ঢাকা ১২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

গাজীপুর ও খুলনায় ভোটের তফসিল ৩১ মার্চ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাঁচ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের জন্য আগামী ৩১ মার্চ তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।

সোমবার নির্বাচন কমিশন ভবনে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ।

ইসি সচিব বলেন, ‘যেহেতু গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা আগে হয়েছে তাই এখানের তফসিল আগে হবে।’

আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে জুনের আগেই পাঁচ নগরে ভোট করতে চায় নির্বাচন কমিশন। চলতি বছরেই এসব সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হবে।

২০১৩ সালের ১৫ জুন একসঙ্গে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন এবং ৭ জুলাই গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হয়েছিল। তবে ভোটের পর একেকটি সিটি করপোরেশন একেকদিন প্রথম বৈঠকে বসেছে আর ওই বৈঠক থেকেই করপোরেশনের মেয়াদ শুরু হয়।

এই পাঁচ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে ৪ সেপ্টেম্বর, সিলেটের ৮ অক্টোবর, খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর ও বরিশালের ২৩ অক্টোবর।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যে কোনো সময় ভোট করতে হবে।

এই হিসাবে গত ৮ মার্চ গাজীপুর এবং ১৩ মার্চ সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হয়ে গেছে। অন্য করপোরেশনগুলোর মধ্যে খুলনায় ৩০ মার্চ, রাজশাহীতে ৯ এপ্রিল এবং বরিশালে ২৭ এপ্রিল থেকে ক্ষণগণনা শুরু হবে।

সম্প্রতি এই পাঁচ সিটি করপোরেশনে ভোট করতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, ভোটে সরকারের আপত্তি নেই। তবে ভোট নিয়ে কোনো জটিলতা আছে কি না, আইনি সমস্যা আছে কি না, সে বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চেয়েছেন তারা। এই প্রতিবেদন পেলেই নির্বাচন কমিশনকে জবাব দেয়া হবে।

ভোট কবে হবে তা জানতে চাইলে সচিব বলেন, এ ব্যাপারে পরবর্তীতে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

গাজীপুর ও খুলনায় ভোটের তফসিল ৩১ মার্চ

আপডেট সময় ০৮:৩১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাঁচ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের জন্য আগামী ৩১ মার্চ তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।

সোমবার নির্বাচন কমিশন ভবনে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ।

ইসি সচিব বলেন, ‘যেহেতু গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা আগে হয়েছে তাই এখানের তফসিল আগে হবে।’

আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে জুনের আগেই পাঁচ নগরে ভোট করতে চায় নির্বাচন কমিশন। চলতি বছরেই এসব সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হবে।

২০১৩ সালের ১৫ জুন একসঙ্গে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন এবং ৭ জুলাই গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হয়েছিল। তবে ভোটের পর একেকটি সিটি করপোরেশন একেকদিন প্রথম বৈঠকে বসেছে আর ওই বৈঠক থেকেই করপোরেশনের মেয়াদ শুরু হয়।

এই পাঁচ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে ৪ সেপ্টেম্বর, সিলেটের ৮ অক্টোবর, খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর ও বরিশালের ২৩ অক্টোবর।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যে কোনো সময় ভোট করতে হবে।

এই হিসাবে গত ৮ মার্চ গাজীপুর এবং ১৩ মার্চ সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হয়ে গেছে। অন্য করপোরেশনগুলোর মধ্যে খুলনায় ৩০ মার্চ, রাজশাহীতে ৯ এপ্রিল এবং বরিশালে ২৭ এপ্রিল থেকে ক্ষণগণনা শুরু হবে।

সম্প্রতি এই পাঁচ সিটি করপোরেশনে ভোট করতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, ভোটে সরকারের আপত্তি নেই। তবে ভোট নিয়ে কোনো জটিলতা আছে কি না, আইনি সমস্যা আছে কি না, সে বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চেয়েছেন তারা। এই প্রতিবেদন পেলেই নির্বাচন কমিশনকে জবাব দেয়া হবে।

ভোট কবে হবে তা জানতে চাইলে সচিব বলেন, এ ব্যাপারে পরবর্তীতে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।