ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষককে পিটিয়ে আহত, কর্মকর্তা ক্লোজড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরত কেন্দ্র পরিদর্শক ও শেখ আবদুর রাজ্জাক মাদ্রাসার শিক্ষক মুরাদ হোসেনকে পিটিয়ে আহত করেছেন কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মনিরুলকে কেন্দ্রের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি (ক্লোজড) দেয়া হয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা বিচারের দাবিতে স্থানীয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছেন মুকসুদপুরের শিক্ষকরা।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে দাখিল পরীক্ষায় মুকসুদপুর সাবের মিয়া জসিমুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে আসা শেখ আবদুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী মুরাদ হোসেন তার দায়িত্বপ্রাপ্ত কক্ষ কোনটি তা জানতে কেন্দ্র সচিবের খোঁজ করতে থাকেন।

এসময় উপস্থিত উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা ও পরীক্ষা কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম ওই শিক্ষকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এক পর্যায়ে মুরাদ হোসেনকে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যেতে বলেন মনিরুল। মুরাদ বের হয়ে না গেলে তাকে মারধর শুরু করেন ট্যাগ অফিসার। এতে মুরাদ হোসেনের মাথায় ও চোখের নিচে গুরুতর আঘাত পান। পরে অন্য শিক্ষকরা মুরাদকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এদিকে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে উপজেলা শহরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে শিক্ষকেরা। এসময় বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ শাহাদাত হোসাইন মিজান, অধ্যক্ষ আলী আহমেদ, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, শিক্ষক নেতা হায়দার হোসেন, যুবলীগ নেতা আশিকুর রহমান রনি, জাসদ সভাপতি আজম শরীফ প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে তারা বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আলীর কাছে স্মারকলিপি দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা আলী তাৎক্ষণিকভাবে ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল হামিদ ভুইয়া বলেন, ইউএনও অফিসের একজন ট্যাগ অফিসার শিক্ষকের গায়ে হাত দেয়া অমার্জনীয় অপরাধ। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষককে পিটিয়ে আহত, কর্মকর্তা ক্লোজড

আপডেট সময় ০৭:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরত কেন্দ্র পরিদর্শক ও শেখ আবদুর রাজ্জাক মাদ্রাসার শিক্ষক মুরাদ হোসেনকে পিটিয়ে আহত করেছেন কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মনিরুলকে কেন্দ্রের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি (ক্লোজড) দেয়া হয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা বিচারের দাবিতে স্থানীয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছেন মুকসুদপুরের শিক্ষকরা।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে দাখিল পরীক্ষায় মুকসুদপুর সাবের মিয়া জসিমুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে আসা শেখ আবদুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী মুরাদ হোসেন তার দায়িত্বপ্রাপ্ত কক্ষ কোনটি তা জানতে কেন্দ্র সচিবের খোঁজ করতে থাকেন।

এসময় উপস্থিত উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা ও পরীক্ষা কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম ওই শিক্ষকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এক পর্যায়ে মুরাদ হোসেনকে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যেতে বলেন মনিরুল। মুরাদ বের হয়ে না গেলে তাকে মারধর শুরু করেন ট্যাগ অফিসার। এতে মুরাদ হোসেনের মাথায় ও চোখের নিচে গুরুতর আঘাত পান। পরে অন্য শিক্ষকরা মুরাদকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এদিকে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে উপজেলা শহরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে শিক্ষকেরা। এসময় বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ শাহাদাত হোসাইন মিজান, অধ্যক্ষ আলী আহমেদ, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, শিক্ষক নেতা হায়দার হোসেন, যুবলীগ নেতা আশিকুর রহমান রনি, জাসদ সভাপতি আজম শরীফ প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে তারা বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আলীর কাছে স্মারকলিপি দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা আলী তাৎক্ষণিকভাবে ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল হামিদ ভুইয়া বলেন, ইউএনও অফিসের একজন ট্যাগ অফিসার শিক্ষকের গায়ে হাত দেয়া অমার্জনীয় অপরাধ। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।