ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশালে বোমা সদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণে একই পরিবারে দগ্ধ ৩ ৫ আগস্ট ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতার সক্ষমতা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটা আমাদের সবার, পরিবেশও আমাদেরই রক্ষা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বিদেশি ঋণের সুদাসল পরিশোধে গেছে ৪৪৯ কোটি ডলার ধামরাইয়ে স্বামীর মারধরে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু, স্বামী গ্রেপ্তার জুলাই গণহত্যায় জড়িত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিষয়ে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য সরকারি দপ্তরে এআই ব্যবহারে সতর্কতার নির্দেশ প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী শহীদুল্লাহ হলে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্তকে কেন্দ্র করে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ পাকিস্তানে ‘শান্তি সমাবেশ’ চলাকালে বিস্ফোরণ, নিহত ১৩

নির্বাচন আগেও ঠেকাতে পারেনি, আগামীতেও পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়া এবং নির্বাচন হতে না দেয়ার হুমকির জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন বিএনপি ২০১৪ সালেও ঠেকাতে পারেনি, এবারও পারবে না। সোমবার গণভবনে ইতালি ও ভ্যাটিকান সিটি সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার পর বিএনপি তাকে ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়ার কথা বলছে। আর খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না বলেও জানিয়ে দিচ্ছেন দলের নেতারা।

বিএনপির এই অবস্থানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখেন সমকাল সম্পাদক গোলাম সরওয়ার। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি না করে কারও কিছু করার নাই। গতবারও করেনি। আমরা জানতাম তারা ইলেকশনে আসবে, কিন্তু তারা আসেনি।’

‘এখন যদি কেউ না আসে কোনো দল, সেখানে আমাদের করার কিছু নাই। …মাল্টিপার্টি সিস্টেম এখানে, বহুদলীয় গণতন্ত্র। কোন দল ইলেকশন করবে, কোন দল করবে না-সেটা সম্পূর্ণ তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। কিন্তু নির্বাচন সময় হতো হবে, জনগণও ভোট দেবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সময় মতো নির্বাচন হবে আমাদের সংবিধানে যেভাবে আছে। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, জনগণের ভোটের অধিকারে বিশ্বাস করে, জনগণের ওপর আস্থা-বিশ্বাস আছে, তারা নির্বাচন করবে, তা কলে এখানে আসলে আমাদের কিছু করার নাই।’

২০১৪ সালের নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপির আন্দোলনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০১৪ সালে এত তাণ্ডব করেও নির্বাচন ঠেকাতে পারেনি, ভবিষ্যতেও ঠেকাতে পারবে না।’

‘কাজেই কেউ যদি বলে নির্বাচন করতে দেব না, এটা হচ্ছে এটা গায়ের জোরের কথা। সেটা বিএনপি বলতে পারে। কেন বলতে পারে? কারণ, তাদের জন্মই তো এভাবে ‘

‘সায়েম সাহেবকে অস্ত্র ঠেকিয়ে সরিয়ে দিয়ে জেনারেল জিয়া হলো গ্রেসিডেন্ট নিজেকে ঘোষণা করে দিল।… আর জিয়াউর রহমান একাধাকে সেনাপ্রধান আবার একাধারে প্রেসিডেন্ট। একই অঙ্গে দুই রূপ। ঠিক ইস্কান্দর মির্জাকে সরিয়ে দিয়ে একাধাকে আইয়ুব খান সেনা প্রধান, একাধারে প্রেসিডেন্ট ‘

‘তারপর হ্যাঁ না ভোট, তারপর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সব করার পর এসে বিএনপি দল করল। তাদের তো চরিত্রটাই ও রকম।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে বোমা সদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণে একই পরিবারে দগ্ধ ৩

নির্বাচন আগেও ঠেকাতে পারেনি, আগামীতেও পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৪৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়া এবং নির্বাচন হতে না দেয়ার হুমকির জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন বিএনপি ২০১৪ সালেও ঠেকাতে পারেনি, এবারও পারবে না। সোমবার গণভবনে ইতালি ও ভ্যাটিকান সিটি সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার পর বিএনপি তাকে ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়ার কথা বলছে। আর খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না বলেও জানিয়ে দিচ্ছেন দলের নেতারা।

বিএনপির এই অবস্থানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখেন সমকাল সম্পাদক গোলাম সরওয়ার। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি না করে কারও কিছু করার নাই। গতবারও করেনি। আমরা জানতাম তারা ইলেকশনে আসবে, কিন্তু তারা আসেনি।’

‘এখন যদি কেউ না আসে কোনো দল, সেখানে আমাদের করার কিছু নাই। …মাল্টিপার্টি সিস্টেম এখানে, বহুদলীয় গণতন্ত্র। কোন দল ইলেকশন করবে, কোন দল করবে না-সেটা সম্পূর্ণ তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। কিন্তু নির্বাচন সময় হতো হবে, জনগণও ভোট দেবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সময় মতো নির্বাচন হবে আমাদের সংবিধানে যেভাবে আছে। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, জনগণের ভোটের অধিকারে বিশ্বাস করে, জনগণের ওপর আস্থা-বিশ্বাস আছে, তারা নির্বাচন করবে, তা কলে এখানে আসলে আমাদের কিছু করার নাই।’

২০১৪ সালের নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপির আন্দোলনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০১৪ সালে এত তাণ্ডব করেও নির্বাচন ঠেকাতে পারেনি, ভবিষ্যতেও ঠেকাতে পারবে না।’

‘কাজেই কেউ যদি বলে নির্বাচন করতে দেব না, এটা হচ্ছে এটা গায়ের জোরের কথা। সেটা বিএনপি বলতে পারে। কেন বলতে পারে? কারণ, তাদের জন্মই তো এভাবে ‘

‘সায়েম সাহেবকে অস্ত্র ঠেকিয়ে সরিয়ে দিয়ে জেনারেল জিয়া হলো গ্রেসিডেন্ট নিজেকে ঘোষণা করে দিল।… আর জিয়াউর রহমান একাধাকে সেনাপ্রধান আবার একাধারে প্রেসিডেন্ট। একই অঙ্গে দুই রূপ। ঠিক ইস্কান্দর মির্জাকে সরিয়ে দিয়ে একাধাকে আইয়ুব খান সেনা প্রধান, একাধারে প্রেসিডেন্ট ‘

‘তারপর হ্যাঁ না ভোট, তারপর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সব করার পর এসে বিএনপি দল করল। তাদের তো চরিত্রটাই ও রকম।’