ঢাকা ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুনের ১৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৮২ কোটি ডলার প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে : আব্দুস সালাম মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হবে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জনপরিসর: ডেপুটি স্পিকার ‘সংসদে একজন রাজনৈতিক নেতার অন্ধকার জীবন নিয়ে আলোচনা হোক, আমি চাই না’:স্পিকার কোনো এমপি ঋণখেলাপি নন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুনঃতপশিলের কথা সবার জানা- রুমিন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা সুইস ব্যাংক: ২০২৫ সালে বাংলাদেশিরা জমা রাখেন সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি একবেলা না খেয়ে হলেও প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াতে হবে: এনসিপি এমপি মুজাহিদ

পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষককে পিটিয়ে আহত, কর্মকর্তা ক্লোজড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরত কেন্দ্র পরিদর্শক ও শেখ আবদুর রাজ্জাক মাদ্রাসার শিক্ষক মুরাদ হোসেনকে পিটিয়ে আহত করেছেন কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মনিরুলকে কেন্দ্রের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি (ক্লোজড) দেয়া হয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা বিচারের দাবিতে স্থানীয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছেন মুকসুদপুরের শিক্ষকরা।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে দাখিল পরীক্ষায় মুকসুদপুর সাবের মিয়া জসিমুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে আসা শেখ আবদুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী মুরাদ হোসেন তার দায়িত্বপ্রাপ্ত কক্ষ কোনটি তা জানতে কেন্দ্র সচিবের খোঁজ করতে থাকেন।

এসময় উপস্থিত উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা ও পরীক্ষা কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম ওই শিক্ষকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এক পর্যায়ে মুরাদ হোসেনকে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যেতে বলেন মনিরুল। মুরাদ বের হয়ে না গেলে তাকে মারধর শুরু করেন ট্যাগ অফিসার। এতে মুরাদ হোসেনের মাথায় ও চোখের নিচে গুরুতর আঘাত পান। পরে অন্য শিক্ষকরা মুরাদকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এদিকে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে উপজেলা শহরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে শিক্ষকেরা। এসময় বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ শাহাদাত হোসাইন মিজান, অধ্যক্ষ আলী আহমেদ, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, শিক্ষক নেতা হায়দার হোসেন, যুবলীগ নেতা আশিকুর রহমান রনি, জাসদ সভাপতি আজম শরীফ প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে তারা বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আলীর কাছে স্মারকলিপি দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা আলী তাৎক্ষণিকভাবে ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল হামিদ ভুইয়া বলেন, ইউএনও অফিসের একজন ট্যাগ অফিসার শিক্ষকের গায়ে হাত দেয়া অমার্জনীয় অপরাধ। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুনের ১৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৮২ কোটি ডলার

পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষককে পিটিয়ে আহত, কর্মকর্তা ক্লোজড

আপডেট সময় ০৭:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরত কেন্দ্র পরিদর্শক ও শেখ আবদুর রাজ্জাক মাদ্রাসার শিক্ষক মুরাদ হোসেনকে পিটিয়ে আহত করেছেন কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মনিরুলকে কেন্দ্রের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি (ক্লোজড) দেয়া হয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা বিচারের দাবিতে স্থানীয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছেন মুকসুদপুরের শিক্ষকরা।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে দাখিল পরীক্ষায় মুকসুদপুর সাবের মিয়া জসিমুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে আসা শেখ আবদুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী মুরাদ হোসেন তার দায়িত্বপ্রাপ্ত কক্ষ কোনটি তা জানতে কেন্দ্র সচিবের খোঁজ করতে থাকেন।

এসময় উপস্থিত উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা ও পরীক্ষা কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম ওই শিক্ষকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এক পর্যায়ে মুরাদ হোসেনকে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যেতে বলেন মনিরুল। মুরাদ বের হয়ে না গেলে তাকে মারধর শুরু করেন ট্যাগ অফিসার। এতে মুরাদ হোসেনের মাথায় ও চোখের নিচে গুরুতর আঘাত পান। পরে অন্য শিক্ষকরা মুরাদকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এদিকে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে উপজেলা শহরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে শিক্ষকেরা। এসময় বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ শাহাদাত হোসাইন মিজান, অধ্যক্ষ আলী আহমেদ, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, শিক্ষক নেতা হায়দার হোসেন, যুবলীগ নেতা আশিকুর রহমান রনি, জাসদ সভাপতি আজম শরীফ প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে তারা বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আলীর কাছে স্মারকলিপি দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা আলী তাৎক্ষণিকভাবে ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল হামিদ ভুইয়া বলেন, ইউএনও অফিসের একজন ট্যাগ অফিসার শিক্ষকের গায়ে হাত দেয়া অমার্জনীয় অপরাধ। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।