অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
অটোরিকশা মালিকদের বাড়তি ভাড়া নেওয়া বন্ধের দাবি করেছেন চালকরা। কেউ কেউ বলছেন, অবস্থার পরিবর্তন না হলে পেশা ছেড়ে গ্রামে ফিরে যাবেন।এই অবস্থার জন্য অটোরিকশা চালকদেরই দুষছেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান মো. মশিয়ার রহমান।
তিনি রোববার বলেন, “তারা যদি মিটারে যায়, যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট দূরত্বে যায় তাহলে যাত্রীরা অটোরিকশায় ঠিকই চড়বে। কিন্তু তারা তো গলাকাটা কাজ করে। এত এত জেল জরিমানা করার পরেও তাদের ঠিক করা যায়নি।”
অটোরিকশা ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য বন্ধে দুই বছর আগে শ্রমিক, মালিকদের সম্মতিতে কিলোমিটার প্রতি ভাড়া ও দৈনিক জমার পরিমাণ পুনর্নির্ধারণ করে দেয় সরকার। ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ করা হলেও কিছু দিনের মধ্যেই মিটারে যেতে অস্বীকৃতি জানাতে শুরু করেন চালকরা।
হালিম বলেন, ‘দেহেন না গাড়ি নিয়া ঘুরতাসি, খ্যাপ পাই না। কুড়িল মোড়ে দাঁড়াইয়া ছিলাম এক ঘণ্টা, এখন আবার এই দিকে ঘুরতাছি। জমাটমা দিয়া সারা দিনে দুই আড়াইশ ট্যাকার বেশি পাই না। ৫ হাজার ট্যাকা রুম ভাড়া দিয়া, বাজার কইরা পোষায় না। এ্যামনে চললে আমি তো বউ-বাচ্চা নিয়া গ্রামের বাড়ি যামুগা।”
তিনি বলেন, “মালিকরা এখন জমা নিতাছে ১ হাজার ট্যাকা। মালিক যদি ৩০০ ট্যাকা কম নিত তাইলেও চলতে পারতাম। তখন উবারওয়ালারা যেমনে ট্রিপ মারে আমরাও সেইভাবে মারতে পারতাম। জমা কমাইয়া না দিলে আমাদের পক্ষে টিকে থাকা সম্ভব হবে না। যেই পরিস্থিতি অইছে এই গাড়ি চালান ছাইড়া দিতে অইব।”
অ্যাপভিত্তিক পরিবহন সেবা চালুর পর অটোরিকশার ট্রিপ কমেছে বলে স্বীকার করলেও জমার টাকা কমাতে রাজি নন মালিকরা।ঢাকা মহানগর অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, “আমরা আপাতত ভাড়া কমাচ্ছি না। চালকরা যেন ট্রিপ বেশি পায় আমরা সেদিকে যাচ্ছি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























