ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা কৌশলের অজুহাতে বিএনপি কোনো গোপন বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান

পিওপি নির্বাচন জরিপে বিএনপির চেয়ে আওয়ামী লীগ এগিয়ে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এই মুহূর্তে নির্বাচন হলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আবারও জয়ী হবে। দেশের শতকরা ৩৯ ভাগ মানুষ এখনও আওয়ামী লীগকে পছন্দ করে। নির্বাচনে জয়ী হতে না পারলেও জনপ্রিয়তা বেড়েছে বিএনপির। এখন নির্বাচন হলে ৩৩ শতাংশ মানুষ বিএনপিকে ভোট দেবে। শতকরা ১১ ভাগ ভোটার কাকে ভোট দেবেন সে সম্পর্কে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। জাতীয় পার্টিতে ভোট দেবেন ৯ শতাংশ ভোটার। আর এত প্রতিকূলতার পরও ৪ শতাংশ ভোটার জামাতকে ভোট দেবে বলে জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ‘পাবলিক অপিনিয়ন পুল’ এর ‘বাংলাদেশ নির্বাচন ২০১৮’ শীর্ষক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।

গত ১ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত এই জরিপে ৪ হাজার বৈধ ভোটারের মতামত নেওয়া হয়। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২১০০ এবং নারী ভোটার ১৯০০।

পিওপির জরিপে দেখা যায়, নয় বছরে সরকারের জনপ্রিয়তা কমেছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৪৪ শতংশ ভোট পেয়েছিলো। নয় বছরে আওয়ামী লীগের ভোট কমেছে ৫ শতাংশ। অন্যদিকে বিএনপি ২০০৮ সালে ২৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিলো। বিএনপির ভোট ১০ শতাংশ বেড়েছে। জনপ্রিয়তা বাড়লেও বিএনপি এখনও জনপ্রিয়তায় আওয়ামী লীগের চেয়ে পিছিয়ে। তবে, পিওপির জরিপে দেখা যায়, ১১ শতাংশ ভোটার এখনও সিদ্ধান্তহীন। এই ভোটাররাই আগামী নির্বাচনের ফলাফলে প্রধান নিয়ামক শক্তি হবে।

পাবলিক অপিনিয়ন পুলের জরিপে দেখা যাচ্ছে, নিজের টাকায় পদ্মা সেতুকে উত্তরদাতারা সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য মনে করছেন। ৮২ ভাগ উত্তর দাতা মনে করেন, এটি সরকারের এক নম্বর সফলতা। রোহিঙ্গা ইস্যুকে সরকারের সফলতা মনে করেন ৭২ ভাগ উত্তর দাতা। ৫৪ ভাগ উত্তর দাতা জঙ্গি দমনকে সরকারের প্রধান সাফল্য মনে করে। সরকার উন্নয়নের কথা বললেও মাত্র ২৩ ভাগ উত্তর দাতা উন্নয়নকে প্রধান সাফল্য হিসেবে বিবেচনায় করেছেন।

পিওপির জরিপে দেশের মানুষ দুর্নীতি দমনে ব্যর্থতাকে সরকারের এক নম্বর ব্যর্থতা মনে করে। ৮৭ ভাগ উত্তর দাতা মনে করে সরকার দুর্নীতি দমনে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি সরকারের দ্বিতীয় ব্যর্থতা হিসেবে জরিপে চিহ্নিত হয়েছে। ৭৬ ভাগ উত্তর দাতা বলেছেন সরকার দ্রব্যমূল্যের লাগাম টেনে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। গুম এবং অপহরণ সরকারের তৃতীয় ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ৬১ ভাগ উত্তর দাতা বলেন, গুম এবং অপহরণ বেড়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষার মান সরকারের চতুর্থ ব্যর্থতা হিসেবে জনমত জরিপে উঠে এসেছে। ৫০ ভাগ উত্তর দাতা মনে করেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকার ব্যর্থ।

পাবলিক অপিনিয়ন পুল (পিওপি) একটি আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা। মার্কিনভিত্তিক এই জরিপ সংস্থাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর এই জরিপটি বাংলাদেশে অবস্থানরত তিনটি দূতাবাসের যৌথ অর্থায়নে করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমানের পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী

পিওপি নির্বাচন জরিপে বিএনপির চেয়ে আওয়ামী লীগ এগিয়ে

আপডেট সময় ১১:২২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এই মুহূর্তে নির্বাচন হলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আবারও জয়ী হবে। দেশের শতকরা ৩৯ ভাগ মানুষ এখনও আওয়ামী লীগকে পছন্দ করে। নির্বাচনে জয়ী হতে না পারলেও জনপ্রিয়তা বেড়েছে বিএনপির। এখন নির্বাচন হলে ৩৩ শতাংশ মানুষ বিএনপিকে ভোট দেবে। শতকরা ১১ ভাগ ভোটার কাকে ভোট দেবেন সে সম্পর্কে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। জাতীয় পার্টিতে ভোট দেবেন ৯ শতাংশ ভোটার। আর এত প্রতিকূলতার পরও ৪ শতাংশ ভোটার জামাতকে ভোট দেবে বলে জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ‘পাবলিক অপিনিয়ন পুল’ এর ‘বাংলাদেশ নির্বাচন ২০১৮’ শীর্ষক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।

গত ১ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত এই জরিপে ৪ হাজার বৈধ ভোটারের মতামত নেওয়া হয়। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২১০০ এবং নারী ভোটার ১৯০০।

পিওপির জরিপে দেখা যায়, নয় বছরে সরকারের জনপ্রিয়তা কমেছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৪৪ শতংশ ভোট পেয়েছিলো। নয় বছরে আওয়ামী লীগের ভোট কমেছে ৫ শতাংশ। অন্যদিকে বিএনপি ২০০৮ সালে ২৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিলো। বিএনপির ভোট ১০ শতাংশ বেড়েছে। জনপ্রিয়তা বাড়লেও বিএনপি এখনও জনপ্রিয়তায় আওয়ামী লীগের চেয়ে পিছিয়ে। তবে, পিওপির জরিপে দেখা যায়, ১১ শতাংশ ভোটার এখনও সিদ্ধান্তহীন। এই ভোটাররাই আগামী নির্বাচনের ফলাফলে প্রধান নিয়ামক শক্তি হবে।

পাবলিক অপিনিয়ন পুলের জরিপে দেখা যাচ্ছে, নিজের টাকায় পদ্মা সেতুকে উত্তরদাতারা সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য মনে করছেন। ৮২ ভাগ উত্তর দাতা মনে করেন, এটি সরকারের এক নম্বর সফলতা। রোহিঙ্গা ইস্যুকে সরকারের সফলতা মনে করেন ৭২ ভাগ উত্তর দাতা। ৫৪ ভাগ উত্তর দাতা জঙ্গি দমনকে সরকারের প্রধান সাফল্য মনে করে। সরকার উন্নয়নের কথা বললেও মাত্র ২৩ ভাগ উত্তর দাতা উন্নয়নকে প্রধান সাফল্য হিসেবে বিবেচনায় করেছেন।

পিওপির জরিপে দেশের মানুষ দুর্নীতি দমনে ব্যর্থতাকে সরকারের এক নম্বর ব্যর্থতা মনে করে। ৮৭ ভাগ উত্তর দাতা মনে করে সরকার দুর্নীতি দমনে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি সরকারের দ্বিতীয় ব্যর্থতা হিসেবে জরিপে চিহ্নিত হয়েছে। ৭৬ ভাগ উত্তর দাতা বলেছেন সরকার দ্রব্যমূল্যের লাগাম টেনে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। গুম এবং অপহরণ সরকারের তৃতীয় ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ৬১ ভাগ উত্তর দাতা বলেন, গুম এবং অপহরণ বেড়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষার মান সরকারের চতুর্থ ব্যর্থতা হিসেবে জনমত জরিপে উঠে এসেছে। ৫০ ভাগ উত্তর দাতা মনে করেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকার ব্যর্থ।

পাবলিক অপিনিয়ন পুল (পিওপি) একটি আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা। মার্কিনভিত্তিক এই জরিপ সংস্থাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর এই জরিপটি বাংলাদেশে অবস্থানরত তিনটি দূতাবাসের যৌথ অর্থায়নে করেছে।