ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস আবারও ঢাকায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ, মানুষের ভোগান্তি ‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন তারা যেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন’:নজরুল ইসলাম নির্বাচনে কোনও ব্যাঘাত ঘটলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বিঘ্নিত হবে: শামসুজ্জামান দুদু নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা হতে পারে: রয়টার্স আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে রিকনসিলিয়েশন সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত

নিউইয়র্কে ঘরে ঢুকে বাংলাদেশিকে গুলি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিউইয়র্কের বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা এস্টোরিয়ায় এক বাংলাদেশির ঘরে ঢুকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। বাংলাদেশি মহিবুল ইসলামের পায়ে গুলি লেগেছে। বর্তমানে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার পায়ে অস্ত্রোপচার করা হবে। খবর বার্তা সংস্থা এনা’র।

পুলিশ জানায়, ২১ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে ইউপিএসের কর্মী সেজে মহিবুল ইসলাম যে অ্যাপর্টমেন্টে থাকতেন সেই বিল্ডিংয়ের মূল গেইটে এসে বিভিন্ন বাসার নম্বর টিপতে থাকেন কয়েকজন লোক। ইউপিএসের ডেলিভারি ম্যান বলায় কে বা কারা দরজা খুলে দেন। দুর্বৃত্তরা ২৪ স্ট্রিটে এবং ২০ এবং ২১ এভিনিউর মাঝে অবস্থিত অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকে প্রথম তলায় মহিবুর ইসলামের দরজা নক করতে থাকে।

বার বার নক করায় মহিবুল ইসলাম দরজায় এসে জিজ্ঞেস করলে দুর্বৃত্তরা বলে, আমরা ইউপিএস এর ডেলিভারি দিতে এসেছি। মহিবুল ইসলাম দরজার লক খুলতেই দুর্বৃত্তরা ধাক্কা দিয়ে দরজা খুলে মহিবুল ইসলামের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে বলে, আমরা তোমাকে খুন করবো। এই কথা বলেই মহিবুলের মাথায় আঘাত করে। আঘাতে মহিবুল ফ্লোরে পড়ে গেলে তার পায়ে গুলি করে।

এই সময় তার স্ত্রী বেড় রুমে ছিলেন। তিনি স্বামীর অবস্থা দেখেই দৌড় দিয়ে বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায় উঠে প্রতিবেশীর সাহায্য চাইলে তারা পুলিশকে কল করেন। পুলিশ এবং অ্যাম্বুলেন্স এসে মহিবুল ইসলামকে এলেমহার্স্ট হাসপাতালে ভর্তি করে।

মহিবুল ইসলাম বিভিন্ন মিডিয়াকে বলেন, আমি দ্বিতীয় জীবন ফিরে পেয়েছি। দুর্বৃত্তরা আমার কাছে কিছুই চায়নি। কিন্তু আমাকে কেন যে গুলি করলো আমি বুঝতে পারছি না।

এ ব্যাপারে পুলিশ ওই বিল্ডিংয়ের সিসি টিভি পরীক্ষা করছে। পুলিশ দেখতে পেরেছে যে দুর্বৃত্তরা মহিবুলকে গুলি করে রক্তাক্ত অবস্থায় রেখেই কানেকটিকাটের নম্বর প্লেটের একটি গাড়িতে করে পালিয়ে যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস

নিউইয়র্কে ঘরে ঢুকে বাংলাদেশিকে গুলি

আপডেট সময় ০২:০৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিউইয়র্কের বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা এস্টোরিয়ায় এক বাংলাদেশির ঘরে ঢুকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। বাংলাদেশি মহিবুল ইসলামের পায়ে গুলি লেগেছে। বর্তমানে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার পায়ে অস্ত্রোপচার করা হবে। খবর বার্তা সংস্থা এনা’র।

পুলিশ জানায়, ২১ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে ইউপিএসের কর্মী সেজে মহিবুল ইসলাম যে অ্যাপর্টমেন্টে থাকতেন সেই বিল্ডিংয়ের মূল গেইটে এসে বিভিন্ন বাসার নম্বর টিপতে থাকেন কয়েকজন লোক। ইউপিএসের ডেলিভারি ম্যান বলায় কে বা কারা দরজা খুলে দেন। দুর্বৃত্তরা ২৪ স্ট্রিটে এবং ২০ এবং ২১ এভিনিউর মাঝে অবস্থিত অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকে প্রথম তলায় মহিবুর ইসলামের দরজা নক করতে থাকে।

বার বার নক করায় মহিবুল ইসলাম দরজায় এসে জিজ্ঞেস করলে দুর্বৃত্তরা বলে, আমরা ইউপিএস এর ডেলিভারি দিতে এসেছি। মহিবুল ইসলাম দরজার লক খুলতেই দুর্বৃত্তরা ধাক্কা দিয়ে দরজা খুলে মহিবুল ইসলামের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে বলে, আমরা তোমাকে খুন করবো। এই কথা বলেই মহিবুলের মাথায় আঘাত করে। আঘাতে মহিবুল ফ্লোরে পড়ে গেলে তার পায়ে গুলি করে।

এই সময় তার স্ত্রী বেড় রুমে ছিলেন। তিনি স্বামীর অবস্থা দেখেই দৌড় দিয়ে বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায় উঠে প্রতিবেশীর সাহায্য চাইলে তারা পুলিশকে কল করেন। পুলিশ এবং অ্যাম্বুলেন্স এসে মহিবুল ইসলামকে এলেমহার্স্ট হাসপাতালে ভর্তি করে।

মহিবুল ইসলাম বিভিন্ন মিডিয়াকে বলেন, আমি দ্বিতীয় জীবন ফিরে পেয়েছি। দুর্বৃত্তরা আমার কাছে কিছুই চায়নি। কিন্তু আমাকে কেন যে গুলি করলো আমি বুঝতে পারছি না।

এ ব্যাপারে পুলিশ ওই বিল্ডিংয়ের সিসি টিভি পরীক্ষা করছে। পুলিশ দেখতে পেরেছে যে দুর্বৃত্তরা মহিবুলকে গুলি করে রক্তাক্ত অবস্থায় রেখেই কানেকটিকাটের নম্বর প্লেটের একটি গাড়িতে করে পালিয়ে যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।