ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইটে ডিএমপির নিরাপত্তা নির্দেশনা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ এবং ইংরেজি নববর্ষ ও থার্টি ফার্স্ট নাইট ঘিরে রাজধানীর নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে নিরাপত্তা ও ট্রাফিক সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় এ নির্দেশনা তুলে ধরেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। আজ মঙ্গলবার ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ওই সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএমপির কশিশনার।

সরকারি নীতি অনুযায়ী সব ধর্মাবলম্বীর নিরাপত্তা দেয়া পুলিশের দায়িত্ব- এ কথা উল্লেখ করে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, বড়দিন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। ডিএমপি জুড়ে ব্লকরেইড, চেকপোস্ট, আবাসিক হোটেলসহ বড় বড় স্থাপনায় নিয়মিত নজরদারি রাখা হচ্ছে।

গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ডিএমপি কমিশনার বলেন, প্রতিটি চার্চে আর্চওয়ে থাকবে। এর ভেতর দিয়ে চার্চে ঢুকতে হবে দর্শনার্থীদের। তল্লাশির ক্ষেত্রে থাকবে মেটাল ডিটেক্টর। অনুষ্ঠানস্থল ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে। নিরাপত্তায় থাকবে ফায়ার টেন্ডার ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা। চার্চ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কোনো ভাসমান দোকান বা হকার থাকতে দেয়া হবে না সেখানে। কোনো ধরনের ব্যাগ, ট্রলিব্যাগ, ব্যাগপ্যাক নিয়ে চার্চে আসা যাবে না।

সমন্বয় সভায় থার্টি ফার্স্ট নাইটে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্দেশনায় রয়েছে- ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে কোনো উন্মুক্ত স্থান বা বাড়ির ছাদে কোনো সমাবেশ, গানবাজনা, আতশবাজি ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ৩১ ডিসেম্বর রাত আটটার মধ্যে গুলশান এলাকা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ছাড়তে হবে বাইরের লোকজনকে। আর স্থানীয় অধিবাসীদের রাত আটটার মধ্যে নিজ নিজ এলাকায় প্রবেশ করতে হবে।

গুলশান এলাকায় প্রবেশের জন্য কাকলী ও আমতলী ক্রসিং দিয়ে যেতে হবে। বাইরে থেতে যেকোনো পথ ব্যবহার করা যাবে। রাত আটটার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার ছাড়া কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। পায়ে হেঁটে প্রবেশের ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, যদি কেউ চার দেয়ালের মধ্যে নববর্ষ উদযাপন করতে চান তাতে কোনো বাধা নেই। তবে অনুষ্ঠানের আগে পুলিশকে জানাতে হবে।

৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে পরের দিন সকাল পর্যন্ত ঢাকা শহরের সব বার বন্ধ থাকবে। কেউ এই নির্দেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। থার্টি ফার্স্ট নাইটে করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় সম্পর্কে জনসাধারণকে আরও বিস্তারিত জানাতে আগামী ৩০ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার। সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিসহ সরকারের বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইটে ডিএমপির নিরাপত্তা নির্দেশনা

আপডেট সময় ০৯:৫৬:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ এবং ইংরেজি নববর্ষ ও থার্টি ফার্স্ট নাইট ঘিরে রাজধানীর নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে নিরাপত্তা ও ট্রাফিক সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় এ নির্দেশনা তুলে ধরেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। আজ মঙ্গলবার ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ওই সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএমপির কশিশনার।

সরকারি নীতি অনুযায়ী সব ধর্মাবলম্বীর নিরাপত্তা দেয়া পুলিশের দায়িত্ব- এ কথা উল্লেখ করে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, বড়দিন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। ডিএমপি জুড়ে ব্লকরেইড, চেকপোস্ট, আবাসিক হোটেলসহ বড় বড় স্থাপনায় নিয়মিত নজরদারি রাখা হচ্ছে।

গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ডিএমপি কমিশনার বলেন, প্রতিটি চার্চে আর্চওয়ে থাকবে। এর ভেতর দিয়ে চার্চে ঢুকতে হবে দর্শনার্থীদের। তল্লাশির ক্ষেত্রে থাকবে মেটাল ডিটেক্টর। অনুষ্ঠানস্থল ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে। নিরাপত্তায় থাকবে ফায়ার টেন্ডার ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা। চার্চ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কোনো ভাসমান দোকান বা হকার থাকতে দেয়া হবে না সেখানে। কোনো ধরনের ব্যাগ, ট্রলিব্যাগ, ব্যাগপ্যাক নিয়ে চার্চে আসা যাবে না।

সমন্বয় সভায় থার্টি ফার্স্ট নাইটে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্দেশনায় রয়েছে- ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে কোনো উন্মুক্ত স্থান বা বাড়ির ছাদে কোনো সমাবেশ, গানবাজনা, আতশবাজি ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ৩১ ডিসেম্বর রাত আটটার মধ্যে গুলশান এলাকা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ছাড়তে হবে বাইরের লোকজনকে। আর স্থানীয় অধিবাসীদের রাত আটটার মধ্যে নিজ নিজ এলাকায় প্রবেশ করতে হবে।

গুলশান এলাকায় প্রবেশের জন্য কাকলী ও আমতলী ক্রসিং দিয়ে যেতে হবে। বাইরে থেতে যেকোনো পথ ব্যবহার করা যাবে। রাত আটটার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার ছাড়া কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। পায়ে হেঁটে প্রবেশের ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, যদি কেউ চার দেয়ালের মধ্যে নববর্ষ উদযাপন করতে চান তাতে কোনো বাধা নেই। তবে অনুষ্ঠানের আগে পুলিশকে জানাতে হবে।

৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে পরের দিন সকাল পর্যন্ত ঢাকা শহরের সব বার বন্ধ থাকবে। কেউ এই নির্দেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। থার্টি ফার্স্ট নাইটে করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় সম্পর্কে জনসাধারণকে আরও বিস্তারিত জানাতে আগামী ৩০ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার। সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিসহ সরকারের বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।