ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম কারচুপির খেলা খেলার স্পর্ধা যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়: রুমিন ফারহানার হুঁশিয়ারি সবকিছুর মালিক আল্লাহ, কেউ কেউ বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: তারেক রহমান একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না : আবুল কালাম

নির্বাচন আগেও ঠেকাতে পারেনি, আগামীতেও পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়া এবং নির্বাচন হতে না দেয়ার হুমকির জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন বিএনপি ২০১৪ সালেও ঠেকাতে পারেনি, এবারও পারবে না। সোমবার গণভবনে ইতালি ও ভ্যাটিকান সিটি সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার পর বিএনপি তাকে ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়ার কথা বলছে। আর খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না বলেও জানিয়ে দিচ্ছেন দলের নেতারা।

বিএনপির এই অবস্থানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখেন সমকাল সম্পাদক গোলাম সরওয়ার। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি না করে কারও কিছু করার নাই। গতবারও করেনি। আমরা জানতাম তারা ইলেকশনে আসবে, কিন্তু তারা আসেনি।’

‘এখন যদি কেউ না আসে কোনো দল, সেখানে আমাদের করার কিছু নাই। …মাল্টিপার্টি সিস্টেম এখানে, বহুদলীয় গণতন্ত্র। কোন দল ইলেকশন করবে, কোন দল করবে না-সেটা সম্পূর্ণ তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। কিন্তু নির্বাচন সময় হতো হবে, জনগণও ভোট দেবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সময় মতো নির্বাচন হবে আমাদের সংবিধানে যেভাবে আছে। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, জনগণের ভোটের অধিকারে বিশ্বাস করে, জনগণের ওপর আস্থা-বিশ্বাস আছে, তারা নির্বাচন করবে, তা কলে এখানে আসলে আমাদের কিছু করার নাই।’

২০১৪ সালের নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপির আন্দোলনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০১৪ সালে এত তাণ্ডব করেও নির্বাচন ঠেকাতে পারেনি, ভবিষ্যতেও ঠেকাতে পারবে না।’

‘কাজেই কেউ যদি বলে নির্বাচন করতে দেব না, এটা হচ্ছে এটা গায়ের জোরের কথা। সেটা বিএনপি বলতে পারে। কেন বলতে পারে? কারণ, তাদের জন্মই তো এভাবে ‘

‘সায়েম সাহেবকে অস্ত্র ঠেকিয়ে সরিয়ে দিয়ে জেনারেল জিয়া হলো গ্রেসিডেন্ট নিজেকে ঘোষণা করে দিল।… আর জিয়াউর রহমান একাধাকে সেনাপ্রধান আবার একাধারে প্রেসিডেন্ট। একই অঙ্গে দুই রূপ। ঠিক ইস্কান্দর মির্জাকে সরিয়ে দিয়ে একাধাকে আইয়ুব খান সেনা প্রধান, একাধারে প্রেসিডেন্ট ‘

‘তারপর হ্যাঁ না ভোট, তারপর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সব করার পর এসে বিএনপি দল করল। তাদের তো চরিত্রটাই ও রকম।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কলেজশিক্ষককে গলা কেটে হত্যা, ক্ষোভে প্রতিবেশীর বাড়িতে জনতার দেওয়া আগুনে বৃদ্ধার মৃত্যু

নির্বাচন আগেও ঠেকাতে পারেনি, আগামীতেও পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৪৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়া এবং নির্বাচন হতে না দেয়ার হুমকির জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন বিএনপি ২০১৪ সালেও ঠেকাতে পারেনি, এবারও পারবে না। সোমবার গণভবনে ইতালি ও ভ্যাটিকান সিটি সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার পর বিএনপি তাকে ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়ার কথা বলছে। আর খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না বলেও জানিয়ে দিচ্ছেন দলের নেতারা।

বিএনপির এই অবস্থানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখেন সমকাল সম্পাদক গোলাম সরওয়ার। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি না করে কারও কিছু করার নাই। গতবারও করেনি। আমরা জানতাম তারা ইলেকশনে আসবে, কিন্তু তারা আসেনি।’

‘এখন যদি কেউ না আসে কোনো দল, সেখানে আমাদের করার কিছু নাই। …মাল্টিপার্টি সিস্টেম এখানে, বহুদলীয় গণতন্ত্র। কোন দল ইলেকশন করবে, কোন দল করবে না-সেটা সম্পূর্ণ তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। কিন্তু নির্বাচন সময় হতো হবে, জনগণও ভোট দেবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সময় মতো নির্বাচন হবে আমাদের সংবিধানে যেভাবে আছে। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, জনগণের ভোটের অধিকারে বিশ্বাস করে, জনগণের ওপর আস্থা-বিশ্বাস আছে, তারা নির্বাচন করবে, তা কলে এখানে আসলে আমাদের কিছু করার নাই।’

২০১৪ সালের নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপির আন্দোলনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০১৪ সালে এত তাণ্ডব করেও নির্বাচন ঠেকাতে পারেনি, ভবিষ্যতেও ঠেকাতে পারবে না।’

‘কাজেই কেউ যদি বলে নির্বাচন করতে দেব না, এটা হচ্ছে এটা গায়ের জোরের কথা। সেটা বিএনপি বলতে পারে। কেন বলতে পারে? কারণ, তাদের জন্মই তো এভাবে ‘

‘সায়েম সাহেবকে অস্ত্র ঠেকিয়ে সরিয়ে দিয়ে জেনারেল জিয়া হলো গ্রেসিডেন্ট নিজেকে ঘোষণা করে দিল।… আর জিয়াউর রহমান একাধাকে সেনাপ্রধান আবার একাধারে প্রেসিডেন্ট। একই অঙ্গে দুই রূপ। ঠিক ইস্কান্দর মির্জাকে সরিয়ে দিয়ে একাধাকে আইয়ুব খান সেনা প্রধান, একাধারে প্রেসিডেন্ট ‘

‘তারপর হ্যাঁ না ভোট, তারপর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সব করার পর এসে বিএনপি দল করল। তাদের তো চরিত্রটাই ও রকম।’