অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
চোখের পানিও জমে বরফ হয়ে যাচ্ছে এবং চোখের পাতার লোমকে ঘিরে ধরছে। এমনকি থার্মোমিটারও এত ঠাণ্ডা সইতে না পেরে ফেটে যাচ্ছে। এতটাই নিচে নেমেছে রাশিয়ার সাইবেরিয়ার ইয়াকুটিয়া অঞ্চলের তাপমাত্রা। মঙ্গলবার সেখানকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস!
তাপমাত্রা মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাতে কী! কাজকর্ম, বাজারঘাট যেমন চলার তেমনই চলছে। তবে পুলিশের তরফ থেকে বাচ্চাদের এই ঠান্ডায় স্কুলে পাঠাতে নিষেধ করা হয়েছে। তাপমাত্রার এই ভয়াবহ অবনমনে চোখের পাতায়ও জমে যাচ্ছে বরফ।
তাপপাত্রা এতটাই নিচে যে, যদি কেউ কাঁদতে চায় তাহলে চোখ থেকে অশ্র গড়িয়ে পড়বে না। পড়ার আগেই তা জমে বরফ হয়ে যাবে।
রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে ৫ হাজার ৩০০ কিলোমিটার পূর্বে ইয়াকুটিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস (মাইনাস ৮৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট)
কিন্তু সেখানে বসবাস করা যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা কল্পনা করার চেষ্টা চলতে পারে, কিন্তু বোঝা অসম্ভব। সেখানেই ১০ লাখ মানুষের বাস। তাঁরা এরমধ্যেই স্বাভাবিক জীবন কাটান। গরম বাড়েও। তবে মাইনাস সহজে প্লাসে যায় না।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ওয়াইমায়াকন গ্রামের একটি থার্মোমিটারের রিডিং দেখানো হয়, যেখানে দেখা যায়, থার্মোমিটারের সর্বনিম্ন স্তরে পারদ নেমে গেছে। ওই থার্মোমিটারের সর্বনিম্ন মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পরিমাপের ক্ষমতা রয়েছে
বিশ্বের শীতলতম মানববসতি হিসাবে ধরা হয় এই ইকুয়াটিয়াকে। ২০১৩ সালে এখানে পারদ পৌঁছেছিল মাইনাস ৭১ ডিগ্রিতে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















