ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা গ্যাস সংকট কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলবে চায়না অর্থনৈতিক অঞ্চল : অর্থমন্ত্রী কমিউনিটি এনগেজমেন্টের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শক্তিশালী করতে হবে: ববি হাজ্জাজ এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল সুখের খামার রাবি ছাত্রীকে চাকু-পিস্তলের ভয় দেখানোর অভিযোগ, পদ্মায় ফেলে দেওয়ার হুমকি বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান চলছে, তবে আলোচনার পরিস্থিতি নেই: ইরান শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ:শেখ হাসিনাসহ পলাতকদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

বাংলাদেশিকে হত্যায় মার্কিন যুবকের ২৩ বছরের কারাদণ্ড

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এক মার্কিন যুবককে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কের একটি ডিস্ট্রিক্ট আদালতে ৩২ বছর বয়সী মার্কিন যুবক ডেভিড লুইমের বিরুদ্ধে এ রায় দেন।জানা যায়, ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশি অভিবাসী ইশতিয়াক কাদিরকে (৫১) হত্যার শিকার হন। এ ঘটনায় নিউ ইয়র্কের কুইন্সের জ্যামাইকার বাসিন্দা ডেভিড লুইমকে গ্রেপ্তার করা হয়। কুইন্সের সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি গ্রেগরি এল. লাসাকের অধীনে ১০ দিনের জুরি ট্রায়ালে থাকার পর গত মে মাসে তাকে সেকেন্ড ডিগ্রি মার্ডার (পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই মুহূর্তের ইচ্ছাবশত খুন) এর দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। আর মঙ্গলবার ডেভিড লুইমের বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করেন বিচারপতি।

কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি রিচার্ড এ. ব্রাউন বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি রিচার্ড এ.ব্রাউন বলেন, এটি একটি নির্বিচারি নৃশংস কর্মকাণ্ড। হামলার শিকার ব্যক্তি মাটিতে পড়ে গিয়েছিলেন। আসামী তাকে যখন বার বার ঘুষি ও লাথি দিচ্ছিল তখন তিনি অসহায় ছিলেন।সাক্ষীর জবানবন্দিতে বলা হয়, ২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশি অভিবাসী ইশতিয়াক কাদির হিলসাইড ইনে বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছিলেন। এদিন রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ডেভিড লুইম তার ওপর হামলা করেন। কাদির তখন মেঝেতে পড়ে যান, তার মাথায় আগাত লাগে এবং জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তারপরও কাদিরকে অনবরত লাথি দিয়ে যেতে থাকে ডেভিড।

মস্তিষ্কে আঘাতগ্রস্ত অবস্থায় কাদিরকে স্থানীয় কুইন্স হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার চালানো হয়। মস্তিষ্কের ওই আঘাত স্থায়ীভাবে ব্রেন ড্যামেজে রূপ নেওয়ার পর কাদিরকে একটি নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়। প্রায় দু’বছর চরম ভোগান্তির পর ২০১৪ সালের মে মাসে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা গ্যাস সংকট কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশিকে হত্যায় মার্কিন যুবকের ২৩ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০২:০৪:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এক মার্কিন যুবককে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কের একটি ডিস্ট্রিক্ট আদালতে ৩২ বছর বয়সী মার্কিন যুবক ডেভিড লুইমের বিরুদ্ধে এ রায় দেন।জানা যায়, ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশি অভিবাসী ইশতিয়াক কাদিরকে (৫১) হত্যার শিকার হন। এ ঘটনায় নিউ ইয়র্কের কুইন্সের জ্যামাইকার বাসিন্দা ডেভিড লুইমকে গ্রেপ্তার করা হয়। কুইন্সের সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি গ্রেগরি এল. লাসাকের অধীনে ১০ দিনের জুরি ট্রায়ালে থাকার পর গত মে মাসে তাকে সেকেন্ড ডিগ্রি মার্ডার (পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই মুহূর্তের ইচ্ছাবশত খুন) এর দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। আর মঙ্গলবার ডেভিড লুইমের বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করেন বিচারপতি।

কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি রিচার্ড এ. ব্রাউন বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি রিচার্ড এ.ব্রাউন বলেন, এটি একটি নির্বিচারি নৃশংস কর্মকাণ্ড। হামলার শিকার ব্যক্তি মাটিতে পড়ে গিয়েছিলেন। আসামী তাকে যখন বার বার ঘুষি ও লাথি দিচ্ছিল তখন তিনি অসহায় ছিলেন।সাক্ষীর জবানবন্দিতে বলা হয়, ২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশি অভিবাসী ইশতিয়াক কাদির হিলসাইড ইনে বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছিলেন। এদিন রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ডেভিড লুইম তার ওপর হামলা করেন। কাদির তখন মেঝেতে পড়ে যান, তার মাথায় আগাত লাগে এবং জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তারপরও কাদিরকে অনবরত লাথি দিয়ে যেতে থাকে ডেভিড।

মস্তিষ্কে আঘাতগ্রস্ত অবস্থায় কাদিরকে স্থানীয় কুইন্স হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার চালানো হয়। মস্তিষ্কের ওই আঘাত স্থায়ীভাবে ব্রেন ড্যামেজে রূপ নেওয়ার পর কাদিরকে একটি নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়। প্রায় দু’বছর চরম ভোগান্তির পর ২০১৪ সালের মে মাসে তাঁর মৃত্যু ঘটে।