ঢাকা ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত পরিকল্পিতভাবে উত্তরাঞ্চলে বড় উন্নয়ন বাজেট কমানো হয়েছে: নাহিদ ইসলাম আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করুন,সরকারকে গোলাম পরওয়ার হাসিনার আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই, আসলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকার দলীয় এমপিরা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন আদেশ লঙ্ঘন করেছেন: আইনজীবী শিশির জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

কুমিল্লার মামলার ওকালতনামায় খালেদা জিয়ার স্বাক্ষর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গাড়িতে পেট্রলবোমা মেরে ৮ জন হত্যা মামলায় জামিন নিতে ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর কারাবন্দি খালেদা জিয়া ওই ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া দৈনিক আকাশকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, কুমিল্লার মামলার ওকালতনামায় স্বাক্ষর নেয়ার জন্যই কারাগারে গিয়েছিলাম। ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেছেন। কুমিল্লার আইনজীবীরাই ওই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি করবেন। তবে তাদের সার্বিক সহায়তা আমরা করব।

এ মামলায় আগামী ২৮ মার্চ খালেদা জিয়াকে কুমিল্লার ৫ নম্বর আমলী আদালতে হাজির করতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি রয়েছে। এ মামলায় জামিন না নিলে খালেদা জিয়ার কারামুক্তির সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল। চলতি মাসের ১২ মার্চ খালেদা জিয়াকে কুমিল্লার আদালতে গ্রেফতারের বিষয়ে আবেদন করেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লার আদালত খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি রাত ৩টার দিকে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি বাস কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুর এলাকায় আসামাত্র দুর্বৃত্তরা পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে। এতে ঘটনাস্থলে সাতজন ও হাসপাতালে নেয়ার দুদিন পর আরও একজনসহ মোট আটজন মারা যান ও ২৭ জন আহত হন। এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার বাদী হয়ে দধির ৩০২/৩৪ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৬ মার্চ কুমিল্লার আদালতে ওই মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়। চার্জশিটে খালেদা জিয়াসহ ৭৮ জনকে আসামি করা হয়। চার্জশিট আমলে গ্রহণের সময় আদালতে খালেদ জিয়া অনুপস্থিত থাকলে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত

কুমিল্লার মামলার ওকালতনামায় খালেদা জিয়ার স্বাক্ষর

আপডেট সময় ১১:১৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গাড়িতে পেট্রলবোমা মেরে ৮ জন হত্যা মামলায় জামিন নিতে ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর কারাবন্দি খালেদা জিয়া ওই ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া দৈনিক আকাশকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, কুমিল্লার মামলার ওকালতনামায় স্বাক্ষর নেয়ার জন্যই কারাগারে গিয়েছিলাম। ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেছেন। কুমিল্লার আইনজীবীরাই ওই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি করবেন। তবে তাদের সার্বিক সহায়তা আমরা করব।

এ মামলায় আগামী ২৮ মার্চ খালেদা জিয়াকে কুমিল্লার ৫ নম্বর আমলী আদালতে হাজির করতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি রয়েছে। এ মামলায় জামিন না নিলে খালেদা জিয়ার কারামুক্তির সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল। চলতি মাসের ১২ মার্চ খালেদা জিয়াকে কুমিল্লার আদালতে গ্রেফতারের বিষয়ে আবেদন করেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লার আদালত খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি রাত ৩টার দিকে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি বাস কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুর এলাকায় আসামাত্র দুর্বৃত্তরা পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে। এতে ঘটনাস্থলে সাতজন ও হাসপাতালে নেয়ার দুদিন পর আরও একজনসহ মোট আটজন মারা যান ও ২৭ জন আহত হন। এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার বাদী হয়ে দধির ৩০২/৩৪ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৬ মার্চ কুমিল্লার আদালতে ওই মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়। চার্জশিটে খালেদা জিয়াসহ ৭৮ জনকে আসামি করা হয়। চার্জশিট আমলে গ্রহণের সময় আদালতে খালেদ জিয়া অনুপস্থিত থাকলে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।