ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাড়ছে না স্মার্টফোন ব্যবহার

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

দেশে স্মার্টফোনের ব্যবহার খুব একটা বাড়ছে না। সাম্প্রতিক সময়ে আমদানির পরিসংখ্যান তেমনটাই বলছে। অথচ বাস্তবতা কি তা-ই, এমন প্রশ্ন সংশ্লিষ্টদের। ২০১৬ সালে বৈধ পথে দেশে স্মার্টফোন আমদানি হয়েছিল ৮০ লাখ ৪৪ হাজার। ২০১৭ সালে এর পরিমাণ ছিল ৮০ লাখ ৯৯ হাজার। সে হিসাবে এক বছরে দেশে স্মার্টফোনের ব্যবহার বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ১৯ শতাংশ।

অথচ ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে স্মার্টফোন আমদানিতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩৭ শতাংশের বেশি। ২০১৫ সালে ৫৮ লাখ ৩৬ হাজার স্মার্টফোন আমদানি হয়েছিল। স্মার্টফোন আমদানিতে সরকার গত বাজেটে শুল্ক বাড়ানোর কারণে অবৈধ পথে আসা হ্যান্ডসেটকেও অনেকে এর বড় কারণ হিসেবে দেখছেন। আমদানিকারকরা এর দোষ চাপিয়েছেন মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর ওপর। তারা বলছেন, থ্রিজির নেটওয়ার্কে খুব একটা উন্নতি না হওয়ার কারণেই স্মার্টফোনের সংখ্যা আগের চেয়ে বাড়েনি।

অথচ বার ফোন বা বেসিক ফোনের আমদানি কিন্তু ঠিকই বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর সব মিলে ২ কোটি ৬৩ লাখ ৭ হাজার পিস বার ফোন বা বেসিক ফোন আমদানি হয়েছে। এসব ফোনে মূলত কথা বলা ও এসএমএস ছাড়া আর কিছুই করা যায় না।

এক বছর আগেও এ ধরনের ফোন আমদানির পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৩০ লাখ ১৭ হাজার পিস।

আর ২০১৭ সালে সব মিলে বৈধ পথে আমদানি হয়েছে ৩ কোটি ৪৪ লাখ ৭ হাজার। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ১০ লাখ ২২ হাজার। আমদানিকারকদের দাবি, মূলত চলতি বছরের বাজেটে হ্যান্ডসেটের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈধ আমদানিতে। তাদের ধারণা, আগে যেখানে ২০ শতাংশ হ্যান্ডসেট অবৈধ পথে আসত, এখন তা বেড়ে অন্তত ৩০ শতাংশে চলে গেছে। এ কারণে বৈধ পথে আমদানিতে প্রবৃদ্ধি খুবই সামান্য। একই সঙ্গে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে বন্যাও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলেও তারা মনে করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বাড়ছে না স্মার্টফোন ব্যবহার

আপডেট সময় ০৫:৪২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মার্চ ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

দেশে স্মার্টফোনের ব্যবহার খুব একটা বাড়ছে না। সাম্প্রতিক সময়ে আমদানির পরিসংখ্যান তেমনটাই বলছে। অথচ বাস্তবতা কি তা-ই, এমন প্রশ্ন সংশ্লিষ্টদের। ২০১৬ সালে বৈধ পথে দেশে স্মার্টফোন আমদানি হয়েছিল ৮০ লাখ ৪৪ হাজার। ২০১৭ সালে এর পরিমাণ ছিল ৮০ লাখ ৯৯ হাজার। সে হিসাবে এক বছরে দেশে স্মার্টফোনের ব্যবহার বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ১৯ শতাংশ।

অথচ ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে স্মার্টফোন আমদানিতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩৭ শতাংশের বেশি। ২০১৫ সালে ৫৮ লাখ ৩৬ হাজার স্মার্টফোন আমদানি হয়েছিল। স্মার্টফোন আমদানিতে সরকার গত বাজেটে শুল্ক বাড়ানোর কারণে অবৈধ পথে আসা হ্যান্ডসেটকেও অনেকে এর বড় কারণ হিসেবে দেখছেন। আমদানিকারকরা এর দোষ চাপিয়েছেন মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর ওপর। তারা বলছেন, থ্রিজির নেটওয়ার্কে খুব একটা উন্নতি না হওয়ার কারণেই স্মার্টফোনের সংখ্যা আগের চেয়ে বাড়েনি।

অথচ বার ফোন বা বেসিক ফোনের আমদানি কিন্তু ঠিকই বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর সব মিলে ২ কোটি ৬৩ লাখ ৭ হাজার পিস বার ফোন বা বেসিক ফোন আমদানি হয়েছে। এসব ফোনে মূলত কথা বলা ও এসএমএস ছাড়া আর কিছুই করা যায় না।

এক বছর আগেও এ ধরনের ফোন আমদানির পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৩০ লাখ ১৭ হাজার পিস।

আর ২০১৭ সালে সব মিলে বৈধ পথে আমদানি হয়েছে ৩ কোটি ৪৪ লাখ ৭ হাজার। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ১০ লাখ ২২ হাজার। আমদানিকারকদের দাবি, মূলত চলতি বছরের বাজেটে হ্যান্ডসেটের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈধ আমদানিতে। তাদের ধারণা, আগে যেখানে ২০ শতাংশ হ্যান্ডসেট অবৈধ পথে আসত, এখন তা বেড়ে অন্তত ৩০ শতাংশে চলে গেছে। এ কারণে বৈধ পথে আমদানিতে প্রবৃদ্ধি খুবই সামান্য। একই সঙ্গে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে বন্যাও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলেও তারা মনে করছেন।