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করি। এতে স্কুল পর্যায়ে ১০ জন ও কলেজ পর্যায়ে ১০ শিক্ষার্থী বিজয়ী হয়েছে।