ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নির্বাচন আগেও ঠেকাতে পারেনি, আগামীতেও পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়া এবং নির্বাচন হতে না দেয়ার হুমকির জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন বিএনপি ২০১৪ সালেও ঠেকাতে পারেনি, এবারও পারবে না। সোমবার গণভবনে ইতালি ও ভ্যাটিকান সিটি সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার পর বিএনপি তাকে ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়ার কথা বলছে। আর খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না বলেও জানিয়ে দিচ্ছেন দলের নেতারা।

বিএনপির এই অবস্থানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখেন সমকাল সম্পাদক গোলাম সরওয়ার। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি না করে কারও কিছু করার নাই। গতবারও করেনি। আমরা জানতাম তারা ইলেকশনে আসবে, কিন্তু তারা আসেনি।’

‘এখন যদি কেউ না আসে কোনো দল, সেখানে আমাদের করার কিছু নাই। …মাল্টিপার্টি সিস্টেম এখানে, বহুদলীয় গণতন্ত্র। কোন দল ইলেকশন করবে, কোন দল করবে না-সেটা সম্পূর্ণ তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। কিন্তু নির্বাচন সময় হতো হবে, জনগণও ভোট দেবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সময় মতো নির্বাচন হবে আমাদের সংবিধানে যেভাবে আছে। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, জনগণের ভোটের অধিকারে বিশ্বাস করে, জনগণের ওপর আস্থা-বিশ্বাস আছে, তারা নির্বাচন করবে, তা কলে এখানে আসলে আমাদের কিছু করার নাই।’

২০১৪ সালের নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপির আন্দোলনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০১৪ সালে এত তাণ্ডব করেও নির্বাচন ঠেকাতে পারেনি, ভবিষ্যতেও ঠেকাতে পারবে না।’

‘কাজেই কেউ যদি বলে নির্বাচন করতে দেব না, এটা হচ্ছে এটা গায়ের জোরের কথা। সেটা বিএনপি বলতে পারে। কেন বলতে পারে? কারণ, তাদের জন্মই তো এভাবে ‘

‘সায়েম সাহেবকে অস্ত্র ঠেকিয়ে সরিয়ে দিয়ে জেনারেল জিয়া হলো গ্রেসিডেন্ট নিজেকে ঘোষণা করে দিল।… আর জিয়াউর রহমান একাধাকে সেনাপ্রধান আবার একাধারে প্রেসিডেন্ট। একই অঙ্গে দুই রূপ। ঠিক ইস্কান্দর মির্জাকে সরিয়ে দিয়ে একাধাকে আইয়ুব খান সেনা প্রধান, একাধারে প্রেসিডেন্ট ‘

‘তারপর হ্যাঁ না ভোট, তারপর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সব করার পর এসে বিএনপি দল করল। তাদের তো চরিত্রটাই ও রকম।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নির্বাচন আগেও ঠেকাতে পারেনি, আগামীতেও পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৪৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়া এবং নির্বাচন হতে না দেয়ার হুমকির জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন বিএনপি ২০১৪ সালেও ঠেকাতে পারেনি, এবারও পারবে না। সোমবার গণভবনে ইতালি ও ভ্যাটিকান সিটি সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার পর বিএনপি তাকে ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়ার কথা বলছে। আর খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না বলেও জানিয়ে দিচ্ছেন দলের নেতারা।

বিএনপির এই অবস্থানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখেন সমকাল সম্পাদক গোলাম সরওয়ার। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি না করে কারও কিছু করার নাই। গতবারও করেনি। আমরা জানতাম তারা ইলেকশনে আসবে, কিন্তু তারা আসেনি।’

‘এখন যদি কেউ না আসে কোনো দল, সেখানে আমাদের করার কিছু নাই। …মাল্টিপার্টি সিস্টেম এখানে, বহুদলীয় গণতন্ত্র। কোন দল ইলেকশন করবে, কোন দল করবে না-সেটা সম্পূর্ণ তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। কিন্তু নির্বাচন সময় হতো হবে, জনগণও ভোট দেবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সময় মতো নির্বাচন হবে আমাদের সংবিধানে যেভাবে আছে। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, জনগণের ভোটের অধিকারে বিশ্বাস করে, জনগণের ওপর আস্থা-বিশ্বাস আছে, তারা নির্বাচন করবে, তা কলে এখানে আসলে আমাদের কিছু করার নাই।’

২০১৪ সালের নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপির আন্দোলনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০১৪ সালে এত তাণ্ডব করেও নির্বাচন ঠেকাতে পারেনি, ভবিষ্যতেও ঠেকাতে পারবে না।’

‘কাজেই কেউ যদি বলে নির্বাচন করতে দেব না, এটা হচ্ছে এটা গায়ের জোরের কথা। সেটা বিএনপি বলতে পারে। কেন বলতে পারে? কারণ, তাদের জন্মই তো এভাবে ‘

‘সায়েম সাহেবকে অস্ত্র ঠেকিয়ে সরিয়ে দিয়ে জেনারেল জিয়া হলো গ্রেসিডেন্ট নিজেকে ঘোষণা করে দিল।… আর জিয়াউর রহমান একাধাকে সেনাপ্রধান আবার একাধারে প্রেসিডেন্ট। একই অঙ্গে দুই রূপ। ঠিক ইস্কান্দর মির্জাকে সরিয়ে দিয়ে একাধাকে আইয়ুব খান সেনা প্রধান, একাধারে প্রেসিডেন্ট ‘

‘তারপর হ্যাঁ না ভোট, তারপর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সব করার পর এসে বিএনপি দল করল। তাদের তো চরিত্রটাই ও রকম।’