ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

কিশোরগঞ্জে অবুঝ শিশুর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন চাচা-চাচী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ছোট শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে পৌনে দুই বছরের শিশুর পুরুষাঙ্গ ধারালো ব্লেড দিয়ে কেটে দিয়েছেন শিশুটির চাচা-চাচী। নির্মম এ ঘটনার শিকার হয়েছে নাজিজুল আমিন (২১ মাস) নামের এক শিশু।

ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার রাতে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার পার্শ্ববর্তী খাসালা গজারিয়া গ্রামে। খাসালা গজারিয়া বাজিতপুর উপজেলার পশ্চিম সীমান্তবর্তী গ্রাম।

নাজিজুল খাসালা গজারিয়া গ্রামের মো. হামিদ মিয়ার পুত্র। এ ঘটনায় শিশুটির চাচা সবুজ মিয়া (৩৫) ও চাচী রোকসানা বেগমকে (২৫) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার আসামিদের রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ। নির্মম এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার তিন দিন পূর্বে বাদী মো. হামিদ মিয়ার পুত্র নুরুল আমিন (৯) ও সবুজ মিয়ার পুত্র শাওনের (১২) মধ্যে ঝগড়াকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের বড়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিল।

গত সোমবার রাতে হামিদ মিয়ার স্ত্রী আছমা বেগম প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হলে সবুজ মিয়া ও রোকসানা আছমার ঘরে প্রবেশ করে ধারালো ব্লেড দিয়ে শিশু নাজিজুলের পুরুষাঙ্গ কেটে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় আছমা বেগম তাদের দেখে ফেলেন এবং শিশুটির কান্না শুনতে পান।

ঘরে প্রবেশ করে তার শিশু সন্তানের পুরুষাঙ্গ কাটা দেখে চিৎকার করলে তার স্বামী হামিদ মিয়া ও প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে আসেন। তারা দ্রুত শিশুটিকে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির পিতা হামিদ মিয়া বাদী হয়ে সবুজ মিয়া ও রোকসানাকে আসামি করে বাজিতপুর থানায় একটি মামলা করলে পুলিশ উভয়কে গ্রেফতার ও বসতঘর থেকে রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে।

নাজিজুলের মামা রুহুল আমিন জানান, দুই পরিবারের মাঝে পূর্ব থেকে কলহ বিরাজ করছিল। তিনি পাষণ্ডদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাখাওয়াত হোসেন জানান, এ রকম অপরাধ বিরল। নিষ্পাপ শিশুটির পুরুষাঙ্গ কেটে হত্যা করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। আসামিদের গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো ও আলামত জব্দ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

কিশোরগঞ্জে অবুঝ শিশুর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন চাচা-চাচী

আপডেট সময় ১১:১১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ছোট শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে পৌনে দুই বছরের শিশুর পুরুষাঙ্গ ধারালো ব্লেড দিয়ে কেটে দিয়েছেন শিশুটির চাচা-চাচী। নির্মম এ ঘটনার শিকার হয়েছে নাজিজুল আমিন (২১ মাস) নামের এক শিশু।

ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার রাতে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার পার্শ্ববর্তী খাসালা গজারিয়া গ্রামে। খাসালা গজারিয়া বাজিতপুর উপজেলার পশ্চিম সীমান্তবর্তী গ্রাম।

নাজিজুল খাসালা গজারিয়া গ্রামের মো. হামিদ মিয়ার পুত্র। এ ঘটনায় শিশুটির চাচা সবুজ মিয়া (৩৫) ও চাচী রোকসানা বেগমকে (২৫) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার আসামিদের রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ। নির্মম এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার তিন দিন পূর্বে বাদী মো. হামিদ মিয়ার পুত্র নুরুল আমিন (৯) ও সবুজ মিয়ার পুত্র শাওনের (১২) মধ্যে ঝগড়াকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের বড়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিল।

গত সোমবার রাতে হামিদ মিয়ার স্ত্রী আছমা বেগম প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হলে সবুজ মিয়া ও রোকসানা আছমার ঘরে প্রবেশ করে ধারালো ব্লেড দিয়ে শিশু নাজিজুলের পুরুষাঙ্গ কেটে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় আছমা বেগম তাদের দেখে ফেলেন এবং শিশুটির কান্না শুনতে পান।

ঘরে প্রবেশ করে তার শিশু সন্তানের পুরুষাঙ্গ কাটা দেখে চিৎকার করলে তার স্বামী হামিদ মিয়া ও প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে আসেন। তারা দ্রুত শিশুটিকে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির পিতা হামিদ মিয়া বাদী হয়ে সবুজ মিয়া ও রোকসানাকে আসামি করে বাজিতপুর থানায় একটি মামলা করলে পুলিশ উভয়কে গ্রেফতার ও বসতঘর থেকে রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে।

নাজিজুলের মামা রুহুল আমিন জানান, দুই পরিবারের মাঝে পূর্ব থেকে কলহ বিরাজ করছিল। তিনি পাষণ্ডদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাখাওয়াত হোসেন জানান, এ রকম অপরাধ বিরল। নিষ্পাপ শিশুটির পুরুষাঙ্গ কেটে হত্যা করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। আসামিদের গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো ও আলামত জব্দ করা হয়েছে।