ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

মাছ-মাংস খেয়ে সুস্থ মেসি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ম্যাচ চলার সময় মাঝে-মধ্যেই মাঠে বমি করতে দেখা যেত লিওনেল মেসিকে। বার্সেলোনার এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড জানিয়েছেন, একসময় যা-তা খাওয়ার কারণে এ সমস্যায় পড়তে হয়েছিল তাকে। খাদ্যাভাস পরিবর্তনের পর সেসমস্যা কেটে গেছে। ম্যাচ চলার সময় বমি হওয়ার সমস্যায় লম্বা সময় ধরে ভুগেছেন মেসি। ৩০ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড ২০১৪ সালে বুখারেস্টে রুমানিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ চলার সময় একই কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরে বলেছিলেন, এ সমস্যার মুখোমুখি তাকে সবসময় হতে হয়। গত বছর বলিভিয়ার বিপক্ষে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচু লা পাজে খেলতে গিয়েও একই সমস্যায় পড়েছিলেন মেসি।

ইতালির এক চিকিৎসক ২০১৫ সালে দাবি করেন, তার চিকিৎসায় মেসির সমস্যার সমাধান হয়। তবে টিভি লা কর্নিসাকে পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী তারকা জানান, অস্বাস্থ্যকর পানীয় ও ø্যাকজাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ করার পর সমস্যা কেটেছে তার। ‘জানি না আমি কি খাচ্ছিলাম। ২২-২৩ বছর বয়সে চকলেট, ফিজি ড্রিংকস খেতাম। এখন ভালো খাবার খাই। যেমন মাছ, মাংস, সবজি, সালাদ। খাদ্যাভাস বদলানোর পর আর বমি হয়নি।’

২০১২ সালে প্রথম বাবা হওয়ার পর ব্যর্থতা ও সমালোচনা নিয়ে নিজের মনোভাব বদলেছে বলেও জানান মেসি। থিয়াগো, মাতেও ও চিরোÑ তিন ছেলের বাবা মনে করেন, ফুটবল ছাড়া ভাবার মতো অনেক কিছু আছে। ‘সবকিছু ভুলে থাকার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে বাচ্চা-স্ত্রী-পরিবারের সঙ্গে থাকা। বাকি সব গৌণ। আমি হারতে বা ড্র করতে পছন্দ করি না কিন্তু আপনি সবসময় জিততে পারবেন না। চমক থাকবে।’ ওয়েবসাইট।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

আন্দোলন-সংগ্রামে যারা ছিলেন, তারা মনোনয়ন পাবেন: রিজভী

মাছ-মাংস খেয়ে সুস্থ মেসি

আপডেট সময় ০৪:৫৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মার্চ ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ম্যাচ চলার সময় মাঝে-মধ্যেই মাঠে বমি করতে দেখা যেত লিওনেল মেসিকে। বার্সেলোনার এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড জানিয়েছেন, একসময় যা-তা খাওয়ার কারণে এ সমস্যায় পড়তে হয়েছিল তাকে। খাদ্যাভাস পরিবর্তনের পর সেসমস্যা কেটে গেছে। ম্যাচ চলার সময় বমি হওয়ার সমস্যায় লম্বা সময় ধরে ভুগেছেন মেসি। ৩০ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড ২০১৪ সালে বুখারেস্টে রুমানিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ চলার সময় একই কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরে বলেছিলেন, এ সমস্যার মুখোমুখি তাকে সবসময় হতে হয়। গত বছর বলিভিয়ার বিপক্ষে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচু লা পাজে খেলতে গিয়েও একই সমস্যায় পড়েছিলেন মেসি।

ইতালির এক চিকিৎসক ২০১৫ সালে দাবি করেন, তার চিকিৎসায় মেসির সমস্যার সমাধান হয়। তবে টিভি লা কর্নিসাকে পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী তারকা জানান, অস্বাস্থ্যকর পানীয় ও ø্যাকজাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ করার পর সমস্যা কেটেছে তার। ‘জানি না আমি কি খাচ্ছিলাম। ২২-২৩ বছর বয়সে চকলেট, ফিজি ড্রিংকস খেতাম। এখন ভালো খাবার খাই। যেমন মাছ, মাংস, সবজি, সালাদ। খাদ্যাভাস বদলানোর পর আর বমি হয়নি।’

২০১২ সালে প্রথম বাবা হওয়ার পর ব্যর্থতা ও সমালোচনা নিয়ে নিজের মনোভাব বদলেছে বলেও জানান মেসি। থিয়াগো, মাতেও ও চিরোÑ তিন ছেলের বাবা মনে করেন, ফুটবল ছাড়া ভাবার মতো অনেক কিছু আছে। ‘সবকিছু ভুলে থাকার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে বাচ্চা-স্ত্রী-পরিবারের সঙ্গে থাকা। বাকি সব গৌণ। আমি হারতে বা ড্র করতে পছন্দ করি না কিন্তু আপনি সবসময় জিততে পারবেন না। চমক থাকবে।’ ওয়েবসাইট।