ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মাইনাস ৬৭° তাপমাত্রা রাশিয়ায়, কান্নারও উপায় নেই

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চোখের পানিও জমে বরফ হয়ে যাচ্ছে এবং চোখের পাতার লোমকে ঘিরে ধরছে। এমনকি থার্মোমিটারও এত ঠাণ্ডা সইতে না পেরে ফেটে যাচ্ছে। এতটাই নিচে নেমেছে রাশিয়ার সাইবেরিয়ার ইয়াকুটিয়া অঞ্চলের তাপমাত্রা। মঙ্গলবার সেখানকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস!

তাপমাত্রা মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাতে কী! কাজকর্ম, বাজারঘাট যেমন চলার তেমনই চলছে। তবে পুলিশের তরফ থেকে বাচ্চাদের এই ঠান্ডায় স্কুলে পাঠাতে নিষেধ করা হয়েছে। তাপমাত্রার এই ভয়াবহ অবনমনে চোখের পাতায়ও জমে যাচ্ছে বরফ।

তাপপাত্রা এতটাই নিচে যে, যদি কেউ কাঁদতে চায় তাহলে চোখ থেকে অশ্র গড়িয়ে পড়বে না। পড়ার আগেই তা জমে বরফ হয়ে যাবে।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে ৫ হাজার ৩০০ কিলোমিটার পূর্বে ইয়াকুটিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস (মাইনাস ৮৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট)

কিন্তু সেখানে বসবাস করা যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা কল্পনা করার চেষ্টা চলতে পারে, কিন্তু বোঝা অসম্ভব। সেখানেই ১০ লাখ মানুষের বাস। তাঁরা এরমধ্যেই স্বাভাবিক জীবন কাটান। গরম বাড়েও। তবে মাইনাস সহজে প্লাসে যায় না।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ওয়াইমায়াকন গ্রামের একটি থার্মোমিটারের রিডিং দেখানো হয়, যেখানে দেখা যায়, থার্মোমিটারের সর্বনিম্ন স্তরে পারদ নেমে গেছে। ওই থার্মোমিটারের সর্বনিম্ন মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পরিমাপের ক্ষমতা রয়েছে

বিশ্বের শীতলতম মানববসতি হিসাবে ধরা হয় এই ইকুয়াটিয়াকে। ২০১৩ সালে এখানে পারদ পৌঁছেছিল মাইনাস ৭১ ডিগ্রিতে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মাইনাস ৬৭° তাপমাত্রা রাশিয়ায়, কান্নারও উপায় নেই

আপডেট সময় ০১:২০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চোখের পানিও জমে বরফ হয়ে যাচ্ছে এবং চোখের পাতার লোমকে ঘিরে ধরছে। এমনকি থার্মোমিটারও এত ঠাণ্ডা সইতে না পেরে ফেটে যাচ্ছে। এতটাই নিচে নেমেছে রাশিয়ার সাইবেরিয়ার ইয়াকুটিয়া অঞ্চলের তাপমাত্রা। মঙ্গলবার সেখানকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস!

তাপমাত্রা মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাতে কী! কাজকর্ম, বাজারঘাট যেমন চলার তেমনই চলছে। তবে পুলিশের তরফ থেকে বাচ্চাদের এই ঠান্ডায় স্কুলে পাঠাতে নিষেধ করা হয়েছে। তাপমাত্রার এই ভয়াবহ অবনমনে চোখের পাতায়ও জমে যাচ্ছে বরফ।

তাপপাত্রা এতটাই নিচে যে, যদি কেউ কাঁদতে চায় তাহলে চোখ থেকে অশ্র গড়িয়ে পড়বে না। পড়ার আগেই তা জমে বরফ হয়ে যাবে।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে ৫ হাজার ৩০০ কিলোমিটার পূর্বে ইয়াকুটিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস (মাইনাস ৮৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট)

কিন্তু সেখানে বসবাস করা যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা কল্পনা করার চেষ্টা চলতে পারে, কিন্তু বোঝা অসম্ভব। সেখানেই ১০ লাখ মানুষের বাস। তাঁরা এরমধ্যেই স্বাভাবিক জীবন কাটান। গরম বাড়েও। তবে মাইনাস সহজে প্লাসে যায় না।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ওয়াইমায়াকন গ্রামের একটি থার্মোমিটারের রিডিং দেখানো হয়, যেখানে দেখা যায়, থার্মোমিটারের সর্বনিম্ন স্তরে পারদ নেমে গেছে। ওই থার্মোমিটারের সর্বনিম্ন মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পরিমাপের ক্ষমতা রয়েছে

বিশ্বের শীতলতম মানববসতি হিসাবে ধরা হয় এই ইকুয়াটিয়াকে। ২০১৩ সালে এখানে পারদ পৌঁছেছিল মাইনাস ৭১ ডিগ্রিতে।