ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সন্ত্রাসী হামলার শিকার যুবলীগ নেতা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার যুবলীগ নেতা মিন্টু হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। মিন্টু রহমান যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড যুলীগের সহসভাপতি। ঘটনার মামলার তিনজন আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করলেও আতংকে আছে মিন্টুর পরিবার।

জানা যায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উজ্জ্বলপুর গ্রামের সেলিম গাজীর পুত্র সুমন হোসেন (১৮) সাথে একই গ্রামের মোসলেম আলীর ছেলে মুরাদ হোসেনের (২৫) সাথে মারামারি হয়। ঘটনায় বাঁকড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিমাংসার জন্য উভয়পক্ষকে বাঁকড়া বাজারের আসতে বলেন। ২১ সেপ্টেম্বর সকালে সুমন হোসেন তার চাচাতো ভাই যুবলীগ নেতা মিন্টু রহমান কে সাথে নিয়ে বাঁকড়া বাজারের আসার সময় কলেজের সামনে আসলে মুরাদ হোসেন, তার পিতা মোসলেম আলী, চাচা জমশের গাজী, আনসার গাজী ও সামছুর রহমান বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও হাতুড়ি নিয়ে হামলা চালায়।

এসময় তারা যুবলীগ নেতা মিন্টু রহমানকে এলাপাতাড়ি ভাবে ব্যাপক মারপিট করে ফেলে রেখে যায়। পরে তার গ্রাম থেকে লোকজন এসে তাকে প্রথমে নাভারন হাসপাতাল থেকে স্থানান্তর করা হয় যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে। মিন্টুর মাথার আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার মাথায় একটি গ্ররুত্বপূর্ণ অপরেশন করা হয়েছে বলে তার পরিবার থেকে জানানো হয়েছে। ঘটনায় মিন্টুর চাচা সেলিম গাজী বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানায় ৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ জানান, ঘটনাটি নিষ্পত্তি করার জন্য আমি উভয় পক্ষ ডেকেছিলাম। তারা আমার কথা না শুনে মিন্টুর উপর হামলা চালায়। বাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি, সাবেক ইউপি সদস্য ও উজ্জ্বলপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল করিম জানান, পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ হামলা হালিয়েছে।

বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শিকদার মতিয়ার রহমান জানান, মামলার কয়েকজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বাকীরা পলাতক রয়েছে। তাদেরও গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সন্ত্রাসী হামলার শিকার যুবলীগ নেতা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে

আপডেট সময় ১১:১৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার যুবলীগ নেতা মিন্টু হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। মিন্টু রহমান যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড যুলীগের সহসভাপতি। ঘটনার মামলার তিনজন আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করলেও আতংকে আছে মিন্টুর পরিবার।

জানা যায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উজ্জ্বলপুর গ্রামের সেলিম গাজীর পুত্র সুমন হোসেন (১৮) সাথে একই গ্রামের মোসলেম আলীর ছেলে মুরাদ হোসেনের (২৫) সাথে মারামারি হয়। ঘটনায় বাঁকড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিমাংসার জন্য উভয়পক্ষকে বাঁকড়া বাজারের আসতে বলেন। ২১ সেপ্টেম্বর সকালে সুমন হোসেন তার চাচাতো ভাই যুবলীগ নেতা মিন্টু রহমান কে সাথে নিয়ে বাঁকড়া বাজারের আসার সময় কলেজের সামনে আসলে মুরাদ হোসেন, তার পিতা মোসলেম আলী, চাচা জমশের গাজী, আনসার গাজী ও সামছুর রহমান বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও হাতুড়ি নিয়ে হামলা চালায়।

এসময় তারা যুবলীগ নেতা মিন্টু রহমানকে এলাপাতাড়ি ভাবে ব্যাপক মারপিট করে ফেলে রেখে যায়। পরে তার গ্রাম থেকে লোকজন এসে তাকে প্রথমে নাভারন হাসপাতাল থেকে স্থানান্তর করা হয় যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে। মিন্টুর মাথার আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার মাথায় একটি গ্ররুত্বপূর্ণ অপরেশন করা হয়েছে বলে তার পরিবার থেকে জানানো হয়েছে। ঘটনায় মিন্টুর চাচা সেলিম গাজী বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানায় ৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ জানান, ঘটনাটি নিষ্পত্তি করার জন্য আমি উভয় পক্ষ ডেকেছিলাম। তারা আমার কথা না শুনে মিন্টুর উপর হামলা চালায়। বাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি, সাবেক ইউপি সদস্য ও উজ্জ্বলপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল করিম জানান, পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ হামলা হালিয়েছে।

বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শিকদার মতিয়ার রহমান জানান, মামলার কয়েকজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বাকীরা পলাতক রয়েছে। তাদেরও গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।