ঢাকা ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

সুন্দরের সমারোহ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট কাউয়ারদ্বিয়া

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঘুরে আসতে পারেন প্রাকৃতিক রহস্যেঘেরা চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী কাউয়ারদ্বিয়া। উপভোগ করতে পারেন বানরের চিৎকার-চেঁচামেচি, হরেক পাখির দল, গাছের সঙ্গে পেঁচিয়ে থাকা সাফ, কাক ও কানাবগির ডাক। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ, অর্ধশতাধিক প্রজাতির পাখি, ১০ প্রজাতির সরীসৃপ, ৪ প্রজাতির বন্য প্রাণি ও ৩ প্রজাতির চিংড়িসহ ২০ প্রজাতির মাছ।

কাউয়ারদ্বিয়ার এসব নয়নকাড়া দৃশ্যের কারণেই বর্তমানে পর্যটকরা আকৃষ্ট হচ্ছে সেখানে যেতে। বর্তমানে কাউয়ারদ্বিয়ায় পর্যটকদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বাস্তবেই ঘুরে আসতে পারেন প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট কাউয়ারদ্বিয়া থেকে। কাউয়ারদ্বিয়া ভ্রমণের সবচে উত্তম সময় হলো ডিসেম্বর মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

কাউয়ারদ্বিয়ায় মন কাড়ে সবুজের সমরোহ। দখিনা বাতাসে দেহ-মন শীতল করা, রাতের গায়ে জোনাকির আলোয় আর তটিনীর মৃদু ছন্দে কাব্যিক আবেশে মানসিক প্রশান্তির এক অবারিত দুয়ার। যেদিকে তাকানো যায় সেদিকেই যেনো সুন্দরের সমরোহ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর নৈসর্গিক লীলাভূমি অফুরন্ত সম্পদের চারণভূমি কাউয়ারদ্বিয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে তালিকায় নিঃসন্দেহে সেরা বলা যাবে।

সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১ হাজার বর্গমাইল জুড়ে বিস্তৃত কাউয়ারদ্বিয়ার দু’পাশে রয়েছে নদ-নদি। সেখানে ২০ প্রজাতির মাছ, ৩ প্রজাতির চিংড়ি, ৪ প্রজাতির কাঁকড়া পাওয়া যায়। তাছাড়া ৪ প্রজাতির বন্যপ্রাণি ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালায় শোভিত কাউয়ারদ্বিয়া। সেখানে রয়েছে বেশ কিছু মনোমুগ্ধকর জায়গা।

এখানে রয়েছে কক্সবাজার নিরিবিলি গ্রুপের সুন্দর অফিস, হ্যাচারী, মিঠাপানির পুকুর ও পুকুরপাড়ে রয়েছে সারি সারি নারিকেল-খেজুর গাছ। ঘুরে দেখতে পারেন কাউয়ারদ্বিয়ার ভেতরটি। যেখানে দেখতে পাবেন ম্যানগ্রোভের সারি। তবে বেশিরভাগ ভ্রমণই হয় কাউয়ারদ্বিয়া-টটটকি ঘোনা সংযোগ ব্রীজ পর্যন্ত। যেতে চাইলে সদর উপজেলার ইসলামপুর থেকে বোট যোগে নতুবা চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী বাজার থেকে রিকশা হয়ে লালগোলা ব্রিজে যেতে হবে। এছাড়া কক্সবাজার থেকে ট্রলার বা স্প্রিডবোট যোগেও যাওয়া ছাড়া এখানে যাওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

সুন্দরের সমারোহ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট কাউয়ারদ্বিয়া

আপডেট সময় ০১:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঘুরে আসতে পারেন প্রাকৃতিক রহস্যেঘেরা চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী কাউয়ারদ্বিয়া। উপভোগ করতে পারেন বানরের চিৎকার-চেঁচামেচি, হরেক পাখির দল, গাছের সঙ্গে পেঁচিয়ে থাকা সাফ, কাক ও কানাবগির ডাক। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ, অর্ধশতাধিক প্রজাতির পাখি, ১০ প্রজাতির সরীসৃপ, ৪ প্রজাতির বন্য প্রাণি ও ৩ প্রজাতির চিংড়িসহ ২০ প্রজাতির মাছ।

কাউয়ারদ্বিয়ার এসব নয়নকাড়া দৃশ্যের কারণেই বর্তমানে পর্যটকরা আকৃষ্ট হচ্ছে সেখানে যেতে। বর্তমানে কাউয়ারদ্বিয়ায় পর্যটকদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বাস্তবেই ঘুরে আসতে পারেন প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট কাউয়ারদ্বিয়া থেকে। কাউয়ারদ্বিয়া ভ্রমণের সবচে উত্তম সময় হলো ডিসেম্বর মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

কাউয়ারদ্বিয়ায় মন কাড়ে সবুজের সমরোহ। দখিনা বাতাসে দেহ-মন শীতল করা, রাতের গায়ে জোনাকির আলোয় আর তটিনীর মৃদু ছন্দে কাব্যিক আবেশে মানসিক প্রশান্তির এক অবারিত দুয়ার। যেদিকে তাকানো যায় সেদিকেই যেনো সুন্দরের সমরোহ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর নৈসর্গিক লীলাভূমি অফুরন্ত সম্পদের চারণভূমি কাউয়ারদ্বিয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে তালিকায় নিঃসন্দেহে সেরা বলা যাবে।

সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১ হাজার বর্গমাইল জুড়ে বিস্তৃত কাউয়ারদ্বিয়ার দু’পাশে রয়েছে নদ-নদি। সেখানে ২০ প্রজাতির মাছ, ৩ প্রজাতির চিংড়ি, ৪ প্রজাতির কাঁকড়া পাওয়া যায়। তাছাড়া ৪ প্রজাতির বন্যপ্রাণি ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালায় শোভিত কাউয়ারদ্বিয়া। সেখানে রয়েছে বেশ কিছু মনোমুগ্ধকর জায়গা।

এখানে রয়েছে কক্সবাজার নিরিবিলি গ্রুপের সুন্দর অফিস, হ্যাচারী, মিঠাপানির পুকুর ও পুকুরপাড়ে রয়েছে সারি সারি নারিকেল-খেজুর গাছ। ঘুরে দেখতে পারেন কাউয়ারদ্বিয়ার ভেতরটি। যেখানে দেখতে পাবেন ম্যানগ্রোভের সারি। তবে বেশিরভাগ ভ্রমণই হয় কাউয়ারদ্বিয়া-টটটকি ঘোনা সংযোগ ব্রীজ পর্যন্ত। যেতে চাইলে সদর উপজেলার ইসলামপুর থেকে বোট যোগে নতুবা চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী বাজার থেকে রিকশা হয়ে লালগোলা ব্রিজে যেতে হবে। এছাড়া কক্সবাজার থেকে ট্রলার বা স্প্রিডবোট যোগেও যাওয়া ছাড়া এখানে যাওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই।