ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

রক্ত দেয়ার আগে খেয়াল রাখুন যেসব বিষয়

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

রক্তের বন্ধন পৃথিবীতে অনেক দামি।মুমূর্ষু রোগীর জন্য যদি রক্তের প্রয়োজন হয় তখন আপনজন না হলে অনেকে রক্ত দিয়ে থাকেন।রক্ত দেয়ার জন্য প্রয়োজন সেবামূলক মানসিকতা। আজকাল সহজে একজন আরেকজনকে রক্ত দিয়ে থাকে।বিশেষ করে তরুণরা, খুব আগ্রহ নিয়ে অপরিচিতদেরও রক্ত দিয়ে থাকেন।
রক্ত দিলে রক্তদাতার কোনো শারীরিক ক্ষতি হয় না। সুস্থ, সবল, নিরোগ একজন মানুষ প্রতি চার মাস অন্তর রক্ত দিতে পারেন।

রক্তদানের ক্ষেত্রে রক্তদাতার কিছু শারীরিক বিষয় লক্ষ রাখা প্রয়োজন। আসুন জেনে নিই রক্তদানের আগে যেসব বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে।

সুস্থ থাকতে হবে :

রক্তদাতাকে অবশ্যই শারীরিকভাবে সুস্থ হতে হবে।অসুস্থ অবস্থায় কখনো রক্ত দেয়া যাবে না।শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে রক্ত দিলে বিপাকে পড়তে পারেন আপনি।

বয়স ১৮ :

কোনো সুস্থ ব্যক্তি যদি রক্ত দিতে চান, তবে তার বয়স অবশ্যই ১৮ বছর হতে হবে। ১৮ বছরের নিজে কোনো ব্যক্তি রক্তদান করতে পারবেন না।

ওজন ১১০ পাউন্ড :

রক্তদানের আগে রক্তদাতার ওজন ও বয়স যাচাই করে নিতে হবে।কোনো ব্যক্তির ওজন যদি ১১০ পাউন্ডের নিচে হয়, তবে ওই ব্যক্তি রক্ত দিতে পারবেন না।এছাড়া রক্তদাতার রক্তচাপের দিকে লক্ষ রাখা দরকার। খুব বেশি বা খুব কম কোনোটিই রক্তদানের ক্ষেত্রে সহায়ক নয়

পিরিয়ড ও গর্ভাবস্থায় :

কোনো নারী পিরিয়ড চলাকালীন বা গর্ভাবস্থায় রক্তদান করতে পারবেন না। কারণ এই সময় রক্তদান নারীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

অ্যান্টিবায়োটিক সেবন :

অ্যান্টিবায়োটিক সেবনরত অবস্থায় কোনো ব্যক্তি রক্তদান করতে পারবেন না। এছাড়া রক্তদানের কাছাকাছি সময়ে কোনও বড় দুর্ঘটনা বা অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলে রক্তদান না করা বাঞ্ছনীয়রক্তের হিমোগ্লোবিন ১১-এর নিচে হলে রক্ত দেয়া ঠিক নয়। এতে করে হার্টবিট বেড়ে যাওয়া, ক্লান্ত লাগা, চোখে ঝাপসা দেখা, মাথা ঘোরাসহ অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারেন।

রক্তদানের পরে কিছু বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। এক ব্যাগ রক্তদানের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেয়া দরকার। রক্তদানের পর দুই গ্লাস পানি বা জুস খেলে রক্তের জলীয় অংশটুকু পূরণ হয়ে যায়। এরপর পর্যাপ্ত পানি ও জুস পান করতে হবে, সেই সঙ্গে ৮ ঘণ্টা ঘুম। খাবারে কলিজা, বিভিন্ন ধরনের কচু, ডিম, দুধ রাখতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের

রক্ত দেয়ার আগে খেয়াল রাখুন যেসব বিষয়

আপডেট সময় ০৭:১৩:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মার্চ ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

রক্তের বন্ধন পৃথিবীতে অনেক দামি।মুমূর্ষু রোগীর জন্য যদি রক্তের প্রয়োজন হয় তখন আপনজন না হলে অনেকে রক্ত দিয়ে থাকেন।রক্ত দেয়ার জন্য প্রয়োজন সেবামূলক মানসিকতা। আজকাল সহজে একজন আরেকজনকে রক্ত দিয়ে থাকে।বিশেষ করে তরুণরা, খুব আগ্রহ নিয়ে অপরিচিতদেরও রক্ত দিয়ে থাকেন।
রক্ত দিলে রক্তদাতার কোনো শারীরিক ক্ষতি হয় না। সুস্থ, সবল, নিরোগ একজন মানুষ প্রতি চার মাস অন্তর রক্ত দিতে পারেন।

রক্তদানের ক্ষেত্রে রক্তদাতার কিছু শারীরিক বিষয় লক্ষ রাখা প্রয়োজন। আসুন জেনে নিই রক্তদানের আগে যেসব বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে।

সুস্থ থাকতে হবে :

রক্তদাতাকে অবশ্যই শারীরিকভাবে সুস্থ হতে হবে।অসুস্থ অবস্থায় কখনো রক্ত দেয়া যাবে না।শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে রক্ত দিলে বিপাকে পড়তে পারেন আপনি।

বয়স ১৮ :

কোনো সুস্থ ব্যক্তি যদি রক্ত দিতে চান, তবে তার বয়স অবশ্যই ১৮ বছর হতে হবে। ১৮ বছরের নিজে কোনো ব্যক্তি রক্তদান করতে পারবেন না।

ওজন ১১০ পাউন্ড :

রক্তদানের আগে রক্তদাতার ওজন ও বয়স যাচাই করে নিতে হবে।কোনো ব্যক্তির ওজন যদি ১১০ পাউন্ডের নিচে হয়, তবে ওই ব্যক্তি রক্ত দিতে পারবেন না।এছাড়া রক্তদাতার রক্তচাপের দিকে লক্ষ রাখা দরকার। খুব বেশি বা খুব কম কোনোটিই রক্তদানের ক্ষেত্রে সহায়ক নয়

পিরিয়ড ও গর্ভাবস্থায় :

কোনো নারী পিরিয়ড চলাকালীন বা গর্ভাবস্থায় রক্তদান করতে পারবেন না। কারণ এই সময় রক্তদান নারীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

অ্যান্টিবায়োটিক সেবন :

অ্যান্টিবায়োটিক সেবনরত অবস্থায় কোনো ব্যক্তি রক্তদান করতে পারবেন না। এছাড়া রক্তদানের কাছাকাছি সময়ে কোনও বড় দুর্ঘটনা বা অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলে রক্তদান না করা বাঞ্ছনীয়রক্তের হিমোগ্লোবিন ১১-এর নিচে হলে রক্ত দেয়া ঠিক নয়। এতে করে হার্টবিট বেড়ে যাওয়া, ক্লান্ত লাগা, চোখে ঝাপসা দেখা, মাথা ঘোরাসহ অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারেন।

রক্তদানের পরে কিছু বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। এক ব্যাগ রক্তদানের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেয়া দরকার। রক্তদানের পর দুই গ্লাস পানি বা জুস খেলে রক্তের জলীয় অংশটুকু পূরণ হয়ে যায়। এরপর পর্যাপ্ত পানি ও জুস পান করতে হবে, সেই সঙ্গে ৮ ঘণ্টা ঘুম। খাবারে কলিজা, বিভিন্ন ধরনের কচু, ডিম, দুধ রাখতে হবে।