ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সুন্দরের সমারোহ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট কাউয়ারদ্বিয়া

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঘুরে আসতে পারেন প্রাকৃতিক রহস্যেঘেরা চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী কাউয়ারদ্বিয়া। উপভোগ করতে পারেন বানরের চিৎকার-চেঁচামেচি, হরেক পাখির দল, গাছের সঙ্গে পেঁচিয়ে থাকা সাফ, কাক ও কানাবগির ডাক। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ, অর্ধশতাধিক প্রজাতির পাখি, ১০ প্রজাতির সরীসৃপ, ৪ প্রজাতির বন্য প্রাণি ও ৩ প্রজাতির চিংড়িসহ ২০ প্রজাতির মাছ।

কাউয়ারদ্বিয়ার এসব নয়নকাড়া দৃশ্যের কারণেই বর্তমানে পর্যটকরা আকৃষ্ট হচ্ছে সেখানে যেতে। বর্তমানে কাউয়ারদ্বিয়ায় পর্যটকদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বাস্তবেই ঘুরে আসতে পারেন প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট কাউয়ারদ্বিয়া থেকে। কাউয়ারদ্বিয়া ভ্রমণের সবচে উত্তম সময় হলো ডিসেম্বর মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

কাউয়ারদ্বিয়ায় মন কাড়ে সবুজের সমরোহ। দখিনা বাতাসে দেহ-মন শীতল করা, রাতের গায়ে জোনাকির আলোয় আর তটিনীর মৃদু ছন্দে কাব্যিক আবেশে মানসিক প্রশান্তির এক অবারিত দুয়ার। যেদিকে তাকানো যায় সেদিকেই যেনো সুন্দরের সমরোহ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর নৈসর্গিক লীলাভূমি অফুরন্ত সম্পদের চারণভূমি কাউয়ারদ্বিয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে তালিকায় নিঃসন্দেহে সেরা বলা যাবে।

সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১ হাজার বর্গমাইল জুড়ে বিস্তৃত কাউয়ারদ্বিয়ার দু’পাশে রয়েছে নদ-নদি। সেখানে ২০ প্রজাতির মাছ, ৩ প্রজাতির চিংড়ি, ৪ প্রজাতির কাঁকড়া পাওয়া যায়। তাছাড়া ৪ প্রজাতির বন্যপ্রাণি ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালায় শোভিত কাউয়ারদ্বিয়া। সেখানে রয়েছে বেশ কিছু মনোমুগ্ধকর জায়গা।

এখানে রয়েছে কক্সবাজার নিরিবিলি গ্রুপের সুন্দর অফিস, হ্যাচারী, মিঠাপানির পুকুর ও পুকুরপাড়ে রয়েছে সারি সারি নারিকেল-খেজুর গাছ। ঘুরে দেখতে পারেন কাউয়ারদ্বিয়ার ভেতরটি। যেখানে দেখতে পাবেন ম্যানগ্রোভের সারি। তবে বেশিরভাগ ভ্রমণই হয় কাউয়ারদ্বিয়া-টটটকি ঘোনা সংযোগ ব্রীজ পর্যন্ত। যেতে চাইলে সদর উপজেলার ইসলামপুর থেকে বোট যোগে নতুবা চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী বাজার থেকে রিকশা হয়ে লালগোলা ব্রিজে যেতে হবে। এছাড়া কক্সবাজার থেকে ট্রলার বা স্প্রিডবোট যোগেও যাওয়া ছাড়া এখানে যাওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সুন্দরের সমারোহ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট কাউয়ারদ্বিয়া

আপডেট সময় ০১:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঘুরে আসতে পারেন প্রাকৃতিক রহস্যেঘেরা চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী কাউয়ারদ্বিয়া। উপভোগ করতে পারেন বানরের চিৎকার-চেঁচামেচি, হরেক পাখির দল, গাছের সঙ্গে পেঁচিয়ে থাকা সাফ, কাক ও কানাবগির ডাক। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ, অর্ধশতাধিক প্রজাতির পাখি, ১০ প্রজাতির সরীসৃপ, ৪ প্রজাতির বন্য প্রাণি ও ৩ প্রজাতির চিংড়িসহ ২০ প্রজাতির মাছ।

কাউয়ারদ্বিয়ার এসব নয়নকাড়া দৃশ্যের কারণেই বর্তমানে পর্যটকরা আকৃষ্ট হচ্ছে সেখানে যেতে। বর্তমানে কাউয়ারদ্বিয়ায় পর্যটকদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বাস্তবেই ঘুরে আসতে পারেন প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট কাউয়ারদ্বিয়া থেকে। কাউয়ারদ্বিয়া ভ্রমণের সবচে উত্তম সময় হলো ডিসেম্বর মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

কাউয়ারদ্বিয়ায় মন কাড়ে সবুজের সমরোহ। দখিনা বাতাসে দেহ-মন শীতল করা, রাতের গায়ে জোনাকির আলোয় আর তটিনীর মৃদু ছন্দে কাব্যিক আবেশে মানসিক প্রশান্তির এক অবারিত দুয়ার। যেদিকে তাকানো যায় সেদিকেই যেনো সুন্দরের সমরোহ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর নৈসর্গিক লীলাভূমি অফুরন্ত সম্পদের চারণভূমি কাউয়ারদ্বিয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে তালিকায় নিঃসন্দেহে সেরা বলা যাবে।

সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১ হাজার বর্গমাইল জুড়ে বিস্তৃত কাউয়ারদ্বিয়ার দু’পাশে রয়েছে নদ-নদি। সেখানে ২০ প্রজাতির মাছ, ৩ প্রজাতির চিংড়ি, ৪ প্রজাতির কাঁকড়া পাওয়া যায়। তাছাড়া ৪ প্রজাতির বন্যপ্রাণি ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালায় শোভিত কাউয়ারদ্বিয়া। সেখানে রয়েছে বেশ কিছু মনোমুগ্ধকর জায়গা।

এখানে রয়েছে কক্সবাজার নিরিবিলি গ্রুপের সুন্দর অফিস, হ্যাচারী, মিঠাপানির পুকুর ও পুকুরপাড়ে রয়েছে সারি সারি নারিকেল-খেজুর গাছ। ঘুরে দেখতে পারেন কাউয়ারদ্বিয়ার ভেতরটি। যেখানে দেখতে পাবেন ম্যানগ্রোভের সারি। তবে বেশিরভাগ ভ্রমণই হয় কাউয়ারদ্বিয়া-টটটকি ঘোনা সংযোগ ব্রীজ পর্যন্ত। যেতে চাইলে সদর উপজেলার ইসলামপুর থেকে বোট যোগে নতুবা চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী বাজার থেকে রিকশা হয়ে লালগোলা ব্রিজে যেতে হবে। এছাড়া কক্সবাজার থেকে ট্রলার বা স্প্রিডবোট যোগেও যাওয়া ছাড়া এখানে যাওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই।