ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

সন্ত্রাসী হামলার শিকার যুবলীগ নেতা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার যুবলীগ নেতা মিন্টু হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। মিন্টু রহমান যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড যুলীগের সহসভাপতি। ঘটনার মামলার তিনজন আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করলেও আতংকে আছে মিন্টুর পরিবার।

জানা যায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উজ্জ্বলপুর গ্রামের সেলিম গাজীর পুত্র সুমন হোসেন (১৮) সাথে একই গ্রামের মোসলেম আলীর ছেলে মুরাদ হোসেনের (২৫) সাথে মারামারি হয়। ঘটনায় বাঁকড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিমাংসার জন্য উভয়পক্ষকে বাঁকড়া বাজারের আসতে বলেন। ২১ সেপ্টেম্বর সকালে সুমন হোসেন তার চাচাতো ভাই যুবলীগ নেতা মিন্টু রহমান কে সাথে নিয়ে বাঁকড়া বাজারের আসার সময় কলেজের সামনে আসলে মুরাদ হোসেন, তার পিতা মোসলেম আলী, চাচা জমশের গাজী, আনসার গাজী ও সামছুর রহমান বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও হাতুড়ি নিয়ে হামলা চালায়।

এসময় তারা যুবলীগ নেতা মিন্টু রহমানকে এলাপাতাড়ি ভাবে ব্যাপক মারপিট করে ফেলে রেখে যায়। পরে তার গ্রাম থেকে লোকজন এসে তাকে প্রথমে নাভারন হাসপাতাল থেকে স্থানান্তর করা হয় যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে। মিন্টুর মাথার আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার মাথায় একটি গ্ররুত্বপূর্ণ অপরেশন করা হয়েছে বলে তার পরিবার থেকে জানানো হয়েছে। ঘটনায় মিন্টুর চাচা সেলিম গাজী বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানায় ৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ জানান, ঘটনাটি নিষ্পত্তি করার জন্য আমি উভয় পক্ষ ডেকেছিলাম। তারা আমার কথা না শুনে মিন্টুর উপর হামলা চালায়। বাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি, সাবেক ইউপি সদস্য ও উজ্জ্বলপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল করিম জানান, পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ হামলা হালিয়েছে।

বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শিকদার মতিয়ার রহমান জানান, মামলার কয়েকজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বাকীরা পলাতক রয়েছে। তাদেরও গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সন্ত্রাসী হামলার শিকার যুবলীগ নেতা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে

আপডেট সময় ১১:১৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার যুবলীগ নেতা মিন্টু হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। মিন্টু রহমান যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড যুলীগের সহসভাপতি। ঘটনার মামলার তিনজন আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করলেও আতংকে আছে মিন্টুর পরিবার।

জানা যায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উজ্জ্বলপুর গ্রামের সেলিম গাজীর পুত্র সুমন হোসেন (১৮) সাথে একই গ্রামের মোসলেম আলীর ছেলে মুরাদ হোসেনের (২৫) সাথে মারামারি হয়। ঘটনায় বাঁকড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিমাংসার জন্য উভয়পক্ষকে বাঁকড়া বাজারের আসতে বলেন। ২১ সেপ্টেম্বর সকালে সুমন হোসেন তার চাচাতো ভাই যুবলীগ নেতা মিন্টু রহমান কে সাথে নিয়ে বাঁকড়া বাজারের আসার সময় কলেজের সামনে আসলে মুরাদ হোসেন, তার পিতা মোসলেম আলী, চাচা জমশের গাজী, আনসার গাজী ও সামছুর রহমান বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও হাতুড়ি নিয়ে হামলা চালায়।

এসময় তারা যুবলীগ নেতা মিন্টু রহমানকে এলাপাতাড়ি ভাবে ব্যাপক মারপিট করে ফেলে রেখে যায়। পরে তার গ্রাম থেকে লোকজন এসে তাকে প্রথমে নাভারন হাসপাতাল থেকে স্থানান্তর করা হয় যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে। মিন্টুর মাথার আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার মাথায় একটি গ্ররুত্বপূর্ণ অপরেশন করা হয়েছে বলে তার পরিবার থেকে জানানো হয়েছে। ঘটনায় মিন্টুর চাচা সেলিম গাজী বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানায় ৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ জানান, ঘটনাটি নিষ্পত্তি করার জন্য আমি উভয় পক্ষ ডেকেছিলাম। তারা আমার কথা না শুনে মিন্টুর উপর হামলা চালায়। বাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি, সাবেক ইউপি সদস্য ও উজ্জ্বলপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল করিম জানান, পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ হামলা হালিয়েছে।

বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শিকদার মতিয়ার রহমান জানান, মামলার কয়েকজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বাকীরা পলাতক রয়েছে। তাদেরও গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।