ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব ইরানের ৪২ যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করেছে দিল্লি: প্রণয় ভার্মা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিলেই আক্রমণ, প্রতিবেশীদের হুঁশিয়ারি ইরানের শেখ হাসিনা সরকারের প্রবণতা এই সরকারেও দেখতে পাচ্ছি: নাহিদ ইসলাম সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে: জোনায়েদ সাকি কুমিল্লায় মন্দিরে দুর্বৃত্তের রেখে যাওয়া ককটেল বিস্ফোরণ, পুরোহিতসহ আহত ৪ আবেগি পোস্ট দিয়ে দলের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াত নেতা জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ কোটি ডলারের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে ইরান: ব্লুমবার্গ চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের অদ্ভুত দৃশ্য

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহাকাশে এমন অনেক দৃশ্য আছে যা মানুষকে বিস্মিত করে। এবার তেমনই এক রহস্যময় দৃশ্যের ছবি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ছবিটি তুলেছে শক্তিশালী হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। এতে দেখা গেছে এক অদ্ভুত নীহারিকা, যার নাম এগ নীহারিকা বা ডিম নীহারিকা।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি পৃথিবী থেকে প্রায় এক হাজার আলোকবর্ষ দূরে। এটি সিগনাস নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত। ছবিতে দেখা যায়, মাঝখানে একটি তারা রয়েছে। কিন্তু সেই তারাটি ঘন ধুলোর মেঘে ঢাকা। পুরো গঠনটি দেখতে অনেকটা ডিমের কুসুমের মতো, যার চারপাশে সাদা অংশের মতো ধুলোর স্তর আছে।

গবেষকদের মতে, এটি একটি প্রি-প্ল্যানেটারি নীহারিকা (অর্থাৎ গ্রহীয় নীহারিকা। সহজভাবে বললে, কোনো তারা যখন ধীরে ধীরে শেষের দিকে যায়, তখন তার বাইরের স্তর মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে। সেই গ্যাস ও ধুলোর মেঘ দিয়েই এমন নীহারিকা তৈরি হয়।

হাবলের ছবিতে দেখা গেছে, মরে যাওয়া তারাটি থেকে দুটি উজ্জ্বল আলোর রেখা বের হয়েছে। এই আলো দ্রুত গতিতে ধুলোর মেঘ ভেদ করে বাইরে ছড়িয়ে পড়ছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, তারার আশেপাশে হয়তো আরও এক বা একাধিক ছোট তারা লুকিয়ে আছে। তাদের টানের কারণেও এমন অদ্ভুত গঠন তৈরি হতে পারে।

বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন, এ ধরনের পুরোনো তারা মহাকাশে অনেক কসমিক ডাস্ট বা মহাজাগতিক ধুলো ছড়িয়ে দেয়। এই ধুলো থেকেই ভবিষ্যতে নতুন তারা ও গ্রহ তৈরি হতে পারে। অনেক বিজ্ঞানীর মতে, আমাদের সৌরজগতও প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে এমন ধুলোর মেঘ থেকেই তৈরি হয়েছিল।

গবেষকদের মতে, এই ধাপ খুব বেশি দিন থাকে না। কয়েক হাজার বছরের মধ্যেই এটি বদলে যায়। তাই এমন নীহারিকা নিয়ে গবেষণা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এতে মহাকাশে তারা জন্ম ও মৃত্যুর রহস্য আরও ভালোভাবে বোঝা যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের অদ্ভুত দৃশ্য

আপডেট সময় ০৯:৩১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহাকাশে এমন অনেক দৃশ্য আছে যা মানুষকে বিস্মিত করে। এবার তেমনই এক রহস্যময় দৃশ্যের ছবি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ছবিটি তুলেছে শক্তিশালী হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। এতে দেখা গেছে এক অদ্ভুত নীহারিকা, যার নাম এগ নীহারিকা বা ডিম নীহারিকা।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি পৃথিবী থেকে প্রায় এক হাজার আলোকবর্ষ দূরে। এটি সিগনাস নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত। ছবিতে দেখা যায়, মাঝখানে একটি তারা রয়েছে। কিন্তু সেই তারাটি ঘন ধুলোর মেঘে ঢাকা। পুরো গঠনটি দেখতে অনেকটা ডিমের কুসুমের মতো, যার চারপাশে সাদা অংশের মতো ধুলোর স্তর আছে।

গবেষকদের মতে, এটি একটি প্রি-প্ল্যানেটারি নীহারিকা (অর্থাৎ গ্রহীয় নীহারিকা। সহজভাবে বললে, কোনো তারা যখন ধীরে ধীরে শেষের দিকে যায়, তখন তার বাইরের স্তর মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে। সেই গ্যাস ও ধুলোর মেঘ দিয়েই এমন নীহারিকা তৈরি হয়।

হাবলের ছবিতে দেখা গেছে, মরে যাওয়া তারাটি থেকে দুটি উজ্জ্বল আলোর রেখা বের হয়েছে। এই আলো দ্রুত গতিতে ধুলোর মেঘ ভেদ করে বাইরে ছড়িয়ে পড়ছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, তারার আশেপাশে হয়তো আরও এক বা একাধিক ছোট তারা লুকিয়ে আছে। তাদের টানের কারণেও এমন অদ্ভুত গঠন তৈরি হতে পারে।

বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন, এ ধরনের পুরোনো তারা মহাকাশে অনেক কসমিক ডাস্ট বা মহাজাগতিক ধুলো ছড়িয়ে দেয়। এই ধুলো থেকেই ভবিষ্যতে নতুন তারা ও গ্রহ তৈরি হতে পারে। অনেক বিজ্ঞানীর মতে, আমাদের সৌরজগতও প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে এমন ধুলোর মেঘ থেকেই তৈরি হয়েছিল।

গবেষকদের মতে, এই ধাপ খুব বেশি দিন থাকে না। কয়েক হাজার বছরের মধ্যেই এটি বদলে যায়। তাই এমন নীহারিকা নিয়ে গবেষণা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এতে মহাকাশে তারা জন্ম ও মৃত্যুর রহস্য আরও ভালোভাবে বোঝা যায়।