ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মহাকাশে ‘হাঁটতে’ যাচ্ছেন নভোচারীরা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহাকাশে ভেসে থাকা একটি বিশাল গবেষণাগার। পৃথিবীর অনেক ওপরে ঘুরছে সেটি। সেখানে কাজ করছেন নভোচারীরা। কিন্তু এবার তাদের কাজ করতে হবে স্টেশনের ভেতরে নয়, বাইরে—খোলা মহাকাশে।

মার্চ মাসে দুই দফা ‘স্পেসওয়াক’ (মহাকাশে বের হয়ে কাজ করা) করবেন নাসার নভোচারীরা। উদ্দেশ্য একটাই—আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা।

প্রথম স্পেসওয়াক হবে ১৮ মার্চ। এই অভিযানে অংশ নেবেন নভোচারী জেসিকা মিয়ার এবং ক্রিস্টোফার উইলিয়ামস। তারা স্টেশনের ‘কোয়েস্ট এয়ারলক’ (মহাকাশে বের হওয়ার বিশেষ দরজা) দিয়ে বাইরে যাবেন।

সেখানে তারা স্টেশনের ২এ পাওয়ার চ্যানেল প্রস্তুত করবেন। এখানে বসানো হবে নতুন ধরনের সৌর প্যানেল। এই প্যানেলের নাম আইআরওএসএ বা আইএসএস রোল আউট সোলার অ্যারে। এটি বসানো হলে স্টেশন আরও বেশি বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারবে।

এই কাজ করতে প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা সময় লাগবে। নভোচারীরা নতুন যন্ত্র বসাবেন, প্রয়োজনীয় তার লাগাবেন এবং ভবিষ্যতের সৌর প্যানেল স্থাপনের পথ প্রস্তুত করবেন।

জেসিকা মিয়ারের জন্য এটি হবে চতুর্থ স্পেসওয়াক। আর ক্রিস্টোফার উইলিয়ামস প্রথমবারের মতো মহাকাশে বের হয়ে কাজ করবেন।

এরপর আরেকটি স্পেসওয়াক করা হবে যার নাম ইউএস স্পেসওয়াক–৯৫। সেখানে স্টেশনের ৩বি পাওয়ার চ্যানেল প্রস্তুত করা হবে। এ ধরনের কাজ নতুন নয়। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন তৈরির পর থেকে এখন পর্যন্ত শত শত স্পেসওয়াক হয়েছে। এবার যে দুটি অভিযান হবে, সেগুলো হবে এই স্টেশনের ২৭৮তম ও ২৭৯তম স্পেসওয়াক।

নাসা জানিয়েছে, এসব কাজের লক্ষ্য হলো মহাকাশ স্টেশনের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আধুনিক করা। এতে ভবিষ্যতে নভোচারীরা আরও বেশি বৈজ্ঞানিক গবেষণা করতে পারবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মহাকাশে ‘হাঁটতে’ যাচ্ছেন নভোচারীরা

আপডেট সময় ০৯:০১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহাকাশে ভেসে থাকা একটি বিশাল গবেষণাগার। পৃথিবীর অনেক ওপরে ঘুরছে সেটি। সেখানে কাজ করছেন নভোচারীরা। কিন্তু এবার তাদের কাজ করতে হবে স্টেশনের ভেতরে নয়, বাইরে—খোলা মহাকাশে।

মার্চ মাসে দুই দফা ‘স্পেসওয়াক’ (মহাকাশে বের হয়ে কাজ করা) করবেন নাসার নভোচারীরা। উদ্দেশ্য একটাই—আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা।

প্রথম স্পেসওয়াক হবে ১৮ মার্চ। এই অভিযানে অংশ নেবেন নভোচারী জেসিকা মিয়ার এবং ক্রিস্টোফার উইলিয়ামস। তারা স্টেশনের ‘কোয়েস্ট এয়ারলক’ (মহাকাশে বের হওয়ার বিশেষ দরজা) দিয়ে বাইরে যাবেন।

সেখানে তারা স্টেশনের ২এ পাওয়ার চ্যানেল প্রস্তুত করবেন। এখানে বসানো হবে নতুন ধরনের সৌর প্যানেল। এই প্যানেলের নাম আইআরওএসএ বা আইএসএস রোল আউট সোলার অ্যারে। এটি বসানো হলে স্টেশন আরও বেশি বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারবে।

এই কাজ করতে প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা সময় লাগবে। নভোচারীরা নতুন যন্ত্র বসাবেন, প্রয়োজনীয় তার লাগাবেন এবং ভবিষ্যতের সৌর প্যানেল স্থাপনের পথ প্রস্তুত করবেন।

জেসিকা মিয়ারের জন্য এটি হবে চতুর্থ স্পেসওয়াক। আর ক্রিস্টোফার উইলিয়ামস প্রথমবারের মতো মহাকাশে বের হয়ে কাজ করবেন।

এরপর আরেকটি স্পেসওয়াক করা হবে যার নাম ইউএস স্পেসওয়াক–৯৫। সেখানে স্টেশনের ৩বি পাওয়ার চ্যানেল প্রস্তুত করা হবে। এ ধরনের কাজ নতুন নয়। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন তৈরির পর থেকে এখন পর্যন্ত শত শত স্পেসওয়াক হয়েছে। এবার যে দুটি অভিযান হবে, সেগুলো হবে এই স্টেশনের ২৭৮তম ও ২৭৯তম স্পেসওয়াক।

নাসা জানিয়েছে, এসব কাজের লক্ষ্য হলো মহাকাশ স্টেশনের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আধুনিক করা। এতে ভবিষ্যতে নভোচারীরা আরও বেশি বৈজ্ঞানিক গবেষণা করতে পারবেন।