আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বর্তমান সময়ে এক মহামারি আকার ধারণ করেছে পরকীয়া। বিবাহবহির্ভূত এমন অবৈধ সম্পর্কের কারণে সংসারে অশান্তি-ভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে। পুরুষ-নারী উভয়কেই পরকীয়ায় লিপ্ত হতে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে জীবন-জীবিকার তাগিদে অনেক মানুষ স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনদের জন্য পরিবার থেকে দূরে প্রবাসে থাকেন। ফলে অনেক সময় তাদের স্ত্রী পরকীয়া, অবৈধ সম্পর্ক ও যেনা-ব্যভিচারে জড়িত হয়ে পড়েন। আবার অনেক সময় স্ত্রীর অগোচরে স্বামী পরনারীর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন। এমতাবস্থায় শরীয়ত কী বলে? বিয়ে কি বহাল থাকবে?
সম্প্রতি আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহর কাছে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেন যে, স্বামী সকালে চাকরিতে চলে যান, স্ত্রী চার সন্তানের জননী, স্বামীর অনুপস্থিতিতে পরপুরুষের সঙ্গে পরকীয়া করে। অনেকবার ধরা পড়েছে। এই বিবাহ কি বহাল থাকবে?
জবাবে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, কোনো স্বামী বা স্ত্রী যদি পরকীয়ায় লিপ্ত হয়। শরিয়াতের মাসআলা অনুযায়ী তাদের মধ্যে সম্পর্ক ভেঙে যায় না। কেউ যিনায় লিপ্ত হলে আল্লাহর কাছে অপরাধী হবে। তার পাপ হবে, গুনাহ হবে ও শাস্তি হবে। এর কারণে বৈবাহিক সম্পর্ক নষ্ট হবে না। স্বামী বা স্ত্রী দুজনের কেউ যদি যিনায় লিপ্ত হন অপর জনের উচিত তাকে যিনা থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা। যদি তাতে কাজ না হয়, শাসন করা। তাতে কাজ না হলে মুরুব্বিদের কাছে বিচার দিয়ে সমাধান চাওয়া। এর পরেও কাজ না হলে তিনি চাইলে তার সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করতে পারেন।
সম্পর্ক ছেদের প্রক্রিয়া নিয়ে আহমাদুল্লাহ বলেন, প্রথমে একটা তালাক দিলেন, তাতে কাজ না হলে দ্বিতীয় তালাক দিলেন। তাতেও যদি কাজ না হয়ে সবশেষ তৃতীয় তালাক দিয়ে সম্পর্ক শেষ করে দেবেন। যদি সে আশা করে অপেক্ষায় থাকে হয়তো এক দিন সে পরকীয়া থেকে ফিরে আসবে, তাতে তাদের বৈবাহিক সম্পর্কে কোনো ক্ষতি হবে না।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























