ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন করে হাসপাতালে স্ত্রী সংসদে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, জামায়াত আমির বললেন, ছোটদের ‘না’ বলতে নেই অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা : এনবিআর চেয়ারম্যান ৪ ঘণ্টা পর জামিন পেলেন বাচ্চাসহ কারাগারে পাঠানো সেই মহিলা লীগ নেত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর আমাকে সংরক্ষিত নারী আসনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল: তাসনিম জারা ইসরায়েলের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশীদারিত্ব চুক্তি স্থগিত চায় তিন দেশ ৫২ দিনে ৪৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার, সংসদে রুমিন ফারহানা

গাজীপুর ও খুলনায় ভোটের তফসিল ৩১ মার্চ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাঁচ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের জন্য আগামী ৩১ মার্চ তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।

সোমবার নির্বাচন কমিশন ভবনে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ।

ইসি সচিব বলেন, ‘যেহেতু গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা আগে হয়েছে তাই এখানের তফসিল আগে হবে।’

আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে জুনের আগেই পাঁচ নগরে ভোট করতে চায় নির্বাচন কমিশন। চলতি বছরেই এসব সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হবে।

২০১৩ সালের ১৫ জুন একসঙ্গে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন এবং ৭ জুলাই গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হয়েছিল। তবে ভোটের পর একেকটি সিটি করপোরেশন একেকদিন প্রথম বৈঠকে বসেছে আর ওই বৈঠক থেকেই করপোরেশনের মেয়াদ শুরু হয়।

এই পাঁচ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে ৪ সেপ্টেম্বর, সিলেটের ৮ অক্টোবর, খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর ও বরিশালের ২৩ অক্টোবর।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যে কোনো সময় ভোট করতে হবে।

এই হিসাবে গত ৮ মার্চ গাজীপুর এবং ১৩ মার্চ সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হয়ে গেছে। অন্য করপোরেশনগুলোর মধ্যে খুলনায় ৩০ মার্চ, রাজশাহীতে ৯ এপ্রিল এবং বরিশালে ২৭ এপ্রিল থেকে ক্ষণগণনা শুরু হবে।

সম্প্রতি এই পাঁচ সিটি করপোরেশনে ভোট করতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, ভোটে সরকারের আপত্তি নেই। তবে ভোট নিয়ে কোনো জটিলতা আছে কি না, আইনি সমস্যা আছে কি না, সে বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চেয়েছেন তারা। এই প্রতিবেদন পেলেই নির্বাচন কমিশনকে জবাব দেয়া হবে।

ভোট কবে হবে তা জানতে চাইলে সচিব বলেন, এ ব্যাপারে পরবর্তীতে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত

গাজীপুর ও খুলনায় ভোটের তফসিল ৩১ মার্চ

আপডেট সময় ০৮:৩১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাঁচ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের জন্য আগামী ৩১ মার্চ তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।

সোমবার নির্বাচন কমিশন ভবনে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ।

ইসি সচিব বলেন, ‘যেহেতু গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা আগে হয়েছে তাই এখানের তফসিল আগে হবে।’

আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে জুনের আগেই পাঁচ নগরে ভোট করতে চায় নির্বাচন কমিশন। চলতি বছরেই এসব সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হবে।

২০১৩ সালের ১৫ জুন একসঙ্গে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন এবং ৭ জুলাই গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হয়েছিল। তবে ভোটের পর একেকটি সিটি করপোরেশন একেকদিন প্রথম বৈঠকে বসেছে আর ওই বৈঠক থেকেই করপোরেশনের মেয়াদ শুরু হয়।

এই পাঁচ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে ৪ সেপ্টেম্বর, সিলেটের ৮ অক্টোবর, খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর ও বরিশালের ২৩ অক্টোবর।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যে কোনো সময় ভোট করতে হবে।

এই হিসাবে গত ৮ মার্চ গাজীপুর এবং ১৩ মার্চ সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হয়ে গেছে। অন্য করপোরেশনগুলোর মধ্যে খুলনায় ৩০ মার্চ, রাজশাহীতে ৯ এপ্রিল এবং বরিশালে ২৭ এপ্রিল থেকে ক্ষণগণনা শুরু হবে।

সম্প্রতি এই পাঁচ সিটি করপোরেশনে ভোট করতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, ভোটে সরকারের আপত্তি নেই। তবে ভোট নিয়ে কোনো জটিলতা আছে কি না, আইনি সমস্যা আছে কি না, সে বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চেয়েছেন তারা। এই প্রতিবেদন পেলেই নির্বাচন কমিশনকে জবাব দেয়া হবে।

ভোট কবে হবে তা জানতে চাইলে সচিব বলেন, এ ব্যাপারে পরবর্তীতে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।