ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর চাঁদা না পেয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট দোষারোপের সময় নয়, দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংসদে না হলে রাজপথে আন্দোলন: গোলাম পরওয়ার অনলাইনে মাদক কেনাবেচার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস জাপা নেতার বাসায় নাহিদ ও হাসনাতের ডিনার-রাতযাপন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্য গঠনে কাজ করবে এবি পার্টি বিরোধী দলের ওয়াকআউট হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী

গাইবান্ধায় থানায় ঢুকে পুলিশকে মারধরের অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, আটক ১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসিসহ কয়েকজন পুলিশকে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী থানার ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। মারধরে আট পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। জড়িত সন্দেহে তৌহিদুল ইসলাম কানন নামের এক জামায়াত নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে গাইবান্ধা সহকারী পুলিশ সুপার, (সি সার্কেল) এবিএম রশিদুল বারী সাংবাদিকদের জানান, পলাশবাড়ী যুব জামায়াতের বায়তুলমাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় প্রবেশ করেন। পরে তারা থানার ওসি সারোয়ার আলমকে পলাশবাড়ী পৌরসভার কালিবাজারে বিবদমান একটি দোকানে তালাবদ্ধ করতে বলেন। এসময় ওসি দোকানে তালা দিতে রাজি না হলে পলাশ ও তার লোকজন পুলিশের ওপর চড়াও হন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মাঝে তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে তারা ওসির গায়ে হাত তোলে। পরে ওসিকে বাঁচাতে অন্য পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে এলে তারাও আহত হন বলে দাবি করেন পুলিশ কর্মকর্তা রশিদুল বারী। তিনি আরও বলেন, আহত পুলিশ সদস্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার আব্দুল্লাহ সোহাগ জানান, গতকাল রাতে এএসআই রুহুল আমিন ও শাহ আলমসহ সাতজন পুলিশ সদস্য আহত অবস্থায় এসেছিলেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পলাশবাড়ী থানায় কর্মরত আহত পুলিশ সদস্যের একজন এএসআই রুহুল আমিন বলেন, পুলিশের ওপর আক্রমণ করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তাদের আটকাতে গিয়ে হামলার শিকার হন। এসময় তারা পুলিশকে মারধর করেন।

অভিযোগের বিষয়ে পলাশবাড়ী যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, খবর পেয়ে জামায়াতের নেতাকর্মী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু থানায় যান। অভিযুক্তদের এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের কোনো কর্মী জড়িত আছে কিনা থানার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি। তবে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও দেখতে চাইলে পুলিশ জানায়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে ভিডিও দেখানো হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর

গাইবান্ধায় থানায় ঢুকে পুলিশকে মারধরের অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, আটক ১

আপডেট সময় ০৫:০৫:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসিসহ কয়েকজন পুলিশকে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী থানার ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। মারধরে আট পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। জড়িত সন্দেহে তৌহিদুল ইসলাম কানন নামের এক জামায়াত নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে গাইবান্ধা সহকারী পুলিশ সুপার, (সি সার্কেল) এবিএম রশিদুল বারী সাংবাদিকদের জানান, পলাশবাড়ী যুব জামায়াতের বায়তুলমাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় প্রবেশ করেন। পরে তারা থানার ওসি সারোয়ার আলমকে পলাশবাড়ী পৌরসভার কালিবাজারে বিবদমান একটি দোকানে তালাবদ্ধ করতে বলেন। এসময় ওসি দোকানে তালা দিতে রাজি না হলে পলাশ ও তার লোকজন পুলিশের ওপর চড়াও হন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মাঝে তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে তারা ওসির গায়ে হাত তোলে। পরে ওসিকে বাঁচাতে অন্য পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে এলে তারাও আহত হন বলে দাবি করেন পুলিশ কর্মকর্তা রশিদুল বারী। তিনি আরও বলেন, আহত পুলিশ সদস্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার আব্দুল্লাহ সোহাগ জানান, গতকাল রাতে এএসআই রুহুল আমিন ও শাহ আলমসহ সাতজন পুলিশ সদস্য আহত অবস্থায় এসেছিলেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পলাশবাড়ী থানায় কর্মরত আহত পুলিশ সদস্যের একজন এএসআই রুহুল আমিন বলেন, পুলিশের ওপর আক্রমণ করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তাদের আটকাতে গিয়ে হামলার শিকার হন। এসময় তারা পুলিশকে মারধর করেন।

অভিযোগের বিষয়ে পলাশবাড়ী যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, খবর পেয়ে জামায়াতের নেতাকর্মী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু থানায় যান। অভিযুক্তদের এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের কোনো কর্মী জড়িত আছে কিনা থানার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি। তবে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও দেখতে চাইলে পুলিশ জানায়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে ভিডিও দেখানো হবে।