ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষককে পিটিয়ে আহত, কর্মকর্তা ক্লোজড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরত কেন্দ্র পরিদর্শক ও শেখ আবদুর রাজ্জাক মাদ্রাসার শিক্ষক মুরাদ হোসেনকে পিটিয়ে আহত করেছেন কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মনিরুলকে কেন্দ্রের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি (ক্লোজড) দেয়া হয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা বিচারের দাবিতে স্থানীয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছেন মুকসুদপুরের শিক্ষকরা।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে দাখিল পরীক্ষায় মুকসুদপুর সাবের মিয়া জসিমুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে আসা শেখ আবদুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী মুরাদ হোসেন তার দায়িত্বপ্রাপ্ত কক্ষ কোনটি তা জানতে কেন্দ্র সচিবের খোঁজ করতে থাকেন।

এসময় উপস্থিত উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা ও পরীক্ষা কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম ওই শিক্ষকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এক পর্যায়ে মুরাদ হোসেনকে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যেতে বলেন মনিরুল। মুরাদ বের হয়ে না গেলে তাকে মারধর শুরু করেন ট্যাগ অফিসার। এতে মুরাদ হোসেনের মাথায় ও চোখের নিচে গুরুতর আঘাত পান। পরে অন্য শিক্ষকরা মুরাদকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এদিকে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে উপজেলা শহরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে শিক্ষকেরা। এসময় বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ শাহাদাত হোসাইন মিজান, অধ্যক্ষ আলী আহমেদ, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, শিক্ষক নেতা হায়দার হোসেন, যুবলীগ নেতা আশিকুর রহমান রনি, জাসদ সভাপতি আজম শরীফ প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে তারা বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আলীর কাছে স্মারকলিপি দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা আলী তাৎক্ষণিকভাবে ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল হামিদ ভুইয়া বলেন, ইউএনও অফিসের একজন ট্যাগ অফিসার শিক্ষকের গায়ে হাত দেয়া অমার্জনীয় অপরাধ। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষককে পিটিয়ে আহত, কর্মকর্তা ক্লোজড

আপডেট সময় ০৭:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরত কেন্দ্র পরিদর্শক ও শেখ আবদুর রাজ্জাক মাদ্রাসার শিক্ষক মুরাদ হোসেনকে পিটিয়ে আহত করেছেন কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মনিরুলকে কেন্দ্রের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি (ক্লোজড) দেয়া হয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা বিচারের দাবিতে স্থানীয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছেন মুকসুদপুরের শিক্ষকরা।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে দাখিল পরীক্ষায় মুকসুদপুর সাবের মিয়া জসিমুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে আসা শেখ আবদুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী মুরাদ হোসেন তার দায়িত্বপ্রাপ্ত কক্ষ কোনটি তা জানতে কেন্দ্র সচিবের খোঁজ করতে থাকেন।

এসময় উপস্থিত উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা ও পরীক্ষা কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম ওই শিক্ষকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এক পর্যায়ে মুরাদ হোসেনকে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যেতে বলেন মনিরুল। মুরাদ বের হয়ে না গেলে তাকে মারধর শুরু করেন ট্যাগ অফিসার। এতে মুরাদ হোসেনের মাথায় ও চোখের নিচে গুরুতর আঘাত পান। পরে অন্য শিক্ষকরা মুরাদকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এদিকে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে উপজেলা শহরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে শিক্ষকেরা। এসময় বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ শাহাদাত হোসাইন মিজান, অধ্যক্ষ আলী আহমেদ, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, শিক্ষক নেতা হায়দার হোসেন, যুবলীগ নেতা আশিকুর রহমান রনি, জাসদ সভাপতি আজম শরীফ প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে তারা বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আলীর কাছে স্মারকলিপি দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা আলী তাৎক্ষণিকভাবে ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল হামিদ ভুইয়া বলেন, ইউএনও অফিসের একজন ট্যাগ অফিসার শিক্ষকের গায়ে হাত দেয়া অমার্জনীয় অপরাধ। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।