ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা বলতে বাংলাদেশে কিছু নেই: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নববর্ষ উদযাপনে কোনো হুমকি নেই : র‍্যাব ডিজি পহেলা বৈশাখে শাহবাগ মেট্রো স্টেশন ১২টা পর্যন্ত, ঢাবি স্টেশন সারাদিন বন্ধ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর সিইও’র সাক্ষাৎ অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম নারী সেনাপ্রধান ভাঙ্গায় বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩৫ ডা. কামরুলের হাসপাতালে চাঁদা দাবি: মূলহোতা মঈনসহ গ্রেফতার ৭ লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা নেতানিয়াহুর সব ঠিক ছিল, মাত্র এক ইঞ্চি দূরে, তবুও ভেঙে গেল চুক্তি: আরাগচির বিস্ফোরক দাবি চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প

বেসরকারি মেডিকেলের শিক্ষার মানে নজর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার মানের দিকে নজর দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের প্রাইভেট সেক্টর এগিয়ে আসছে। সেখানেও তারা মেডিকেল কলেজ করছে। তবে সেখানে আমি বলব, আরেকটু নজর দেয়ার দরকার যে, তাদের শিক্ষার মানটা ঠিকমতো আছে কিনা।

রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে রোববার সকালে চিকিৎসক ও নার্সদের একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন (বিএসসিসিএম) এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্রিটিক্যাল কেয়ার নার্সিংয়ের যৌথ উদ্যোগে ১০ দিনব্যাপী তৃতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন (ক্রিটিকন-থ্রি) উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দেশের খ্যাতিমান চিকিৎসকদের বই লেখার তাগিদ দিয়ে বলেন, আমাদের ভালো ভালো ডাক্তাররা এত নামকরা হয়ে যান, কিন্তু বই লেখেন না। লেখাটেখা একটু কম হচ্ছে। মেডিকেল সায়েন্স অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। আর এই বই এত দামি। কারও পক্ষে তো এভাবে কেনা সম্ভব না।

প্রত্যেক মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পাঠাগারের একান্ত প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে এ জন্য চিকিৎসকদের পেশাজীবী সংগঠনগুলোকে ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাদের কিন্তু ডাক্তারের অভাব। একজন ডাক্তারকে এত রোগী দেখতে হয় যে, এটি আসলে মানুষের পক্ষে সম্ভব কিনা। রোগীর আসলে মুখের কথায় অর্ধেক রোগ ভালো হয়ে যেতে পারে; এটি হল বাস্তব কথা… তাদের ভেতরে একটি কনফিডেন্স এনে দেওয়া।

সেবিকাদের মর্যাদা দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করার কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমি চাই- আমাদের নার্সিংটাও যে একটা মর্যাদাপূর্ণ পেশা… মানে, মানবতার সেবামূলক পেশা; এই জিনিসটি যেন মানুষের মধ্যে উপলব্ধি হয়। আমাদের দেশে তো অনেক সময় নিচু চোখেই দেখা হতো। অথচ পৃথিবীতে নার্সিংটা অনেক বেশি মর্যাদা পায়।

জটিল রোগীদের সেবা দিতে চিকিৎসকদের আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। আত্মীয়স্বজন, রাজনীতিবিদ ও সংবাদকর্মীদের জন্য আইসিইউয়ে থাকা রোগীদের সেবায় যাতে বিঘ্ন না ঘটে সে বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিএসসিসিএমের সভাপতি ইউএইচ সাহেরা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যসচিব এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছাড়াও এই সংগঠনের মহাসচিব এএসএফ আরিফ আহসান বক্তব্য দেন।

স্বাগত বক্তব্য দেন ক্রিটিকন থ্রির সভাপতি মির্জা নাজিমউদ্দিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা বলতে বাংলাদেশে কিছু নেই: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

বেসরকারি মেডিকেলের শিক্ষার মানে নজর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১৩:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার মানের দিকে নজর দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের প্রাইভেট সেক্টর এগিয়ে আসছে। সেখানেও তারা মেডিকেল কলেজ করছে। তবে সেখানে আমি বলব, আরেকটু নজর দেয়ার দরকার যে, তাদের শিক্ষার মানটা ঠিকমতো আছে কিনা।

রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে রোববার সকালে চিকিৎসক ও নার্সদের একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন (বিএসসিসিএম) এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্রিটিক্যাল কেয়ার নার্সিংয়ের যৌথ উদ্যোগে ১০ দিনব্যাপী তৃতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন (ক্রিটিকন-থ্রি) উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দেশের খ্যাতিমান চিকিৎসকদের বই লেখার তাগিদ দিয়ে বলেন, আমাদের ভালো ভালো ডাক্তাররা এত নামকরা হয়ে যান, কিন্তু বই লেখেন না। লেখাটেখা একটু কম হচ্ছে। মেডিকেল সায়েন্স অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। আর এই বই এত দামি। কারও পক্ষে তো এভাবে কেনা সম্ভব না।

প্রত্যেক মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পাঠাগারের একান্ত প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে এ জন্য চিকিৎসকদের পেশাজীবী সংগঠনগুলোকে ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাদের কিন্তু ডাক্তারের অভাব। একজন ডাক্তারকে এত রোগী দেখতে হয় যে, এটি আসলে মানুষের পক্ষে সম্ভব কিনা। রোগীর আসলে মুখের কথায় অর্ধেক রোগ ভালো হয়ে যেতে পারে; এটি হল বাস্তব কথা… তাদের ভেতরে একটি কনফিডেন্স এনে দেওয়া।

সেবিকাদের মর্যাদা দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করার কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমি চাই- আমাদের নার্সিংটাও যে একটা মর্যাদাপূর্ণ পেশা… মানে, মানবতার সেবামূলক পেশা; এই জিনিসটি যেন মানুষের মধ্যে উপলব্ধি হয়। আমাদের দেশে তো অনেক সময় নিচু চোখেই দেখা হতো। অথচ পৃথিবীতে নার্সিংটা অনেক বেশি মর্যাদা পায়।

জটিল রোগীদের সেবা দিতে চিকিৎসকদের আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। আত্মীয়স্বজন, রাজনীতিবিদ ও সংবাদকর্মীদের জন্য আইসিইউয়ে থাকা রোগীদের সেবায় যাতে বিঘ্ন না ঘটে সে বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিএসসিসিএমের সভাপতি ইউএইচ সাহেরা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যসচিব এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছাড়াও এই সংগঠনের মহাসচিব এএসএফ আরিফ আহসান বক্তব্য দেন।

স্বাগত বক্তব্য দেন ক্রিটিকন থ্রির সভাপতি মির্জা নাজিমউদ্দিন।