অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
ঘরের ভেতর নানা সমালোচনা ও বিতর্কের পাত্র বনে যাওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচিত এশিয়া সফর শেষ হয়েছে। গত ৩ নভেম্বর সকাল থেকে শুরু করা এ সফর শেষ হয় গতকাল মঙ্গলবার। সফরের হিসেব-নিকেশ ও প্রাপ্তির চেয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার উদযাপনকে বড় করে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, ট্রাম্পের এ সফরে সাফল্যের অর্জন ছিল খুবই সামান্য। সূত্র এপির।
দীর্ঘ ১২ দিন ব্যাপি এ সফরে ট্রাম্প জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন গেছেন।গত ২৫ বছরে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের এটাই দীর্ঘতম এশিয়া সফর। এ সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোর দিয়েছেন দুইটি বিষয়ে। এগুলো হলো উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে চাপ বৃদ্ধি ও এশিয়ার বাজারে মার্কিন কোম্পানিরগুলোর প্রবেশের সুযোগ সহজ করা।
টোকিওতে প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে বৈঠক শেষে জাঁকজমকপূর্ণ নৈশভোজ হয় ট্রাম্পের। সেখানে লাল-গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয় ট্রাম্পকে।
এ সংবর্ধনার ব্যাপারে ট্রাম্প বলেন, এটা ছিল লাল গালিচা, আমি মনে করি আমাকে ছাড়া এ ধরনের সংবর্ধনা আগে কাউকে দেয়া হয়নি। বেইজিংয়ে তিনি চীনের নিষিদ্ধ নগরী সফর করেন। যেখানে মনোরম পিকিং অপেরা উপভোগ করেন তিনি। ট্রাম্পের সিউল সফরে দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট মুন জে ইনও পিছিয়ে ছিলেন না। ট্রাম্পের সম্মানে বিশেষ ভোজের আয়োজন করেন তিনি।
স্বভাবসুলভ বাগাড়ম্বরপূর্ণ কথাবার্তা আর হাসিমুখে ছবি তোলার সুযোগের সদ্ব্যবহারের বাইরে ওই দুই ইস্যুতে ট্রাম্প কী বা অগ্রগতি আনতে পেরেছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্লেষকরা।
সিউলের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘আসান ইনস্টিটিউট ফর পলিসি স্টাডিজ’-এর বিশ্লেষক গো মেয়ং-হিউনের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ট্রাম্পের এশিয়া সফরের আগের ও পরের চিত্র যদি আপনি তুলনা করেন, দেখবেন, (উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে) প্রকৃতপক্ষে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
তিনি বলেন, পারমাণবিক কর্মসূচি বাদ দিতে উত্তর কোরিয়ার ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিন পিংয়ের ওপর চাপ তৈরি করেছেন ট্রাম্প। কিন্তু পিয়ংইয়ংয়ের প্রধান বাণিজ্য অংশীদার বেইজিং তার ব্যাপারে অবস্থান আগের মতোই রেখেছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























