ঢাকা ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

বাংলাদেশ পুলিশকে নিরপেক্ষতার মূর্ত প্রতীক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের উন্নয়ন, প্রগতি এবং মানুষের শান্তি, নিরাপত্তা ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশকে নিরপেক্ষতার মূর্ত প্রতীক হতে হবে। সেবা প্রত্যাশীদের সর্বোত্তম আইনগত সহায়তা দিয়ে জনগণের আস্থা অর্জনের নিরন্তর প্রচেষ্টাও এ বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের থাকতে হবে।

তিনি দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করে বলেন, ‘পুলিশের প্রতিটি সদস্য স্বীয় দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল করবেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে সেবা, ত্যাগ ও দেশপ্রেমের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত, সমৃদ্ধ জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে সচেষ্ট হবেন।

প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে রোববার দেয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন। আগামীকাল ৮ জানুয়ারি থেকে পুলিশ সপ্তাহ শুরু হচ্ছে।

বাণীতে তিনি বলেন, সরকার বাংলাদেশ পুলিশকে একটি দক্ষ, জনবান্ধব ও প্রতিশ্রুতিশীল বাহিনীতে উন্নীত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পুলিশের জনবল বৃদ্ধি, প্রযুক্তির সংযোজন, যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ, বিশেষায়িত নতুন নতুন ইউনিট গঠনসহ বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনে আমরা পুলিশ এন্টি টেররিজম ইউনিট’ গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিটে প্রতিনিয়ত নারীর অন্তর্ভুক্তি বাড়ানো হচ্ছে।’

তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে অপরিসীম ত্যাগ ও বীরত্বগাঁথার ইতিহাসকে ধারণ করে সগৌরবে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ পুলিশবাহিনী। দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে এই বাহিনী উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে।

জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনে পুলিশের সাফল্য দেশে-বিদেশে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা বিশ্ব দরবারে দেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল করেছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে পুলিশবাহনীর সদস্যগণ ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের ভয়াল রাতে পাকিস্তান হানাদারবাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ও বিভিন্ন সময়ে দেশের জন্য আত্মোৎসর্গকারী দেশপ্রেমিক বীর পুলিশ সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বাণীতে ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০১৮’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

বাংলাদেশ পুলিশকে নিরপেক্ষতার মূর্ত প্রতীক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের উন্নয়ন, প্রগতি এবং মানুষের শান্তি, নিরাপত্তা ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশকে নিরপেক্ষতার মূর্ত প্রতীক হতে হবে। সেবা প্রত্যাশীদের সর্বোত্তম আইনগত সহায়তা দিয়ে জনগণের আস্থা অর্জনের নিরন্তর প্রচেষ্টাও এ বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের থাকতে হবে।

তিনি দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করে বলেন, ‘পুলিশের প্রতিটি সদস্য স্বীয় দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল করবেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে সেবা, ত্যাগ ও দেশপ্রেমের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত, সমৃদ্ধ জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে সচেষ্ট হবেন।

প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে রোববার দেয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন। আগামীকাল ৮ জানুয়ারি থেকে পুলিশ সপ্তাহ শুরু হচ্ছে।

বাণীতে তিনি বলেন, সরকার বাংলাদেশ পুলিশকে একটি দক্ষ, জনবান্ধব ও প্রতিশ্রুতিশীল বাহিনীতে উন্নীত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পুলিশের জনবল বৃদ্ধি, প্রযুক্তির সংযোজন, যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ, বিশেষায়িত নতুন নতুন ইউনিট গঠনসহ বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনে আমরা পুলিশ এন্টি টেররিজম ইউনিট’ গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিটে প্রতিনিয়ত নারীর অন্তর্ভুক্তি বাড়ানো হচ্ছে।’

তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে অপরিসীম ত্যাগ ও বীরত্বগাঁথার ইতিহাসকে ধারণ করে সগৌরবে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ পুলিশবাহিনী। দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে এই বাহিনী উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে।

জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনে পুলিশের সাফল্য দেশে-বিদেশে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা বিশ্ব দরবারে দেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল করেছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে পুলিশবাহনীর সদস্যগণ ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের ভয়াল রাতে পাকিস্তান হানাদারবাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ও বিভিন্ন সময়ে দেশের জন্য আত্মোৎসর্গকারী দেশপ্রেমিক বীর পুলিশ সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বাণীতে ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০১৮’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।