ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের মানবিক বাংলাদেশ গড়ায় আপনাদের সহযোগিতা চাই : নজরুল ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না আয়ারল্যান্ডও ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষককে পিটিয়ে আহত, কর্মকর্তা ক্লোজড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরত কেন্দ্র পরিদর্শক ও শেখ আবদুর রাজ্জাক মাদ্রাসার শিক্ষক মুরাদ হোসেনকে পিটিয়ে আহত করেছেন কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মনিরুলকে কেন্দ্রের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি (ক্লোজড) দেয়া হয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা বিচারের দাবিতে স্থানীয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছেন মুকসুদপুরের শিক্ষকরা।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে দাখিল পরীক্ষায় মুকসুদপুর সাবের মিয়া জসিমুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে আসা শেখ আবদুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী মুরাদ হোসেন তার দায়িত্বপ্রাপ্ত কক্ষ কোনটি তা জানতে কেন্দ্র সচিবের খোঁজ করতে থাকেন।

এসময় উপস্থিত উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা ও পরীক্ষা কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম ওই শিক্ষকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এক পর্যায়ে মুরাদ হোসেনকে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যেতে বলেন মনিরুল। মুরাদ বের হয়ে না গেলে তাকে মারধর শুরু করেন ট্যাগ অফিসার। এতে মুরাদ হোসেনের মাথায় ও চোখের নিচে গুরুতর আঘাত পান। পরে অন্য শিক্ষকরা মুরাদকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এদিকে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে উপজেলা শহরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে শিক্ষকেরা। এসময় বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ শাহাদাত হোসাইন মিজান, অধ্যক্ষ আলী আহমেদ, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, শিক্ষক নেতা হায়দার হোসেন, যুবলীগ নেতা আশিকুর রহমান রনি, জাসদ সভাপতি আজম শরীফ প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে তারা বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আলীর কাছে স্মারকলিপি দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা আলী তাৎক্ষণিকভাবে ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল হামিদ ভুইয়া বলেন, ইউএনও অফিসের একজন ট্যাগ অফিসার শিক্ষকের গায়ে হাত দেয়া অমার্জনীয় অপরাধ। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের

পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষককে পিটিয়ে আহত, কর্মকর্তা ক্লোজড

আপডেট সময় ০৭:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরত কেন্দ্র পরিদর্শক ও শেখ আবদুর রাজ্জাক মাদ্রাসার শিক্ষক মুরাদ হোসেনকে পিটিয়ে আহত করেছেন কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মনিরুলকে কেন্দ্রের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি (ক্লোজড) দেয়া হয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা বিচারের দাবিতে স্থানীয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছেন মুকসুদপুরের শিক্ষকরা।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে দাখিল পরীক্ষায় মুকসুদপুর সাবের মিয়া জসিমুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে আসা শেখ আবদুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী মুরাদ হোসেন তার দায়িত্বপ্রাপ্ত কক্ষ কোনটি তা জানতে কেন্দ্র সচিবের খোঁজ করতে থাকেন।

এসময় উপস্থিত উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা ও পরীক্ষা কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলাম ওই শিক্ষকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এক পর্যায়ে মুরাদ হোসেনকে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যেতে বলেন মনিরুল। মুরাদ বের হয়ে না গেলে তাকে মারধর শুরু করেন ট্যাগ অফিসার। এতে মুরাদ হোসেনের মাথায় ও চোখের নিচে গুরুতর আঘাত পান। পরে অন্য শিক্ষকরা মুরাদকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এদিকে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে উপজেলা শহরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে শিক্ষকেরা। এসময় বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ শাহাদাত হোসাইন মিজান, অধ্যক্ষ আলী আহমেদ, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, শিক্ষক নেতা হায়দার হোসেন, যুবলীগ নেতা আশিকুর রহমান রনি, জাসদ সভাপতি আজম শরীফ প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে তারা বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আলীর কাছে স্মারকলিপি দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা আলী তাৎক্ষণিকভাবে ট্যাগ অফিসার মনিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল হামিদ ভুইয়া বলেন, ইউএনও অফিসের একজন ট্যাগ অফিসার শিক্ষকের গায়ে হাত দেয়া অমার্জনীয় অপরাধ। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।