ঢাকা ০৫:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

ঢালাও এমপিও দেয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এমপিও সুবিধার বাইরে থাকা সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এই সুবিধা দেয়ার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি জানান, অল্প কিছু সংখ্যক প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তি করা হবে।

রবিবার সচিবালয়ে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সঙ্গে ইরা ইনফোটেক লিমিটেডের একটি চুক্তি সই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সবশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও সুবিধার আওতায় আনা হয়েছিল। এরপর আর কোনো প্রতিষ্ঠানকে এই সুবিধা দেয়নি সরকার। আর সম্প্রতি এমপিও দাবিতে রাজধানীতে অবস্থানের পর অনশন কর্মসূচি পালন করেছে নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।

গত ৩১ ডিসেম্বর থেকে ছয় জানুয়ারি পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন করেছিল নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তার এপিএস সাজ্জাদ হাসান এবং ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার আশ্বাসে তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে এলাকায় ফিরে যান।

এর আগে কর্মসূচির তৃতীয় দিনে শিক্ষকদের কাছে গিয়ে তাদেরকে বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি সেদিন জানান, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ বিষয়ে অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে তাকে আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু শিক্ষকরা জানিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আশ্বাস না পেয়ে তারা ঘরে ফিরে যাবেন না।

শিক্ষামন্ত্রী যেদিন শিক্ষকদের কাছে গিয়েছিলেন সেদিন বিদেশ রওয়ানা হয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। তবে দেশে ফিরে এই প্রথম তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি বছর কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হবে। তবে সেটা ঢালাওভাবে হবে না।’

‘এমনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলোর এক রুমে পাঁচ ক্লাসের শিক্ষা কার্যক্রম চলে। এসব স্কুলকে এমপিও দেয়া হবে না। মানসম্মত স্কুলকেই এমপিও দেয়া হবে।’

শিক্ষকদের হিসাব অনুযায়ী এমপিও সুবিধার বাইরে থাকা সাড়ে পাঁচ হাজার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরকে এই সুবিধার আওতায় আনতে বছরে এক হাজার কোটি টাকার মতো লাগবে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অর্থ মন্ত্রণালয়কে একাধিকবার প্রস্তাব দিলেও তারা অর্থ বরাদ্দ দেয়নি।

এ সময় অর্থমন্ত্রী ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকদের দাবি নিয়েও কথা বলেন। জাতীয়করণের দাবিতে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন।

অর্থমন্ত্রীবলেন, ‘মাদ্রাসার শিক্ষকরা জাতীয়করণের জন্য অনশন করছেন। এই মুহূর্তে তাদের জন্য সরকারের কিছু করার নেই।’

এমপিওভুক্তির দাবি ছাড়াও সম্প্রতি এমপিও সুবিধা পাওয়া শিক্ষকরা তাদের প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণের দাবি তুলছেন। তবে তাদের দাবি নাকচ করেছেন অর্থমন্ত্রী। বলেছেন, জাতীয়করণের বিষয়ে বর্তমানে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ঢালাও এমপিও দেয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এমপিও সুবিধার বাইরে থাকা সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এই সুবিধা দেয়ার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি জানান, অল্প কিছু সংখ্যক প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তি করা হবে।

রবিবার সচিবালয়ে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সঙ্গে ইরা ইনফোটেক লিমিটেডের একটি চুক্তি সই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সবশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও সুবিধার আওতায় আনা হয়েছিল। এরপর আর কোনো প্রতিষ্ঠানকে এই সুবিধা দেয়নি সরকার। আর সম্প্রতি এমপিও দাবিতে রাজধানীতে অবস্থানের পর অনশন কর্মসূচি পালন করেছে নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।

গত ৩১ ডিসেম্বর থেকে ছয় জানুয়ারি পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন করেছিল নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তার এপিএস সাজ্জাদ হাসান এবং ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার আশ্বাসে তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে এলাকায় ফিরে যান।

এর আগে কর্মসূচির তৃতীয় দিনে শিক্ষকদের কাছে গিয়ে তাদেরকে বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি সেদিন জানান, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ বিষয়ে অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে তাকে আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু শিক্ষকরা জানিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আশ্বাস না পেয়ে তারা ঘরে ফিরে যাবেন না।

শিক্ষামন্ত্রী যেদিন শিক্ষকদের কাছে গিয়েছিলেন সেদিন বিদেশ রওয়ানা হয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। তবে দেশে ফিরে এই প্রথম তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি বছর কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হবে। তবে সেটা ঢালাওভাবে হবে না।’

‘এমনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলোর এক রুমে পাঁচ ক্লাসের শিক্ষা কার্যক্রম চলে। এসব স্কুলকে এমপিও দেয়া হবে না। মানসম্মত স্কুলকেই এমপিও দেয়া হবে।’

শিক্ষকদের হিসাব অনুযায়ী এমপিও সুবিধার বাইরে থাকা সাড়ে পাঁচ হাজার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরকে এই সুবিধার আওতায় আনতে বছরে এক হাজার কোটি টাকার মতো লাগবে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অর্থ মন্ত্রণালয়কে একাধিকবার প্রস্তাব দিলেও তারা অর্থ বরাদ্দ দেয়নি।

এ সময় অর্থমন্ত্রী ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকদের দাবি নিয়েও কথা বলেন। জাতীয়করণের দাবিতে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন।

অর্থমন্ত্রীবলেন, ‘মাদ্রাসার শিক্ষকরা জাতীয়করণের জন্য অনশন করছেন। এই মুহূর্তে তাদের জন্য সরকারের কিছু করার নেই।’

এমপিওভুক্তির দাবি ছাড়াও সম্প্রতি এমপিও সুবিধা পাওয়া শিক্ষকরা তাদের প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণের দাবি তুলছেন। তবে তাদের দাবি নাকচ করেছেন অর্থমন্ত্রী। বলেছেন, জাতীয়করণের বিষয়ে বর্তমানে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নেই।