ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী ‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের ১০ জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রোববার ২০ বছরে মাদক ব্যবসা করে এক হাজার ব্যক্তি কোটিপতি: ভূমিমন্ত্রী ইরানের ২৪ বিলিয়ন ডলারের জব্দ সম্পদ ছাড়তে সম্মতি ট্রাম্পের ‘সাসপেন্ড কোনো বিচার নয়’,ওসিসহ দায়ী পুলিশদের গ্রেফতার চান ক্রিকেটার নাঈমের বাবা

ক্রিকেটার নাঈমকে মারধরে জড়িত কাউকে ছাড় নয়: সিএমপি কমিশনার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তার ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার শওকত আলী বলেছেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের আইনি সুরক্ষা পাওয়ার সমান অধিকার রয়েছে। এ ঘটনার জন্য আমরা দুঃখিত। বাংলাদেশ পুলিশ কখনোই অপেশাদার আচরণকে প্রশ্রয় দেয় না এবং কোনো সদস্যের ব্যক্তিগত অনিয়মের দায় পুলিশ বিভাগ নেবে না।

শনিবার সিএমপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এদিন দুপুরে ক্রিকেটার নাঈম হাসানের বাসায় গিয়ে মারধরের ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেন সিএমপি কমিশনার।

সিএমপি কমিশনার আরও বলেন, এ ঘটনায় দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের আচরণ পেশাদারসুলভ ছিল না। পুলিশের কোনো সদস্য যদি অপেশাদার আচরণ করেন, তাহলে তার দায় ব্যক্তিগতভাবে তাকেই বহন করতে হবে এবং বিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, অভিযানে অংশ নেওয়া পুরো টিমের বিরুদ্ধেই বিভাগীয় মামলা করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে সিএমপি কমিশনার বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে কোনো অবৈধ বস্তু পরিবহনের তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি থামানো হয়েছিল। তবে তথ্যের সত্যতা যাচাই করাও পুলিশের দায়িত্ব। পুলিশ চাইলেই অপেশাদার আচরণ করতে পারে না। সেই জায়গায় ব্যত্যয় ঘটেছে কি না, সেটিই তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে। দায়ী কেউ ছাড় পাবে না।

শুক্রবার রাতে নগরের লালখান বাজার এলাকায় ডিবি পরিচয়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে আটক করে মারধরের অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া তৈরি করলে নড়েচড়ে বসে পুলিশ। পুলিশের সোর্স সোহেল রানাকে গ্রেপ্তা‌র করা হয়। সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এসআই শফিকুল ও কনস্টেবল রাসেলকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী

ক্রিকেটার নাঈমকে মারধরে জড়িত কাউকে ছাড় নয়: সিএমপি কমিশনার

আপডেট সময় ০৪:৪০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তার ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার শওকত আলী বলেছেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের আইনি সুরক্ষা পাওয়ার সমান অধিকার রয়েছে। এ ঘটনার জন্য আমরা দুঃখিত। বাংলাদেশ পুলিশ কখনোই অপেশাদার আচরণকে প্রশ্রয় দেয় না এবং কোনো সদস্যের ব্যক্তিগত অনিয়মের দায় পুলিশ বিভাগ নেবে না।

শনিবার সিএমপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এদিন দুপুরে ক্রিকেটার নাঈম হাসানের বাসায় গিয়ে মারধরের ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেন সিএমপি কমিশনার।

সিএমপি কমিশনার আরও বলেন, এ ঘটনায় দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের আচরণ পেশাদারসুলভ ছিল না। পুলিশের কোনো সদস্য যদি অপেশাদার আচরণ করেন, তাহলে তার দায় ব্যক্তিগতভাবে তাকেই বহন করতে হবে এবং বিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, অভিযানে অংশ নেওয়া পুরো টিমের বিরুদ্ধেই বিভাগীয় মামলা করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে সিএমপি কমিশনার বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে কোনো অবৈধ বস্তু পরিবহনের তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি থামানো হয়েছিল। তবে তথ্যের সত্যতা যাচাই করাও পুলিশের দায়িত্ব। পুলিশ চাইলেই অপেশাদার আচরণ করতে পারে না। সেই জায়গায় ব্যত্যয় ঘটেছে কি না, সেটিই তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে। দায়ী কেউ ছাড় পাবে না।

শুক্রবার রাতে নগরের লালখান বাজার এলাকায় ডিবি পরিচয়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে আটক করে মারধরের অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া তৈরি করলে নড়েচড়ে বসে পুলিশ। পুলিশের সোর্স সোহেল রানাকে গ্রেপ্তা‌র করা হয়। সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এসআই শফিকুল ও কনস্টেবল রাসেলকে।